খুঁজুন
                               
, ,
           

বগুড়ায় হচ্ছে ফ্লাইং একাডেমি, সাধারণের সন্তানরাও হবে পাইলট: আফরোজা খানম

মানিকগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় হচ্ছে ফ্লাইং একাডেমি, সাধারণের সন্তানরাও হবে পাইলট: আফরোজা খানম

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বগুড়ায় বিমান মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ফ্লাইং একাডেমি করা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের সন্তানেরাও পাইলট হওয়ার সুযোগ পাবে। তাদের পড়াশোনার খরচও বহন করবে বিমান মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হরিজন পল্লীতে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আফরোজা খানম বলেন, বর্তমানে পাইলট হওয়ার খরচ এত বেশি যে মূলত ধনী পরিবারের সন্তান ও পাইলটদের সন্তানেরাই এ সুযোগ পেয়ে থাকে। এ কারণে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্লাইং এয়ারফোর্সের সদস্যরা সাধারণ মানুষের সন্তানদের প্রশিক্ষণ দেবেন, যাতে ভবিষ্যতে তারাও পাইলট হতে পারে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম কাজ ছিল প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। তাদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া অতীতের তুলনায় বিমানবন্দরের পরিস্থিতিরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার গঠনের তিন মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ২৭টি মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। মানিকগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একটি করে মডেল মন্দির এবং শ্মশানঘাট নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, ১৭ বছরের জঞ্জাল থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের কিছুটা সময় লাগবে। আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমি চেষ্টা করব, যাতে আপনাদের কলোনির উন্নয়ন হয় এবং আপনারা ভালো থাকতে পারেন।

সর্বশেষ আফরোজা খানম বলেন, মানিকগঞ্জ এমন একটি জায়গা, যেখানে কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই দল, মত ও বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে একসঙ্গে আছেন, ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় এবং ডা. বদরুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নূরতাজ আলম বাহার, অ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন লদী, অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, আলী আশরাফ, গোলাম আবেদীন কায়সার, রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিন্নাহ খানসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়: ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়: ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা ভিন্ন ন্যারেটিভ নিয়ে হাজির হয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, একটি পক্ষ বাংলাদেশকে ভারত বানাতে চায়, আরেকটি পক্ষ বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। এসব ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত থাকতে হলে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করতে হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা থেকেই আমরা দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম করেছিলাম। সেটিরই একটি চূড়ান্ত ফলাফল ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান। চব্বিশের পর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা ভিন্ন ন্যারেটিভ নিয়ে হাজির হয়েছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। এক দল বাংলাদেশকে ভারত বানাতে চেয়েছিল, আরেক দল বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। এই দেশকে ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত থাকতে হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, জামায়াতের লং মার্চের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। বিদেশে থাকা শেখ হাসিনার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে এর মিল রয়েছে। তারা মনে করে একমাত্র জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নষ্ট করতে পারলেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে। বাংলাদেশবিরোধী শক্তি দেশকে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তিতে আঘাত হানতে চায়। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কাজ করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরে ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা চিরকাল থাকবেন না, কোনো মানুষই চিরকাল বেঁচে থাকেন না। কিন্তু বাংলাদেশের মূল ভিত্তি হচ্ছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি, স্বাধীন পতাকা পেয়েছি, স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি এবং স্বাধীন পরিচয় পেয়েছি। তাই আমাদের এই পরিচয়কে ধরে রাখতে হলে এবং বাংলাদেশকে যদি ভবিষ্যতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চাই, বহির্বিশ্বের যেকোনো ষড়যন্ত্রের হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে চাই, তাহলে মুক্তিযুদ্ধকে মনে-প্রাণে জীবনের প্রত্যেকটি স্তরে ধারণ করতে হবে। এর অন্য কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো রাষ্ট্রীয় বাহিনীনির্ভর দল নয়। পুলিশের ওপর নির্ভরশীল থাকা যাবে না। তাদের কাজ করতে বাধ্য করতে হবে।

গ্যাস ও তেল সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংকট সমাধানে কিছু সময় প্রয়োজন। তবে রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তা রক্ষা করতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নয়, সারা বছরই নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ জন্য ব্যবসায়ী সংগঠন, আমদানিকারক, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে কয়েকটি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পণ্য পরিবহনেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে কিছু এলাকার বাজারে। তবে শীতকাল সামনে থাকায় নতুন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান। তার মতে, পণ্যের দামে সামান্য অস্বাভাবিক ওঠানামাও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। তাই মূল্য স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের আস্থা ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, বাজার মনিটরিং জোরদারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পাশাপাশি আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে ১ লাখ ৬ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া ভোজ্যতেলের কাঁচামাল বা সিড আমদানিও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে ২ লাখ ৭৩ হাজার টন সিড আমদানি হলেও চলতি বছরে তা বেড়ে ৩ লাখ ৮৬ হাজার টনে পৌঁছেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিত্যপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের সরবরাহের বিভিন্ন ধাপ এ ব্যবস্থার আওতায় পর্যবেক্ষণ করা হবে। ডিম ও পোল্ট্রিসহ গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপণ্যকে প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) কেবল কথায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, কাজের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। রোগ নির্ণয় ও গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির তরুণ গবেষকরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

তাদের সক্ষমতা আরও বাড়াতে সরকার আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের উদ্যোগ নেবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহাখালীতে ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চে (আইইডিসিআর) ২য় বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’ শীর্ষক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ও হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আইইডিসিআরে অবদান অনস্বীকার্য।

করোনা মহামারির সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই বাংলাদেশে মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় কম ছিল। এজন্য তিনি চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সবার জন্য সুস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ শুরু করেছে। এসব হাসপাতালে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সুবিধা, ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী।

এর আগে সরদার সাখাওয়াত হোসেন কলেজ অব নার্সিং, ঢাকায় বিশ্ব আলঝেইমার্স দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নেন৷ এসময় আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী বাজেটে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ