খুঁজুন
                               
, ,
           

শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে গণহত্যা বাংলাদেশে বড় ক্ষত তৈরি করেছে। শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেতো। অনেকে এই হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছে, সাফাই গাইছে।

রাজধানীতে ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে নাহিদ এসব বলেন। কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স’ নামে একটি সংগঠন এই আয়োজন করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি আপনি সমর্থন করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। কিন্তু দাবি নিয়ে আসা জনগণের ওপর কোনো গণহত্যা চালানো সমর্থন করতে পারেন না। দাবি জানানোর কারণে গণহত্যা চালাতে পারে না। নিরস্ত্র, নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরকম অপরাধ করার পরও শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে কটূক্তি করে কথা বলেছে।

সেসময় আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করতো উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাঁড়ি টুপি ওয়ালাদের ছাত্রশিবির বলা হতো। আমরা এসব আর মেনে নেবো না। এ দেশের সব আন্দোলনে, মুক্তির লড়াইয়ে এ দেশের আলেম ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের অবদান জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমান্তে হত্যা করে কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। কাঁটাতার দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। এসব কাঁটাতার ভেঙে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে। আমরা বাংলাদেশকে কোনো দেশের করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না।

আলোচনা সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নারায়ণগঞ্জ চার আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৬ দিনের বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু, চলছে প্রশ্নোত্তর পর্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
৬ দিনের বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু, চলছে প্রশ্নোত্তর পর্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ছয় দিনের বিরতি শেষে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, এরপর জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ, একটি বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং আইন প্রণয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কার্যসূচি অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের অনুমতি চাইবেন। অনুমতি পেলে বিলটি সংসদে উত্থাপন করে পরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

এ ছাড়া ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ স্থায়ী কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে। পরে বিলটি পাসের প্রস্তাবও উত্থাপন করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

অধিবেশনের শুরুতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে।

এদিন বিধি-৭১ অনুযায়ী জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে প্রাপ্ত নোটিশ নিষ্পত্তির পাশাপাশি দুটি গৃহীত নোটিশের ওপর আলোচনা হবে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের সংকট, কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য এবং রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। অন্যদিকে ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম প্রকৃত ভূমিহীন ও দরিদ্রদের মধ্যে খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়ে ভূমিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন।

অধিবেশনে বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর ওপর বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনও উপস্থাপন করবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো তারা গল্প করছেন, কখনো রেস্টুরেন্টে নিজের হাতে তরুণকে খাবার খাইয়ে দিতে দেখা গেছে।

টিকটক থেকে এ ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তখন ভিডিওর যুবকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়েও নানা চর্চা হওয়া এবং চারদিকে গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।

সেই ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও ঘটনার এক সপ্তাহ পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কেয়া পায়েলের।

এদিকে এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী; যা নিয়ে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নিজের নতুন একটি ছবি পোস্ট করে একটি রহস্যময় ক্যাপশন দিয়েছেন। কেয়া পায়েল লিখেছেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে এ ক্যাপশন দেন কেয়া পায়েল। নিজের লাস্যময়ী ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশন মুহূর্তেই নজর কাড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের। তারা সঙ্গে সঙ্গে নানা মন্তব্য শুরু করেন।

তবে নেটিজেনদের অধিকাংশের মন্তব্যই একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে―কদিন আগের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা যুবকই কি তাহলে কেয়া পায়েলের প্রথম ভালোবাসা, নাকি অন্য কেউ? কারও কারও মতে, অভিনেত্রীর সেই প্রথম ভালোবাসার মানুষটিই বা কে। তবে নানা মন্তব্য থাকলেও কোনো পাল্টা জবাব বা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি ছোটপর্দার এই তারকাকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, নিরাপত্তা-প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলে কানাডা ও বাংলাদেশের সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার কানাডা হাইকমিশন এক বার্তায় এসব তথ্য জানায়।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং হাইকমিশনার অজিত সিং সেনাবাহিনীর বিমান চলাচল, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি এবং বৃহত্তর নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তার জন্য সেনাপ্রধানকে ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরা হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহায়তায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি