খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ডিআইজি রেজাউল

বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দীর্ঘ ১৮ বছরের চাকরি জীবনে পদবঞ্চনা, বৈষম্য, অপমান ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিআইজি রেজাউল।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রসচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম মল্লিক শৈশব স্মৃতির কথা তুলে ধরে জানান, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাদারীপুরের শিবচরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ধানের শীষের মালা পরিয়ে বরণ করার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই মুহূর্তকে তিনি জীবনের অন্যতম সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে আরও কয়েকবার জিয়াউর রহমানের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়। সবশেষ ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জুনিয়র ক্যাডেট কোর ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

অনুষ্ঠান শেষে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে করমর্দন করে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল রেজাউল করিমের। সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সেদিনের অনুভূতি ছিল এমন, যেন আমি বিশ্বজয় করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কয়েক মাস পরই ৩০ মে সেই বিষাদময় সংবাদ শুনতে হয়। নিজেকে আর স্থির রাখতে পারিনি, কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম।’

বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডিআইজি রেজাউল। জীবনের কঠিন সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার একটি আশ্বাস কিংবা স্নেহমাখা বাক্য তাঁকে নতুন করে বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খালেদা জিয়াকে ‘আশ্রয় ও সাহসের প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গে এই ডিআইজি বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন আশার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জীবন কোনোদিনই সরল ছিল না— নতুন সিনেমার ট্রেলার শেয়ার করে জয়া

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
জীবন কোনোদিনই সরল ছিল না— নতুন সিনেমার ট্রেলার শেয়ার করে জয়া

শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশ পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত আলোচিত চলচ্চিত্র ‘অর্ধাঙ্গিনী’র দ্বিতীয় কিস্তি ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র ট্রেলার। সেটি সামাজিক মাধ্যমে নিজেও প্রকাশ করেন জয়া। সঙ্গে জীবনের জটিল সমীকরণ নিয়ে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে জয়া আহসান লিখেছেন, জীবন কোনোদিনই সরল ছিলো না, হবেও না। তবু সমীকরণ বদলে বদলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে চায় মানুষ।

সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, এই অনন্ত খোঁজের খেলায় কোনও প্রাক্তন বা বর্তমানের ভেদাভেদ থাকে না। সব গণ্ডি মুছে যায়! এরকমই সামনে চলার কঠিন একটা দলিল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।

আগামী ১০ জুলাই কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে গুণী নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত এই সিনেমাটি। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছিল সম্পর্কের সূক্ষ্ম টানাপোড়েনের এক মর্মস্পর্শী গল্প, যা দর্শকদের ভাবতে শিখিয়েছিল সম্পর্কের ভাঙন, ভালোবাসা, অভিমান এবং ক্ষমার মতো গভীর বিষয়গুলো নিয়ে।

এর আগে সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জয়া আহসান বলেছিলেন, অর্ধাঙ্গিনী ছিল অত্যন্ত পরিণত ও সংবেদনশীল একটি গল্প। সেই গল্পের পরবর্তী অংশে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য আনন্দের।

সুরিন্দর ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় আগের কিস্তির কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলী ও জয়া আহসানের পাশাপাশি এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছেন অভিনেতা ইন্দ্রাশিস রায় ও অম্বরীশ ভট্টাচার্য। আগামী ১০ জুলাই সিনেমাটি মুক্তির পরই জানা যাবে প্রথম সিনেমার আবেগময় যাত্রাকে নতুন এই অধ্যায় কতটা এগিয়ে নিতে পারে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

‘কওমী মাদরাসা থেকে ১০ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
‘কওমী মাদরাসা থেকে ১০ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার’

সরকার প্রাথমিকভাবে কওমী মাদরাসা থেকে প্রায় ১০ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। তিনি বলেন, সরকার কওমী শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে। মাদরাসার প্রচলিত ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি কওমী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে পটিয়ার আল-জামিয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদরাসায় দাওয়াহ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নবনির্মিত একাডেমিক ও আবাসিক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনামুল হক এনাম বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে জোর দিচ্ছে। তিনি পটিয়ায় একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দেন।

মাদরাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মীর গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম, শিল্পপতি শামসুল আলম, সালমা গ্রুপের চেয়ারম্যান শামসুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, নুরুল আবছার, মোহাম্মদ আলী, বদিউল আলম, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, ইমতিয়াজ হোসেন বেলাল, আবু তাহের সওদাগর, শফিকুল আলম চেয়ারম্যান, মঈনুল আলম ছোটন, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মুফতি এমদাদ উল্লাহ, কারী মো. লোকমান, মুফতি শোয়াইব, বিএনপি নেতা মনজুর আলম এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে নবনির্মিত একাডেমিক ও আবাসিক ভবনের উদ্বোধনের পাশাপাশি কওমী শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবন সিটিক টাওয়ারে আছড়ে পড়েছে একটি হালকা স্পোর্টস বিমান। ১০৯ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে বিমান আছড়ে পড়ার পর বেইজিংয়ের সেন্ট্রাল বিজনেস ডিসট্রিক্টে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ভবনটি খালি করা হয়। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, কিংবা বিমানে কতজন আরোহী ছিলেন–তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য জানা যায়নি। বিমানটির উৎস এবং কী পরিস্থিতিতে এটি ভবনটিতে আঘাত করে, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি ৫২৮ মিটার (১ হাজার ৭৩২ ফুট) উঁচু টাওয়ারটির ওপরের দিকে আঘাত করছে। ভবন এবং বিমানের ভেঙে পড়া অংশ আশপাশের ফুটপাতে ছড়িয়ে পড়ছে। অন্য কিছু ভিডিওতে ভবন থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

লিন নামের এক নারী সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে জরুরি ভিত্তিতে ভবনটি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি পরিচয়পত্র বা ব্যাগ নেয়ারও সুযোগ পাইনি, দৌড়ে বেরিয়ে এসেছি।’

কাছের একটি ভবনে কর্মরত এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বিকেল প্রায় ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি একটি বিকট শব্দ শুনেছিলেন, তবে দুর্ঘটনার দৃশ্য দেখেননি তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া ভবনের কাছে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের ছবিতে দেখা যায়, বিমানের নিবন্ধন নম্বর বি-১২পিপি। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল সানওয়ার্ড এসএ৬০এল অরোরা মডেলের দুই আসনের এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট হালকা স্পোর্টস বিমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্টে দাবি করা হয়, বিমানটি একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ছিল। প্রতিষ্ঠানতি প্রাইভেট পাইলট প্রশিক্ষণ, আকাশ ভ্রমণ এবং বিমান ব্যবস্থাপনা সেবা দিয়ে থাকে।

এখন পর্যন্ত চীনা কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত পোস্টগুলো দ্রুত চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। এর ফলে এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে হামলা বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে–তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা দেখা দিয়েছে।

বেইজিংয়ে যেকোনও হালকা স্পোর্টস বিমান ওড়ানোর জন্য চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল প্রশাসন এবং পিপল’স লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের (পিএলএএএফ) অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

গত মাসেই আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক নতুন বিধিনিষেধ জারি করে বেইজিং কর্তৃপক্ষ। যার ফলে বিনোদনমূলক উড্ডয়ন এবং ভোক্তা পর্যায়ের ড্রোন কার্যত নিষিদ্ধ হয়ে যায়।

সব ধরনের উড্ডয়নের জন্য আগাম সরকারি ও এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন বা এর মূল যন্ত্রাংশ উড়ানো, বিক্রি, ভাড়া দেয়া বা বহন করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি