খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

তীব্র গরমে বমির সমস্যা, করণীয় কী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
তীব্র গরমে বমির সমস্যা, করণীয় কী?

গরমে পুড়ছে শহর-বন্দর-গ্রাম। ভোরের আলো ফুটতেই তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। বেলা যত বাড়ছে, তত বৃদ্ধি পাচ্ছে অস্বস্তি। এই গরমে বেহাল দশা হচ্ছে শরীরের। দেখা দিচ্ছে একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতা। দাবদাহের কারণে অনেকের বমির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন? কীভাবে মিলবে মুক্তি? চলুন জানা যাক-

গরমে বমি হচ্ছে কেন?
এর একাধিক কারণ রয়েছে। সবচেয়ে বড় কারণ অত্যধিক গরম। এই গরমে হিট এক্সহউশনের কারণে অনেকেরই বমি শুরু হচ্ছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বমির পাশাপাশি মাথা ঘোরাতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

এছাড়া গরমের সময় পানিতে বা খাবারে অনেক জীবাণু ঘুরে বেড়ায়। সেই খাবার বা পানি খেলেও শরীরের হাল বিগড়ে যেতে পারে। পেট খারাপ হতে পারে। পাশাপাশি হতে পারে বমি।

গরমে বমির সমস্যা থেকে বাঁচতে করণীয়
অত্যধিক গরমের জন্য সমস্যা হলে সতর্ক হতে হবে। সবার আগে রোদ থেকে সরে আসতে হবে। একটা ঠান্ডা জায়গায় বসতে হবে। তাহলেই কাজ হবে। এরপর ধীরে ধীরে ওআরএস পান করুন। এই পানীয় খেলেই কিছুটা রেহাই পাবেন। ধীরে ধীরে বমি বমি ভাব কমে যাবে।

আর বমির পাশাপাশি যদি পেট খারাপের সমস্যা থাকে তাহলে প্রথমে ওআরএস খান। এক্ষেত্রে একটা গোটা প্যাকেট ওআরএস এক লিটার পানিতে গুলে নিন। তারপর ধীরে ধীরে খান।

কোন ওষুধ কার্যকরী?
এই সমস্যায় ওনডেম জাতীয় ওষুধ অত্যন্ত কার্যকরী। এটি খেলেই দ্রুত বমির সমস্যা কমতে পারে। যদিও অনেক সময় ওনডেম খাওয়ার পরও বমি হয়। তখন ওষুধও বমির সঙ্গে উঠে আসে। এক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে বমি হলে আবার ওষুধটা খেতে হবে। নইলে বমি কমবে না।

তবে ওষুধ খাওয়ার পরও যদি বমি না কমে তাহলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তিনি প্রয়োজন বুঝে ইনজেকশন দিতে পারেন। সেটা নিলেই শরীর সুস্থ থাকবে। তবে ভুল করেও গর্ভাবস্থায় এই ওষুধ খাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

গরমে বমি হলে কয়েকটা দিন একটু হালকা খাবার খান। তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। এতেও স্বস্তি মিলবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার নিম্নমুখী হয়েছে। এতে অপরিশোধিত তেলের দর চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৭ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭৬ দশমিক ৭১ ডলারে লেনদেন হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৬ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭২ দশমিক ৮৫ ডলারে দাঁড়ায়। আগের দিন মঙ্গলবারও দুই বেঞ্চমার্ক তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছিল।

এর আগে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটে ফিরতে শুরু করে। জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা কমে আসায় বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা হ্রাস পায়, যা তেলের দামে পতনে ভূমিকা রাখে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের এক ব্যারেলে থাকে প্রায় ১৫৯ লিটার (১৫৮.৯৮ লিটার)। বর্তমান বিনিময় হার (১ ডলার=প্রায় ১২৩ টাকা) অনুযায়ী হিসাব করলে ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৯ হাজার ৪৩৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি লিটার প্রায় ৫৯ টাকা ৩০ পয়সা। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ৮ হাজার ৯৬০ টাকা বা প্রতি লিটার প্রায় ৫৬ টাকা ৩৫ পয়সা।

তবে এসব দাম কেবল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের কাঁচামাল মূল্য। এর সঙ্গে শোধন ব্যয়, পরিবহন খরচ, শুল্ক ও দেশীয় বিপণন ব্যয় যুক্ত হয়ে স্থানীয় বাজারে জ্বালানি তেলের খুচরা দাম নির্ধারিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কিছুটা কমে আসা এবং হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এতে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার ওমান ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ট্রানজিট ফি নিয়ে কোনো একক সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে রাজি হয়েছে। তবে তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তিনটি সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাতিসংঘের শিপিং সংস্থার তথ্যমতে, চলমান পরিস্থিতিতে আটকে থাকা প্রায় ১১ হাজার নাবিকসহ শত শত জাহাজ ধীরে ধীরে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নওগাঁয় বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, শূন্যরেখায় আটকা ৯ জন

নওগাঁ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁয় বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, শূন্যরেখায় আটকা ৯ জন

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তারা প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে এসব ব্যক্তি বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নওগাঁ-১৬ বিজিবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ ভোর ৪টার দিকে নওগাঁর সাপাহার আদালতলা সীমান্ত চৌকি (বিওপি) এলাকার সীমান্ত পিলার ২৪৪/এমপি দিয়ে ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা নয় ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করে। এদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। সংবাদ পাওয়ার পর আদাতলা সীমান্ত চৌকির (বিওপি) বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। বর্তমানে ওই ৯ ব্যক্তি ভারত ও বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরে ওই এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওই ১৭ জনসহ অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদেরকে ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানোর (পুশ ব্যাক) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর আগে গত ৫ জুন ও ৮ জুন নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ৪০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ তাদেরকে ফেরত নিতে বাধ্য হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি