খুঁজুন
                               
, ,
           

দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না, সরকারকে সাদিক কায়েম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না, সরকারকে সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেছেন, প্রতিশ্রুতি ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া থেকে বিএনপি সরকার সরে যাচ্ছে। গণভোটে জনগণের স্পষ্ট সমর্থন থাকা সত্ত্বেও সংবিধান সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো এখন দ্বিচারিতার আশ্রয় নিচ্ছে। দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাদিক কায়েম এসব বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিপীড়ন, গুম-খুন, অবাধ নির্বাচনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই আন্দোলনে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ডাকসু ভিপি বলেন, ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে একাধিক কমিশন গঠন করা হয় এবং পরে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা হয়। এই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে গণভোট আয়োজন করা হয়, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে মত দেয়। এটি জনগণের স্পষ্ট ম্যান্ডেট হলেও বর্তমানে সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে অনীহা দেখা যাচ্ছে।

সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, যেসব রাজনৈতিক দল ঐকমত্য কমিশনে অংশ নিয়ে সংবিধান সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলেছিল, তারা এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। একদিকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে বাস্তবে তা অস্বীকার করা হচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

এই ছাত্রনেতা বলেন, সাধারণ মানুষ, এমনকি গ্রামের কৃষকরাও গণভোটের বিষয়বস্তু বুঝেছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাংশ এখন সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে।

বিএনপি জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে বা বাস্তবতা আড়াল করে এই প্রক্রিয়া থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, অহংকার ও দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না এবং জনগণ শেষ পর্যন্ত তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে, তারা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হবে।

কালের আলো /এসাআর /এএএন 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি তৌফিক ইমরোজ খালিদীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদী দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম জগতের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং সংবাদ পরিবেশনে ডিজিটাল মাধ্যমের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে অবদান রেখেছে।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে পেশাদারিত্ব, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার চর্চায় তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রতিমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের এই গভীর শোক ও ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সম্পাদক হিসেবে তিনি এর সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল সংবাদ কার্যক্রম এগিয়ে নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন একজন পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের উদ্দেশে ‘ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরা অবস্থায় ডিবি সদস্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠেন আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি পুলিশের সদস্যদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ও ভাই, ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান।’ একই সঙ্গে দুই হাত উঁচু করে মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পরানোর ইশারা করেন।

বর্তমানে আখতারুজ্জামান বিমানবন্দর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানান, বিমানবন্দর থানায় করা একটি মামলায় আখতারুজ্জামানকে আসামি করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এ জন্য ফরওয়ার্ডিং প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম  বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি