খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ সবাইকে দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। টাকার কাছে কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সেবার নামে মানুষে হয়রানি করে আসছিল। তাদের এই অন্যায়ে সাপোর্ট করছে জামায়াতের নেতারা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার পাইলটিং স্কিমের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার চিন্তা করছে। যেখানে প্রতিটা ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবার লোক যাবে। তারা গিয়ে প্রাথমিক সেবা দেওয়ার পর যদি মনে করে হাসপাতালে নিতে হবে তবেই একজন রোগীকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এভাবে দেশব্যাপী সবার চিকিৎসাব্যবস্থাকে সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার দুর্নীতি করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। আমরা একটি ব্যতিক্রমধর্মী সরকার চালাচ্ছি। দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের সেবা করতে চাই আমরা। চায়নার সহযোগিতায় আমরা ৩ হাজার বেডের দুইটি বিশেষায়িত হাসপাতাল করতে যাচ্ছি। যেখানে শিশু ও নারীদের চিকিৎসা সেবার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সজীব মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবদুল হান্নান প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে গেল ২০ বছরে মাদক ব্যবসা করেই এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি : ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে গেল ২০ বছরে মাদক ব্যবসা করেই এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, গেল ২০ বছরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি বনে গেছে।  তারা মাদক ব্যবসা করেই কোটিপতি হয়েছে। অবিলম্বে এসব মাদক কারবারীকে ধরতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীতে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ বিষয়ে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন, রাজশাহী উন্নয়ন ও অর্জনে সবসময়ই এগিয়ে ছিল। কিন্তু বিগত ২০ বছরে সব নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। অতীত ভূলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে পুনঃউদ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান।

পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়  আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদা, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এবং আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সেমিনারে বক্তারা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শাপলা চত্বরের শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা চান মামুনুল হক

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরের শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা চান মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন,জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের শহীদদেরও রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি দিতে হবে।।

শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত এক মহাসমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে তাদের অনেক সমালোচনা রয়েছে। তবে সেসব সমালোচনা যৌক্তিকভাবে রাজপথ ও সংসদে তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে, যা তারা স্বাগত জানান। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের শহীদদেরও রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি দিতে হবে।

মামুনুল হক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে আপনি বিশেষ সম্মান পেয়েছেন। আপনাকে আহ্বান জানাই, বিভ্রান্ত পথে গিয়ে শেখ হাসিনার রাজনীতি করবেন না।

সমাবেশে তিনি দেশে মাদক, জুয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি মবের মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মামুনুল হক বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত এলে তা প্রতিহত করা হবে। স্বাধীনতা ও জুলাই চেতনার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মেধাবী প্রকৌশলীদের দেশে রাখতে উদ্ভাবনবান্ধব পরিবেশ জরুরি: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
মেধাবী প্রকৌশলীদের দেশে রাখতে উদ্ভাবনবান্ধব পরিবেশ জরুরি: আইনমন্ত্রী

দেশের মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে তাদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পায়নের কাজে লাগাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলেই দেশের মেধাবী প্রকৌশলীদের দেশে ধরে রাখা সম্ভব হবে।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর আইইবি ভবনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত ‘আইইবি জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা মেধা, প্রজ্ঞা, শ্রম, দেশপ্রেম ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তবে উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের পর অনেক মেধাবী প্রকৌশলীর বিদেশে স্থায়ী হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির স্বার্থে এ মেধাবী জনশক্তিকে দেশে ধরে রাখা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকৌশলীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের ভেতর থেকেই নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষির আধুনিকায়নে তারা কার্যকর অবদান রাখতে পারেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে প্রকৌশলীরা তাদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে পারবেন। এজন্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ব্যয় সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণের করের অর্থে পরিচালিত প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে প্রকল্প ব্যয় যৌক্তিক ও সাশ্রয়ী রাখার ক্ষেত্রেও প্রকৌশলীদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে দেশের প্রকৌশলীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বিশেষ করে ভূমিকম্প সহনশীলতা, নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করে ভবন নির্মাণে তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।তিনি বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে প্রকৌশলীরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দেশের মানবসম্পদকে বিশ্বমানের সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং এ যাত্রায় প্রকৌশলীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

আইইবির সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ড. মো. সাব্বির মোস্তফা খান, জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন ব্যবস্থাপনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভুঁইয়া এবং সহ-আহ্বায়ক প্রকৌশলী সাবির আহমেদ ওসমানী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নবীন ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপনার সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ