খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

Oplus_131072

আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে দেশব্যাপী প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে সারাদেশে সচেতনতামূলক র‌্যালি, বাউল গানের মাধ্যমে প্রচারণা, সপ্তাহে একদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কমিউনিটি মিটিং, উঠান বৈঠক এবং জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু, চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ, ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত, রিএজেন্ট ও টেস্টিং কিট সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইনের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।

মশাবাহিত এই রোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সাতটি সিটি করপোরেশন। নিজ নিজ এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় পৃথক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে তারা।

এবার প্রথমবারের মতো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপ’ পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুর ও সংগীতভিত্তিক ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ স্থাপন করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে একটি ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আরও ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অন্তত ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট ফি না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে সরকারের কাছে প্রায় ২ লাখ ব্যাগ খাবার স্যালাইন মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মজুত আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার (৬ জুন) দেশব্যাপী সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক অভিযানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। কোনো বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই থেকে তিন দিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। করোনাকালে যেমন সবাই একযোগে কাজ করেছে, তেমনি ডেঙ্গু প্রতিরোধেও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ। উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচদিনব্যাপী বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ যৌথভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য অপসারণ, জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিবিড় নজরদারি চালানো হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত বলেন, প্রতিটি নাগরিক যদি ডেঙ্গু প্রতিরোধকে ব্যক্তিগত দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, জনগণকে সচেতন করতে আগামী তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ইমামদের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের আগাম প্রস্তুতি, সিটি করপোরেশনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। বাসস

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

জেএফএ অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় যুব নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার রাজশাহী ভেন্যুর ম্যাচে জয় পেয়েছে জয়পুরহাট জেলা।

শনিবার (২০ জুন) রাজশাহী  মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে জয়পুরহাট  জেলা ৩-১ গোলে নওগাঁ জেলাকে পরাজিত করে।

জয়পুরহাট জেলার খালকো ম্যাচের ১৪ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। আর্জিনা ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০। দলের পক্ষে ৭৪ মিনিটে রিয়া গোল করলে জয়পুরহাট ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮১ মিনিটে নওগাঁর মরিয়ম দলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করলে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩-১।

ম্যাচে রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন সুমাইয়া আফরিন শাহীন। তাকে সহযোগিতা করেন আইরিন আকতার, সরেন ও লিজা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহীর জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাশাপাশি অবস্থিত আফিয়া জুয়েলার্স ও কারুশ্রী জুয়েলার্সের মধ্যে সংযোগকারী দেয়াল কেটে চোরেরা কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে। এর আগে তারা আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, রুপার অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ ২০ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সব জুয়েলার্সের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকরা বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি ও বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিচারকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনে অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তারও দাবি করেন তারা।

শনিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সব জেলা থেকে আগত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা এমন দাবি করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি অভিভাষণ দেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য বরাদ্দ ৩৪৭ কোটি টাকা, আর দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২৯১ কোটি টাকা।

বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেখানে আদালত, সেখানে বিচার বিভাগের জন্য এমন সীমিত বরাদ্দ রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ