খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জামানতের পরিমাণ বাড়বে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
জামানতের পরিমাণ বাড়বে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে

মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোর (ইউপি) নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকারের ভোটযাত্রা শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় সংসদের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আচরণবিধির সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থানীয় সরকারের আইন-বিধানবলী সংস্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আইন ও বিধি সংশোধন সংস্কার কমিটির প্রধান ও জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বর্তমানে কোন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বিধিতে কী রয়েছে এবং সরকার আইনে কী ধরনের পরিবর্তন এনেছে—সেসব বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা পেতে তুলনামূলক চিত্র প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

জানা যায়, সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পেয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন করার পরিকল্পনাও করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরইমধ্যে স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি আইন, বিধি সংস্কারের কাজ গুছিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ইতোমধ্যেই বলেছেন, ‘হয়ত অনলাইনে মনোনয়ন জমার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ন্যূনতম (১%) সমর্থনের নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।’

এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসি ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্থানীয় ভোটে ইভিএম থাকবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার আইন সংশোধন করেছে, দলীয় প্রতীক থাকছে না স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট চালুর পাশাপাশি ব্যয় ও জামানতের টাকা বাড়ানো হয়। ফেরারি আসামিদের প্রার্থী হতে অযোগ্য করা হয়। অনিয়ম রোধে ক্ষমতা বাড়ানো হয় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের। অবহেলায় শাস্তিও বাড়ানো হয়; যুক্ত করা হয়েছে কিছু নির্বাচনি প্রতীক। ভোটের প্রচারে পোস্টার নিষিদ্ধের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধের বিষয়ও যুক্ত হয় বিধিতে। সিটি, পৌর, উপজেলা, ইউপি ও জেলা পরিষদের বিধিগুলো নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কাজও গুছিয়ে রাখছেন ইসি কর্মকর্তারা। নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, নির্দলীয় ভোট হওয়ায় কিছু বাধ্যবাধকতা বাদ পড়ে যাবে নির্বাচন পরিচালনা বিধি ও আচরণবিধিতে। এখন পর্যন্ত বেশ কিছু বিষয় বিবেচনোয় রয়েছে, সবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত করবে ইসি। জামানত ও নির্বাচনি ব্যয় বাড়ানো, পোস্টার নিষিদ্ধ, বিলবোর্ডে প্রচার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ নানা বিষয় পর্যালোচনায় থাকছে। সিটি, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদের আচরণবিধিগুলো আলাদা হলেও সমন্বয় রেখে খসড়া করা হচ্ছে।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারসংখ্যা পাঁচ লাখ পর্যন্ত হলে মেয়র প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার টাকা। পাঁচ লাখ ১ থেকে ১০ লাখ হলে ৩০ হাজার, ১০ লাখ এক থেকে ২০ লাখ হলে ৫০ হাজার এবং ২০ লাখের বেশি হলে এক লাখ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের ক্ষেত্রে ভোটারসংখ্যা অনুযায়ী ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জামানত নির্ধারণ করা আছে। সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের জন্য জামানত ১০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছিল। পৌরসভা নির্বাচনে ২৫ হাজার ভোটার পর্যন্ত এলাকায় জামানত ১৫ হাজার টাকা, ২৫ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটারের ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা, ৫০ হাজার ১ থেকে ১ লাখ ভোটারের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং এক লাখের বেশি ভোটারের ক্ষেত্রে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। অন্যদিকে কাউন্সিলর পদে জামানত পাঁচ হাজার টাকা, ইউপি চেয়ারম্যান পদে পাঁচ হাজার টাকা এবং সদস্য পদের জন্য এক হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং সদস্য বা মহিলা সদস্য পদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়।

ইসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের মধ্যেই বেশ কিছু স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে সংশোধিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিধিমালা সংস্কারের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার হাজার ১০০ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। বিশাল এই নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আইন ও বিধি সংস্কারের কাজ চলছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

চিকিৎসকের ওপর হামলাকারী কাউকে ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
চিকিৎসকের ওপর হামলাকারী কাউকে ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলাকারীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, মূল আসামিসহ ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শরীয়তপুরের ঘটনায় আহত চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরকে দেখতে গিয়ে মন্ত্রী এসব জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাদের ছাড় না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীতে অনেক চিকিৎসককে হুমকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, মেডিকেল এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সব সন্ত্রাসীকে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতালের টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ঘিরে লুটপাট ঠেকাতে সজাগ আছে সরকার। মেডিকেল বিষয়ে কোনো সন্ত্রাসীকেই রেহাই দেওয়া হবে না। তিনি জানান, চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় দেশের প্রতিটি হাসপাতালে ১০ জন সশস্ত্র কর্মী এবং একজন পেট্রন কমান্ডার নিয়োগ করা হচ্ছে।

হাম ও নিউমোনিয়া পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে বলেও জানান মন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে: ট্রাম্প

শিগগিরই একটি শান্তিচুক্তিতে দ্রুত অগ্রগতি না হলে তেহরানের জন্য খুব খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তেহরানের জন্য এখন সমঝোতায় পৌঁছানোই সবচেয়ে ভালো পথ। যদিও সাম্প্রতিক চীন সফরে ইরান ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত দিতে পারেননি তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তাদেরও (ইরানের) স্বার্থ রয়েছে।’

এদিকে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস বৈঠক শেষে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তেহরান এখনও আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে পরস্পরবিরোধী বার্তা ও অতীত হামলার কারণে ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না ইরান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধ শেষে নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো আনার পরিকল্পনা করছে তেহরান।

অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি জোরদার করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই নতুন অভিযান চালানোর মতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, সম্ভাব্য অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধারে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

কর্মকর্তাদের মতে, যদিও এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ অভিযানের এলাকায় একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে হবে এবং ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে হবে।

চলমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানি বন্দর অবরোধের মধ্যে অন্তত ৭৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে হয়েছে। অন্যদিকে, প্রণালি ব্যবহারে ফি আরোপ ও নিজস্ব তদারকির ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। এতে তেল সরবরাহ, জাহাজ চলাচল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে ক্রমান্বয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ফোনালাপে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। একই সময়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তেহরান সফর করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সংলাপের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ইসলামাবাদ এখনও যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে অর্থনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে শুরু করেছে, আর ইরানে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা ও নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো এখন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস (ডব্লিউটিআইএসডি) আজ (১৭ মে)। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশও দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে।এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল লাইফলাইন : একটি সংযুক্ত বিশ্বে স্থিতিস্থাপকতা শক্তিশালী করা’, যেখানে বিভিন্ন দেশ সংযুক্ত বিশ্বের সবার জন্য সংযোগ, সেবার ধারাবাহিকতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে স্থিতিস্থাপক ডিজিটাল ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে দিনটি পালন করবে।

এ বছরের মূল বার্তা হলো ডিজিটাল নেটওয়ার্ক এবং প্রযুক্তি অবকাঠামো যেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাইবার আক্রমণ বা যেকোনো বিপর্যয়ের পরেও টিকে থাকতে পারে এবং কেউ যেন সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (পিটিডি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেবেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদুল বারী। দিবসটি উপলক্ষ্যে একই স্থানে একটি টেলিযোগাযোগ মেলাও আয়োজন করা হবে।১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রতিষ্ঠার স্মরণে ডব্লিউটিআইএসডি প্রতিবছর ১৭ মে দিবসটি উদযাপন করে।

কালের আলো/এসআইপি