খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ছাত্রদলের ২২ ইউনিটে নতুন কমিটি, পূর্ণাঙ্গ হলো ২৩টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
ছাত্রদলের ২২ ইউনিটে নতুন কমিটি, পূর্ণাঙ্গ হলো ২৩টি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্তে ২২টি ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ২৩টি কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কমিটিগুলো অনুমোদন করেন।

রোববার (৩ মে) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন ঘোষিত ২২টি কমিটি

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স), বরিশাল জেলা ছাত্রদল, বরিশাল মহানগর ছাত্রদল, ভোলা জেলা ছাত্রদল, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদল, পাবনা জেলা ছাত্রদল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদল, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল, নওগাঁ জেলা ছাত্রদল, জয়পুরহাট জেলা ছাত্রদল, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল, দিনাজপুর জেলা ছাত্রদল, লক্ষীপুর জেলা ছাত্রদল, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল, চাঁদপুর জেলা ছাত্রদল, যশোর জেলা ছাত্রদল, বান্দরবান জেলা ছাত্রদল, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল, রাঙামাটি জেলা ছাত্রদল, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদল, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল এবং কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

পূর্ণাঙ্গ করা ২৩টি কমিটি

ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা মহানগর পূর্ব, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, কুমিল্লা মহানগর, ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা, জামালপুর জেলা, নেত্রকোণা জেলা, মানিকগঞ্জ জেলা, নরসিংদী জেলা, হবিগঞ্জ জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, কুমিল্লা মহানগর, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর মেডিকেল, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল।

কালের আলো/এসাআর/এএএন 

পুলিশ ও র‍্যাবের ওপর হামলায় জড়িতদের ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
পুলিশ ও র‍্যাবের ওপর হামলায় জড়িতদের ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও র‍্যাবের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) পুলিশ সদর দফতরে কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যেখানে পুলিশ-র‍্যাবের ওপর আক্রমণ হয়েছে, সেটা আমরা গভীরভাবে দেখেছি। সেইসঙ্গে এর ওপর আমরা ব্যবস্থাগ্রহণ করছি। আপনাদের সামনে দৃশ্যমান হবে এবং ইতোমধ্যে হচ্ছে; তখন আপনারা দেখতে পাবেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে কোনো আইনের শাসন ছিল না। দুর্বৃত্তায়নের একটা মহামারি ছিল, তারা মনে করেছে; রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র করে রেখেছি। এটা এভাবেই চলবে। আমরা চাই সবকিছু নিয়ম-কানুন অনুযায়ী চলবে এবং আইনের শাসন থাকবে।’

কোরবারি পশুর হাট মনিটরিংয়ের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টারের মনিটরিং সেল সবসময় কার্যকর থাকে। বিশেষ করে ঈদুল আজহার ৭ দিন আগে এবং ৭ দিন পর পর্যন্ত আরো শক্তিশালী থাকে। সেই অনুযায়ী লোকবল থাকে। মহাসড়কগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। পশুর হাটগুলোও মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘যেসব জায়গায় এক্সপ্রেসওয়ে আছে, সেসব জায়গায় আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হচ্ছে। হাইওয়েতে সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি করা হচ্ছে, যেখানে নেই সেখানে বডি অন ক্যামেরা দিয়ে তদারকি করা হচ্ছে।’

সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, ‘এবারের ঈদে বিগত সময়ের তুলনায় দুর্ঘটনার সংখ্যা কম রয়েছে। তবুও আমরা চেষ্টা করছি, দুর্ঘটনা যেন না ঘটে। যেগুলো হয়েছে, সেগুলো তাদের নিজস্ব গাফিলতির কারণে হয়েছে বলা যায়। গতকাল একটা দুর্ঘটনা হয়েছে, নওগাঁর কিছু লোক লোহা বহনকারী ট্রাকে উঠে যাচ্ছিল, হয়তো তারা ভাড়া সেফ করার জন্য ছাদে বা রডের ওপরে উঠে যাচ্ছিল। সেই ট্রাক দুর্ঘটনায় পতিত হয়, সম্ভবত ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছিল। সেখানে ডেড স্পট অনেকের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। যদি যাত্রীরা সচেতন থাকে তাহলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।’

জাল নোটের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জাল নোটের বিষয়ে আমরা সচেতন আছি। জাল নোট ধরতে পশুর হাটে মেশিন দেওয়া হয়েছে। লেনদেন করতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং প্রয়োজনে সবাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিতে পারবে।’

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার

চারদিকে পোড়া গন্ধ। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা টিন, কাঠ, কাপড় আর ভাঙাচোরা ঘরের সামগ্রী। কেউ পোড়া ঘরের ভেতর থেকে খুঁজছেন বেঁচে থাকা কোনো জিনিস, কেউ আবার পোড়া টিন কুড়িয়ে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করছেন। আর একদিন পরই ঈদুল আজহা। যখন সারা দেশে ঈদের প্রস্তুতি, তখন রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাঁধ বস্তির শত শত মানুষের মাথার ওপর নেই কোনো ছাদ।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে স্থানীয়রা জানান, বস্তির অন্তত ১০০ থেকে ১৫০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোড়া ঘরের ভেতর থেকে মূল্যবান কিছু খুঁজে পাওয়ার আশায় ঘুরছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। বিভিন্ন সংগঠনকে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে খাবার বিতরণ করতেও দেখা গেছে।

সুনামগঞ্জের বাসিন্দা বকুলা বেগম প্রায় সাত বছর ধরে পরিবার নিয়ে এই বস্তিতে থাকেন। আগুনে তার দুটি ঘর পুড়ে গেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘দুইটা রুমে ৯ জন মানুষ থাকতাম। পুলিশের অভিযানের পর ভাবছিলাম ঈদের পরে এই জায়গা ছাড়মু। আমরা গরিব মানুষ, ঈদের সময় বাসায় বাসায় গিয়ে মাংস টুকাই। ওই মাংস দিয়া দুই দিন ভালোভাবে খাই। এবার তো সব শেষ। মাংস আইনা রান্না করমু কই? মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। এবারের ঈদ আমাগো আসমানের নিচে।’

আগুন লাগার মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিধবা ভাতার টাকা আনছিলাম, খরচও করতে পারি নাই। হঠাৎ আগুন লাগছে। পরনের একটা কাপড় পরে ঘরের সবাই বাইর হইছি।’

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মো. নবাব জানান, তার ১৫টি ঘর ও একটি মুদি দোকান পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, এই শহরে ২০ বছর ধইরা যা কামাইছি, সব এক আগুনে শেষ। দোকানে কয়েক লাখ টাকার মাল ছিল, সব পুড়ে গেছে। কতো কষ্ট কইরা ঘর তুলছিলাম, আজ কিছুই নাই।

ঈদের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতি বছর কোরবানি দেই। কয়েকজন মিলে আজ গরু আনার কথা ছিল। কিন্তু এখন থাকার জায়গাই নাই। ঈদের দিন রাস্তায় ঘুমাইতে হইবো। আমাদের এবারের ঈদ নেই।

কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা শাহীন আলম স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পাঁচ বছর ধরে এই বস্তিতে ভাড়া থাকেন। ভাঙারির দোকানে কাজ করে সংসার চালানো শাহীন সমিতি থেকে কিস্তিতে টাকা তুলে ঈদের পর একটি রিকশা কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু আগুনে ঘরের মালামালের সঙ্গে তার ৪২ হাজার টাকাও পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘ভাবছিলাম ঈদের পরে একটা রিকশা কিনমু, আর ভাঙারির দোকানে কাজ করমু না। এই জন্য কিস্তি থেকে টাকা তুলছিলাম। কিন্তু আগুনে সব শেষ। সামনে ঈদ, বউ-পোলা লইয়া কোথায় দাঁড়ামু জানি না। মানুষ ঈদ পালন করবো আর আমরা কোথায় থাকমু এই চিন্তায় ঘুমাইতে হইবো।’

এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বস্তির বাসিন্দারা পোড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেছেন। কেউ পোড়া টিন, কেউ ঘরের ভাঙা সরঞ্জাম বের করছেন। পরে সেগুলো ভাঙারির দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব সংগ্রহ করতে বিভিন্ন ভ্যান, অটোরিকশা ও মিনি ট্রাককে বস্তিতে ঢুকতে দেখা যায়।

মোহাম্মদ সবুজ নামের এক বাসিন্দা জানান, আগুনে তার ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পোড়া টিন বিক্রি করছেন তিনি। ‘যা পাই, তা দিয়াই আবার শুরু করতে হইবো’, বলেন তিনি।

মোতালেব নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার একটা ভাঙারির দোকান, গোডাউন আর তিনটা ঘর পুড়ে গেছে। আগুন লাগার পর এক কাপড়ে পরিবার নিয়ে বাইর হইছি। আগুনের তাপে কেউ বস্তিতে থাকতে পারে নাই। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সবাইরে বের হয়ে যেতে বলছিল।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রংপুরে বিশেষ অভিযানে এক মাসে ৪৪২ জন গ্রেফতার

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
রংপুরে বিশেষ অভিযানে এক মাসে ৪৪২ জন গ্রেফতার

মাদক, ছিনতাই, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ রংপুর মহানগরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক মাসে ৪৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। এসময় মাদকদ্রব্য উদ্ধারপূর্বক জব্দ করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদানের পর থেকে পুলিশিং স্পিরিট বেড়েছে। নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেই অভিযানে গত এক মাসে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ১১০ জন, মাদক মামলার আসামি ৮৭ জন, অন্যান্য মামলায় ২৪৫ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৪৪২ জন কে গত এক মাসে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণায় গত এক মাসে মাদক মামলা হয়েছে ২ শতাধিক। এই বিশেষ অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ১৪৭৫ পিস ইয়াবা, ৮৮টি ফেনসিডিল, ৩.২ গ্রাম হিরোইন, মফিন ইনজেকশন, ২৫ পিস, চোলাই মদ ৩১ লিটার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। তা ছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে, এটি চলমান থাকবে। এসময় তিনি রংপুরবাসী ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে একমাস আগে যোগদান করেন মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। যোগদানের পর থেকেই তিনি এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ