খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে গণহত্যা বাংলাদেশে বড় ক্ষত তৈরি করেছে। শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেতো। অনেকে এই হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছে, সাফাই গাইছে।

রাজধানীতে ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে নাহিদ এসব বলেন। কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স’ নামে একটি সংগঠন এই আয়োজন করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি আপনি সমর্থন করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। কিন্তু দাবি নিয়ে আসা জনগণের ওপর কোনো গণহত্যা চালানো সমর্থন করতে পারেন না। দাবি জানানোর কারণে গণহত্যা চালাতে পারে না। নিরস্ত্র, নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরকম অপরাধ করার পরও শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে কটূক্তি করে কথা বলেছে।

সেসময় আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করতো উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাঁড়ি টুপি ওয়ালাদের ছাত্রশিবির বলা হতো। আমরা এসব আর মেনে নেবো না। এ দেশের সব আন্দোলনে, মুক্তির লড়াইয়ে এ দেশের আলেম ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের অবদান জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমান্তে হত্যা করে কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। কাঁটাতার দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। এসব কাঁটাতার ভেঙে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে। আমরা বাংলাদেশকে কোনো দেশের করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না।

আলোচনা সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নারায়ণগঞ্জ চার আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

প্রেমের যেমন আনন্দ আছে, বিচ্ছেদের আছে তেমনি এক গভীর দহন। সেই প্রেম আর বিরহের চিরন্তন হাহাকার নিয়ে হাজির হলেন ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। মুক্তি পেয়েছে তার আসন্ন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর নতুন গান ‘পিরিতি’। তবে গানের কথা বা সুরের চেয়েও দর্শক-শ্রোতাদের বেশি চমকে দিয়েছে গানের ভিডিওতে শাকিব খানের উপস্থিতি।

পুরো গানে এক বিধ্বস্ত চেহারায় কারাবন্দী অবস্থায় দেখা গেছে এই মেগাস্টারকে। ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের এই গানের পুরো চিত্রায়ন হয়েছে জেলখানার ভেতরে। ভিডিওতে শাকিব খানকে অত্যন্ত জীর্ণ ও বিধ্বস্ত লুকে দেখা গেছে। অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তার চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে তীব্র যন্ত্রণা।

তবে রূপালি পর্দার এই নায়ক ঠিক কী কারণে জেলে গেছেন, তা নিয়ে সিনেমার নির্মাতা পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্পষ্ট আভাস দেওয়া হয়নি। এই রহস্যই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাকিব ভক্তদের মাঝে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

‘পিরিতি’ গানটি মূলত ফোক এবং অ-ক্যাপেলা ঘরানার মিশ্রণে তৈরি। কবি হাসান রোবায়েতের কাব্যিক শব্দমালায় গানটিতে সুর দিয়েছেন আহমেদ হাসান সানি। আর এতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় ড্রামার ও সংগীতশিল্পী পান্থ কানাই। তার দরাজ কণ্ঠের গায়কী গানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

গানের সংগীত পরিচালনা ও সংগীতায়োজন করেছেন জাহিদ নীরব। লিরিক্সের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে তীব্র আকাঙ্ক্ষা আর মানসিক যন্ত্রণার এক নিপুণ মেলবন্ধন। বিশেষ করে গানের একটি অংশ শ্রোতাদের বেশ আপ্লুত করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, ‘পিরিতি জানে না কালা কোনও সংগ্রাম, এ প্রাণ ডালিম যেন ফেটে দুই ভাগ।’

‘সান মোশন পিকচার্স’-এর ব্যানারে নির্মিত ‘রকস্টার’ সিনেমার এই গানটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’-তে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর থেকেই গানটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী দল: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী দল: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, আমরা যে রাস্তার কাজ ও বিভিন্ন খাল খননের উদ্বোধন করেছি, তা জাতীয়তাবাদী দলের একটি নিদর্শন। জাতীয়তাবাদী দল সবসময় জনগণের কল্যাণে বিশ্বাস করে। উন্নয়ন ও সেবার রাজনীতির মাধ্যমে আমরা মানুষের পাশে থাকতে চাই। হালুয়াঘাট সহ সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে হালুয়াঘাট উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের বড়বিলায় বড়বিলা-বাহিরশিমূল রাস্তার,কৈচাপুর ইউনিয়নের কড়ইকান্দা খাল পুনঃখনন ও সদর ইউনিয়নের কচুন্দরায় খাল পুন:খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হালুয়াঘাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স,ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু,ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসন সংসদ সদস্য প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু,সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন,ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম ,সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা রোজি,হালুয়াঘাট সার্কেলের এএসপি মিজানুর রহমান, হালুয়াঘাট ওসি ফেরদৌস আলম,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আসলাম মিয়া বাবুল ,সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর,পৌর বিএনপির আহবায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী হালুয়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি কার্যালয় পরিদর্শন ও নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি উন্নয়নের একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। বর্তমান সরকার কঠিন সময় পার করছে। আমাদের অর্থের অভাব রয়েছে। বিগত সরকারের সময়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। তাই সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার (১২ মে) ময়মনসিংহের তারাকান্দায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের উন্নয়ন চাই।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই আসনে (ময়মনসিংহ-২, ফুলপুর-তারাকান্দা) ধানের শীষ বিজয়ী হতে পারেনি, তবুও আমরা উন্নয়নের ছোঁয়ায় এই এলাকাকে এগিয়ে নিতে চাই। খাল খনন করেছি, রাস্তার উন্নয়ন হবে, মিনি স্টেডিয়াম, ফায়ার সার্ভিসসহ সব ধরনের উন্নয়ন হবে এই এলাকায়। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তবে রাজনৈতিক কোনো বিশৃঙ্খলা আমরা দেখতে চাই না। আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।

এদিকে তারাকান্দার কর্মসূচি শেষে প্রতিমন্ত্রী হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নে আরও একটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে