খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার কোনো আইনি বাধা নেই : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার কোনো আইনি বাধা নেই : চিফ প্রসিকিউটর

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উচিত দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে পাওয়া সাজা ও বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলা করা।

রোববার (৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা আপিল করতে পারবেন কিনা, এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুপিরিয়র রেসপনসেবলিটির দায় নিয়ে শেখ হাসিনার সাজা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে তার এ শাস্তি হয়নি। সাধারণত রায় ঘোষণার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিলের বিধান রয়েছে। এরই মধ্যে সেই সময় অতিক্রম হয়ে গেছে। তাই এ সময়ের মধ্যে যদি আপিল করা না যায়, তাহলে আর করতে পারবেন না। তবে আমরা চাই শেখ হাসিনা দেশে এসে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া দণ্ড চ্যালেঞ্জ করুক। তিনি আপিল ফাইল করুক। কারণ তার দেশে আসতে কোনো আইনগত বাধা নেই।

সুযোগ না থাকলে আপিল ফাইল করবেন কীভাবে- জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটা আপিল বিভাগের বিষয়। আগে তাকে (শেখ হাসিনা) আসতে দিন। তিনি আসুক। আমরাও চাই তিনি আপিল করুক। আইনি প্রক্রিয়ায় তখন কীভাবে কী হবে, সেটা তখন দেখা যাবে। এখন অগ্রিম বলার কোনো অবকাশ নেই। তবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন। বেশ কিছু মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে। বিশেষত শাপলা চত্বর মামলাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও অনেক মামলায় তিনি বিচারের সম্মুখীন হতে পারেন। এরই মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। এজন্যই বাংলাদেশে এসে তার এসব বিচার মোকাবিলা করা উচিত।

ইনুকেও শাপলা চত্বরের মামলায় আসামি করা হবে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার শুরু থেকেই আমরা জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সংশ্লিষ্টতা পাচ্ছি। তখন তিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার নির্দেশনায় ২০১৩ সালের ৫ মে’র পর দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। সংসদে দাঁড়িয়ে এসবের দায় স্বীকার করে তিনি বলেছেন যে, তিনি এগুলো মোকাবিলা করেছেন। অতএব এই তথ্যপ্রমাণ শুরু থেকেই আমরা পেয়েছি। যেহেতু এটি একটি বড় ঘটনা, সেহেতু গুছিয়ে আনতে সময়টুকু লাগছে। হাসানুল হক ইনু আসামি হবেন, আগে থেকেই আমরা বলে আসছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবে আমাদের দেশে যে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমাদের একাধিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা যাদের বিচারের সম্মুখীন করছি, প্রাথমিক তদন্তে তারা স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করেছেন বলে প্রমাণ মিলছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি মামলায় আমরা দেখেছি যে- পুলিশ যখন অস্ত্র বণ্টন করতো, তখন বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে দেখানো হতো। বাস্তবে অস্ত্রগুলো দেওয়া হতো আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে। তারা পুলিশের পাশাপাশি এসব ব্যবহার করতেন।

কালের আলো/এসএকে

বুধবার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
বুধবার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক

পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুল্যান্স মালিক কল্যাণ সমিতি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সংগঠনের সভাপতি ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তাই বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টা থেকে দেশের কোথাও কোনো বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলবে না বলেও জানান তিনি।

সংগঠনটির দাবি, অ্যাম্বুল্যান্স পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট বাণিজ্যিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাম্বুল্যান্স থেকে টোল আদায় বন্ধ, লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুল্যান্সের সব ধরনের টোল সম্পূর্ণ মওকুফ এবং রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

ধর্মঘট কার্যকর হলে সারা দেশে রোগী পরিবহনে ব্যাপক ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে জরুরি রোগী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি এবং আন্তঃজেলা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্যোগে ‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী রাজশাহী জেলার কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিয়েছে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থা। এ সময় নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের  ফুলের ষ্টিক দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)  রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের এই সংবর্ধনা প্রদান করেন।

এ সময় তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় দলের খেলোয়াড়রা বালক বিভাগ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করে রাজশাহী তথা দেশের সম্মান বয়ে এনেছেন যা অকল্পনিয় জয়।

এই সাফল্য অর্জনের জন্য তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে রাজশাহী তথা দেশের সুনাম উজ্জ্বল করবে।

তিনি খেলোয়াড়দের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বোরহান উদ্দিন অন্তর, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছিন মিয়া, ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ও ক্রিকেট টিমের ম্যানেজার মোঃ আখতারুজমানা রেজা তালুকদার রুমী,

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, বিভিন্ন ইভেন্টের দলীয় ম্যানেজার ও সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিনসহ কেলায়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

Oplus_131072

দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এ মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

পর্যালোচনা সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তারা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।’

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এসএকে