খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নাম পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নাম পরিবর্তন

ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে ‘কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ নামে নামকরণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালকে ‘কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ (Kurmitola Multicare Specialized Hospital) নামে নামকরণ করা হলো।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে, বলা হয় প্রজ্ঞাপনে।

অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক,স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজশাহীর বিসিক লিংক রোড দখল করে চলছে কাঠের ব্যবসা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
রাজশাহীর বিসিক লিংক রোড দখল করে চলছে কাঠের ব্যবসা

রাজশাহী নগরীর বিসিক লিংক রোড দখল করে অবাধে চলছে কাঠের ব্যবসা। দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কাঠের ব্যবসা চলতে থাকায় একদিকে যেমন পথচারীদের দুর্ভোগ বেড়েছে অন্যদিকে তেমনি নষ্ট হচ্ছে রাস্তার সৌন্দর্যও। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোন মাথাব্যথা নেই।

নগরীর বিজিবি সেক্টর হেড কোয়ার্টার গেট থেকে বিসিক ভবন পর্যন্ত বিসিক লিংক রোডের অবস্থান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই রোডের অনেকটা অংশ জুড়েই ফেলে রাখা হয়েছে কাঠের গুড়ি। কাঠের গুড়ি যেমন ফেলে রাখা হয়েছে ফুটপাত জুড়ে তেমনি রাখা হয়েছে রাস্তার উপরেও।

বিসিক লিংক রোডটি একসময় এক লেনের অত্যন্ত সরু একটি রাস্তা ছিল। রাস্তাটি সেই সময় ভেঙেচুরে একাকার হয়ে গিয়েছিল। যানবাহন চলাচলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হতো। বর্তমানে রাস্তাটি তিন লেনের করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি লেন দিয়ে ভারি যানবাহনসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে।

অন্য লেনটি করা হয়েছে হালকা যানবাহনসহ পথচারী চলাচলের জন্য। আর এই লেনের একটা বড় অংশ জুড়ে কাঠের গুড়ি ফেলে রেখে করা হচ্ছে কাঠের ব্যবসা। জানা গেছে, আব্দুর রাজ্জাক নামের ওই কাঠ ব্যবসায়ীর সেখানে একটি স’মিল আছে।

আর এই স’মিলের ব্যবসা চালানোর জন্যই মূলত কাঠের গুড়িগুলো আনা। অনেকে এখান থেকে কাঠ ক্রয়ও করে থাকেন। কাঠের গুড়ির আঘাতে ফুটপাতে বসানো টাইলসগুলো ভেঙে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন তিন লেনের এই রাস্তাটির দু’টি লেন মাঝে মধ্যে ঝাড়ু দেয়া হলেও তৃতীয় লেনটি কখনোই ঝাড়ু দেয়া হয় না। ফলে সেটি ময়লা আবর্জনায় একাকার হয়ে গেছে। এছাড়া এখানে দু’টি মোটর গ্যারেজ থাকায় রাস্তার উপরেই যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

রাস্তা ও ফুটপাতের উপর এখন দোকানপাটও বসতে শুরু করেছে। এছাড়া লেনের পাশে যেখানে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে বাঁশ পুঁতে দড়ি টানিয়ে জামা কাপড় মেলার ব্যাবস্থাও করা হয়েছে যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু লাগছে। কাঠগুলো ফুটপাত ও রাস্তার উপরে এমনভাবে ফেলে রাখা হয়েছে যে জনসাধারণের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তার সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে।

কয়েকজন পথচারী জানিয়েছেন, যানবাহন ও মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য রাস্তাটি প্রশস্ত করা হলেও এসব কারণে তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। রাস্তা প্রশস্ত করার সুবিধা জনসাধারণ পুরোপুরি ভোগ করতে পারছে না। এখানে কোন উচ্ছেদ অভিযানও চালানো হয়না বলে তাদের অভিযোগ।

এ ব্যাপারে স’মিল মালিক আব্দুর রাজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘তার মিলে কাঠ রাখার পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা না থাকায় তিনি কাঠগুলো ফুটপাত ও রাস্তার উপরে রেখেছেন’।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি

 

ইতালিতে এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য খুন, গুরুতর আহত বড় ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
ইতালিতে এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য খুন, গুরুতর আহত বড় ছেলে

ইতালির রাজধানী রোমে দুষ্কৃতিকারীর ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯ টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলের পিনেতা সাচেত্তি সংলগ্ন ভিয়া মন্তিগ্লো এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ঘটেছে এ ভয়াবহ ঘটনা।

নিহতদের মধ্যে পরিবারের কর্তা কামাল হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার বসুরহাটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সপরিবারে ইতালিতে বসবাস করে আসছিলেন।

নিহত বাকি ২ জন হলেন কামাল হোসেনের স্ত্রী এবং ৫ বছর বয়সী মেয়ে। দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন কামাল হোসেনের বড় ছেলে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় গণমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, সেদিন রাতে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি অস্ত্র হাতে ওই ফ্ল্যাটে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীর অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কামাল হোসেন, তার স্ত্রী এবং তাদের ৫ বছর বয়সি কন্যাসন্তান।

এসময় কামালের বড় ১৮ বছর বয়সী বড় ছেলে হামলাকারীকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় সে সাহায্যের জন্য ফ্ল্যাট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ইতালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী কারাবিনিয়েরির সদস্যরা পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার বড় ছেলেকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে অভিযান শুরু করেছে রোম পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং হামলাকারীকে গ্রেপ্তারে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ইতালীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ছেলেটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।

ইতালীয় পুলিশের বিশেষ তদন্ত ইউনিট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি নাকি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতার জেরে ঘটেছে- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘাতককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঘাতককে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। রোম পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, “এটি মর্মান্তিক, লোমহর্ষক অপরাধ। অপরাধীকে গ্রেপ্তারে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি।”

ইতালীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে নিহতদের পরিচয় ও মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে অগ্রগতির বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

দেশের ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
দেশের ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোতে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ পূর্বাভাসে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, গতকাল রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারা দেশের আজকের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এ সময় রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি