খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জীবন বাজি রেখে জনগণের জন্য কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: অতিরিক্ত প্রেস সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
জীবন বাজি রেখে জনগণের জন্য কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: অতিরিক্ত প্রেস সচিব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জীবন বাজি রেখে জনগণের জন্য কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো বিশ্রাম নিচ্ছেন না। যৎসামান্য রেস্ট করেই রাতের বেলা অফিস থেকে গিয়ে আবার ভোরবেলা উঠে সকাল ৭টা-সাড়ে ৭টায় উঠে আবার ৯টার মধ্যে অফিসে আসছেন তিনি। দেশ ও জনগণের জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই আমি বলব যে, আপনারা সবাই তাকে সহযোগিতা করবেন।

সোমবার (১ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, সরকারি ছুটিগুলো গেল, আমরা সবাই কমবেশি ছুটি কাটিয়েছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি মুহূর্তও ঘরে বসে থাকেননি। প্রতিটি মুহূর্তেই কাজ করেছেন। আমরা যারা তার খুব কাছে আছি এবং তার সঙ্গে কাজ করছি, তারা প্রতিনিয়তই দেখছি কখন, কোথায় কী করতে হবে— এই বিষয় নিয়ে তিনি চিন্তা করছেন এবং সেটার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। সেই হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আপনারা দেখেছেন। ঈদের পরে এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হলো কি না, সে বিষয়ে তিনি নিজেই তদারকি করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের সিটি প্রশাসক আব্দুস সালামকে নিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকার রাজপথের অলিগলিতে ঘুরে সব দেখেছেন কোথাও কোনো সমস্যা আছে কি না, কোথায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়নি, কোথায় কার গাফিলতি আছে… এগুলো তিনি নিজে গাড়িতে বসে বসে ফোন করে জেনেছেন। কোন এলাকার দায়িত্ব কার, এই কাজটা কার, এটি পরিচ্ছন্ন কেন হলো না, এটি কার দায়িত্ব ছিল— এগুলো তিনি তদারকি করেছেন। নিজে ঘুরে এসে বাসায় বসেও তিনি ক্ষান্ত হননি…কারা গাফিলতি করেছে, তাদের ফোন করেছেন। বুঝিয়েছেন যে, দেশটিকে সবাইকে মিলে পরিচ্ছন্ন করতে হবে, পরিষ্কার করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, স্পিচ রাইটার এসএম মাহফুজুর রহমান এবং প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।

কালের আলো/এসএকে

প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার না হওয়া, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি-এসব সমস্যা দৈনন্দিন জীবনকে বেশ কষ্টকর করে তোলে। মূলত অন্ত্রের স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে গেলে মলত্যাগ কঠিন হয়ে যায়, আর তখনই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়।

এই সমস্যার একটি ঘরোয়া সমাধান হিসেবে অনেকেই বিশেষ এক ধরনের পানীয়ের কথা বলেন, এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খাওয়া। পুষ্টিবিদ ও ম্যাক্রোবায়োটিক প্রশিক্ষক শিল্পা অরোরা সামাজিক মাধ্যমে এই পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন, যা অনেকের কাছে একটি প্রচলিত আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া উপায় হিসেবে পরিচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পিসিওডি, অনিয়মিত ঘুম, কম পানি পান করা, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব, ব্যায়ামের ঘাটতি বা অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়ার অভ্যাস ইত্যাদি। এসব কারণ অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

এর ফলে শুধু পেটের অস্বস্তিই নয়, পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, ব্যথা এবং কখনও কখনও মুখে দুর্গন্ধের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখার পরামর্শ দেন।

ঘি সম্পর্কে বলা হয়, এতে বুটিরিক অ্যাসিড থাকে, যা অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে এবং মল চলাচল সহজ করতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রকে কিছুটা লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়, যা হজম প্রক্রিয়াকে আরামদায়ক করতে পারে।

অন্যদিকে, লাল চা নিয়েও বলা হয় যে এতে থাকা ক্যাফেইন ও অন্যান্য উপাদান শরীরের স্নায়ু-সংকেত সক্রিয় করতে সাহায্য করতে পারে, যা হজম প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের গতিবিধিকে কিছুটা উদ্দীপিত করতে ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে, ঘি ও লাল চা একসঙ্গে একটি ঘরোয়া উপায় হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে চীনের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের সামনে বিশেষ উপস্থাপনা দেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। সম্মেলনে চীনের ১২৫ জন ব্যবসায়ী অংশ নেন।

চীনা ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পুঁজি সংক্রান্ত কার্যপ্রণালি ঢেলে সাজাতে সরকার ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন, নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারপ্রধান আরও জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলায় দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগকারীদের আরও কার্যকর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে শিগগির চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ চালু করা হবে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হরমুজে স্বস্তি ফেরায় কমল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে স্বস্তি ফেরায় কমল তেলের দাম

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল দ্বিগুণ হওয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে এবং বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। খবর রয়টার্সের

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪.৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৩.৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিয়টিআই ক্রুড ৪.৪ শতাংশ কমে প্রায় ৭০ ডলারে দাঁড়ায়, যা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর সর্বনিম্ন স্তর।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাই তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে।

জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ম্যারিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল দ্বিগুণ হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের পর এটিই এই জলপথে সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলের রেকর্ড।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেলের দামে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে আগামী দিনগুলোতে তেলের বাজারে আরও স্থিতিশীলতা দেখা যেতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি