খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্যে জ্বালানি নিরাপত্তার সক্ষমতায় জোর সেনাপ্রধানের

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্যে জ্বালানি নিরাপত্তার সক্ষমতায় জোর সেনাপ্রধানের

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের সংকটে ত্রাহি অবস্থা। যদিও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে। দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুদের কথা জানিয়েছে সরকার। বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে। যদিও পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবহনের দীর্ঘ সারি। চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। এমন অবস্থায় দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে মোটা দাগে প্রশ্ন উঠেছে। সামনে এসেছে দেশে নতুন তেল পরিশোধনাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ১৯৬৮ সালের ৭ মে উৎপাদন শুরু করা ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের বার্ষিক শোধনক্ষমতা ১৫ লাখ টন। এটিই সম্বল বাংলাদেশের। চাহিদার ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টন আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে। লাখ লাখ ডলার গুনতে হয় সরকারকে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুটি নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ৬১ বছরের পুরনো ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডই দেশের একমাত্র ভরসা। আবার একমাত্র তেল পরিশোধনাগারের নানাবিধ সীমাবদ্ধতার বিষয়টি উঠে এসেছে সেনাপ্রধানের বক্তব্যে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও দেশে দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গড়ে না ওঠায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধে সৃষ্ট সঙ্কট সমাধানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেছেন, ‘জ্বালানি সক্ষমতা যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ তা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্পষ্ট। নিজস্ব শোধনাগার না থাকায় অপরিশোধিত তেল থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ছে।’

জ্বালানি সংকট নিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) রয়েছে যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে। তিনি বলেন, ‘ইস্টার্ন রিফাইনারির উন্নতি বা সম্প্রসারণ আমরা করতে পারিনি। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ঘিরে বর্তমান যে উত্তেজনা, তা থেকে বোঝা যায় জ্বালানি সঙ্কট কীভাবে প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে।’ সময়মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সক্ষমতা অর্জন করতে না পারাকে তিনি একটি বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকায়নে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশের সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে শক্তিশালী নৌবাহিনী এবং আকাশপথের সুরক্ষায় শক্তিশালী বিমানবাহিনী অপরিহার্য। পর্যাপ্ত এয়ারক্রাফট ও নৌযান ক্রয়ে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ করার জন্য নয়, যুদ্ধ এড়ানোর সক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রস্তুতি নিই। আর শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।’

প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সেনাপ্রধান স্পষ্ট করে বলেন, ‘যে অর্গানাইজেশনে জবাবদিহিতা নেই, সেটি উন্নতি করবে না। আমরা চাই সামরিক বাহিনী কী করছে, তা দেশের মানুষ আরও বেশি জানুক। সাধারণ মানুষের জানার ও প্রশ্ন করার অধিকার আছে। রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন জাতীয় সমস্যার কথা উল্লেখ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তরুণ প্রজন্মকে আরও সচেতন ও দক্ষ হওয়ার আহবান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান বিশ্বে যেকোনো ভুলের মূল্য অনেক বেশি। তাই নেতৃত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তায় বেসামরিক-সামরিক সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন তিনি।

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর এসব বিষয়ে বক্তব্যকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলছেন, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন। এর মধ্যে বিপিসি আমদানি করে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টন। এর বাইরে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিজেদের প্রয়োজনে ফার্নেস অয়েল আমদানি করে। সম্প্রতি বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি, পরিশোধন ও বিক্রির অনুমতি দিয়েছে সরকার। বিপিসি অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানি করে ১৫ লাখ টন। বাকিটুকু পরিশোধিত জ্বালানি তেল। সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় ডিজেল, যা মোট সরবরাহের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। তবে লাভ বেশি আসে অকটেন, পেট্রল আর জেট ফুয়েল বিক্রি করে। এখন সরকার যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে লাখ লাখ ডলার বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যকে যারপরনাই আশার আলো হিসেবে দেখছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে গত পাঁচ এপ্রিল শুরু হয় ক্যাপস্টোন কোর্স। তিন সপ্তাহব্যাপী এ কোর্সে অংশ নেন সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, কুটনীতিকসহ ৪৫ জন।

কালের আলো/এম/এইচএন

ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে পাত্তাই দিল না নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। কিউই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইনিংস এবং ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত চার উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও টম ব্লান্ডেলের ২১৭ রানের জুটিতে পাহাড়সম রান তোলে কিউইরা। এই দুই ব্যাটারই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯৪ বলে ১১টি চার ও চারটি ছক্কায় ১২১ রান করেন রাচিন। আর ২৯২ বলে ২২টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৮৬ রান করেন ব্লান্ডেল। আর ৯৮ রান করেন ডিয়ান ফক্সক্রফট।

আর নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে ৪৯০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে।

এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আইরিশ ব্যাটাররা। মাত্র ৩৮ রানেই হারায় ছয়টি উইকেট। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন দুই লোয়ার অর্ডার ব্যাটার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক আদায়ের। ৪০ রানে থামেন আদায়ের।

আর ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ম্যাকব্রাইন। তাদের ইনিংস থামে ১৭৯ রানে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট নেন নাথান স্মিথ। এছাড়া বেন সিয়ার্স দুটি উইকেট পেয়েছেন।

৩১১ রানে পিছিয়ে থাকা আয়ারল্যান্ড আবারও ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু এরপর লরকান টাকার ছাড়া ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই।

ফলে তাদের ইনিংস থামে ২৩২ রানেই। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন স্টেফেন দোহেনি। আর ৫০ রান করেন টাকার।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে পাঁচটি উইকেট নেন ব্লাইর টিকনার। আর ম্যাচসেরা হয়েছেন টম ব্লান্ডেল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে পাত্তাই দিল না নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। কিউই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইনিংস এবং ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত চার উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও টম ব্লান্ডেলের ২১৭ রানের জুটিতে পাহাড়সম রান তোলে কিউইরা। এই দুই ব্যাটারই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯৪ বলে ১১টি চার ও চারটি ছক্কায় ১২১ রান করেন রাচিন। আর ২৯২ বলে ২২টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৮৬ রান করেন ব্লান্ডেল। আর ৯৮ রান করেন ডিয়ান ফক্সক্রফট।

আর নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে ৪৯০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে।

এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আইরিশ ব্যাটাররা। মাত্র ৩৮ রানেই হারায় ছয়টি উইকেট। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন দুই লোয়ার অর্ডার ব্যাটার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক আদায়ের। ৪০ রানে থামেন আদায়ের। আর ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ম্যাকব্রাইন। তাদের ইনিংস থামে ১৭৯ রানে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট নেন নাথান স্মিথ। এছাড়া বেন সিয়ার্স দুটি উইকেট পেয়েছেন।

৩১১ রানে পিছিয়ে থাকা আয়ারল্যান্ড আবারও ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু এরপর লরকান টাকার ছাড়া ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই।

ফলে তাদের ইনিংস থামে ২৩২ রানেই। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন স্টেফেন দোহেনি। আর ৫০ রান করেন টাকার।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে পাঁচটি উইকেট নেন ব্লাইর টিকনার। আর ম্যাচসেরা হয়েছেন টম ব্লান্ডেল।

(more…)

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬টি শিশু।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯০ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৮৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৩ জন। একই সময়ে ৯০৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৩৯ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৬১২। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৯৯৬ জন। এ সময় মোট ৫৫ হাজার ৭০৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৫০ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ