খুঁজুন
                               
, ,
           

সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

বাগেরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

সংসারের প্রয়োজন মেটাতে বয়সের ভারও থামাতে পারেনি স্বপন সরদারকে। জীবনের প্রায় ৩৫ বছর ধরে মানুষের ছেঁড়া জুতা সেলাই করে জীবিকা চালিয়ে আসছেন তিনি। বয়স বেড়ে যাওয়ায় শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। তবুও সংসারের হাল ধরতে প্রতিদিন পুরোনো জায়গায় বসে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন তিনি।

বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছোট্ট পরিসরে বসে কাজ করেন স্বপন। সামনে থাকে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে সুই-সুতা। কেউ ছেঁড়া জুতা নিয়ে এলে যত্ন করে তা মেরামত করেন। বিনিময়ে কখনো কয়েক দশক, কখনো বা কয়েকশ টাকা আয় হয়। এই সামান্য আয় দিয়েই চলে তার সংসার।

স্বপনের পরিবার জানায়, বয়সের কারণে এখন তার পক্ষে ভারী কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। অথচ সংসারের প্রয়োজন মেটাতে তাকে কাজ করতেই হচ্ছে। পরিবারের একজন সন্তান বেকার থাকায় আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

দোকানদার সজিব সাহা বলেন, বাসস্ট্যান্ডে এ ধরনের ছোট কাজ করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের আয় খুবই কম। স্বপনের মতো একজন বয়স্ক মানুষ এত বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন—বিষয়টি সত্যিই কষ্টের।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্বপনকে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা অন্য কোনো সহায়তার আওতায় আনা গেলে তাদের কষ্ট কিছুটা কমতে পারে।

প্রতিদিনের মতো আজও হয়তো স্বপন বসবেন তার পুরোনো জায়গায়। সামনে থাকবে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে থাকবে সুই-সুতা। কারও ছেঁড়া জুতা জোড়া লাগাতে লাগাতে হয়তো আবারও আয় হবে সামান্য কিছু টাকা।

এভাবেই ৩৫ বছর ধরে মানুষের পায়ের জুতা ঠিক করতে করতে নিজের সংসারের ভাঙাচোরা অবস্থাও সামলানোর চেষ্টা করছেন স্বপন সরদার। বয়সের ভার, কমে যাওয়া আয় আর বেকার সন্তানের চাপ—সব মিলিয়ে তার প্রতিটি দিনই যেন নতুন এক সংগ্রামের গল্প।

কালের আলো/এমএসআইপি 

বাংলাদেশ দলে প্রথমবার ডাক, এসিয়ান কাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফারহান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ দলে প্রথমবার ডাক, এসিয়ান কাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফারহান

স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ফুটবলার ফারহান আলী ওয়াহিদ। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এই ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এসিয়ান কাপে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেকের অপেক্ষায় এখন রোমাঞ্চিত তিনি।

টুর্নামেন্ট খেলতে ইন্দোনেশিয়ায় যাওয়ার আগে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন ফারহান। দেশের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিজের দেশ, নিজের জাতি এবং নিজের ব্যাকগ্রাউন্ডকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য খুবই রোমাঞ্চকর। সমর্থকদের কাছ থেকেও প্রচুর সমর্থন পাচ্ছি। শুরু করার জন্য আমি সত্যিই মুখিয়ে আছি।’

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। ফুটবলের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১২ পর্যায়ে চেলসির একাডেমিতে ছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন ফুলহামের একাডেমিতে। ক্লাবটির বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দল পেরিয়ে অনূর্ধ্ব-২১ দলেও খেলেছেন এই উইঙ্গার।

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ-২-এ ফুলহামের হয়ে ৬ গোলের পাশাপাশি ৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন ফারহান। চলতি মৌসুমে ধারে ইংল্যান্ডের পঞ্চম স্তরের ক্লাব বোরহামউডের হয়ে খেলছেন তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন নিজের পারিবারিক শিকড়ের সূত্র ধরে। ফারহানের বাবা-মায়ের জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও তার দাদা-নানার সূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক। সেই শেকড়ের টানেই বাংলাদেশের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসায় অভিভূত ফারহান। তিনি বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। যেভাবে সমর্থন পাচ্ছি, তা অসাধারণ, অবাস্তব বলে মনে হয়। শুরুতেই এ ধরনের সমর্থন পাওয়া আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করতে উৎসাহিত করে।’

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এসিয়ান কাপে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। সেই ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের হয়ে ফারহানের অভিষেক হতে পারে।

তবে একাদশে সুযোগ পাওয়া বা অভিষেকের বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার চেয়ে দলীয় সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত ফারহান বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত। আশা করি, আমরা সেখানে গিয়ে জয়লাভ করতে পারব।’

এসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। জাতীয় দলের জার্সিতে নতুন এই উইঙ্গারের অভিষেকের অপেক্ষায় এখন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও।

কালের আলো/এসএ

চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর রোববার রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

সত্তরের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন মিঠু মুখার্জি। অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন ও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি সে সময় দর্শকের মধ্যে আলাদা সাড়া ফেলেছিল। তবে ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র ও জনসম্মুখ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী।

‘শেষ পর্ব’ দিয়ে অভিষেক

১৯৭২ সালে চিত্ত বসু পরিচালিত ‘শেষ পর্ব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিঠু মুখার্জির। এরপর দীনেন গুপ্ত পরিচালিত ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

‘মর্জিনা আবদুল্লা’র সাফল্যের পর বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন মিঠু। সত্তরের দশকে একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন সে সময়ের পরিচিত অভিনেত্রীদের একজন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য বাংলা সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘নিশিকন্যা’, ‘মৌচাক’ ও ‘স্বয়ংসিদ্ধা’। এসব সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে প্রশংসা পেয়েছিল।

হিন্দি সিনেমাতেও অভিনয়

বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি হিন্দি সিনেমাতেও কাজ করেছেন মিঠু মুখার্জি। দুলাল গুহ পরিচালিত ‘খান দোস্ত’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। পরে বাসু চ্যাটার্জির ‘সফেদ ঝুট’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

এ ছাড়া তাঁর অভিনীত হিন্দি সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘দিল্লাগি’ এবং ‘দো লড়কে দোনো কড়কে’।

দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফেরা

একসময় অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখার্জি। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯০ সালে চন্দ্রা বারোট পরিচালিত ‘আশ্রিতা’ সিনেমার মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় ফেরেন তিনি। তবে এরপর আর নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায়নি তাঁকে।

দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও সত্তরের দশকের বাংলা সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে মিঠু মুখার্জির নাম জড়িয়ে আছে। তাঁর অভিনীত চরিত্র ও সিনেমাগুলো এখনো দর্শকের স্মৃতিতে জায়গা করে আছে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

কালের আলো/এসএ

পদ্মায় ইলিশের সংকট, বিপাকে হাজারো জেলে পরিবার

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
পদ্মায় ইলিশের সংকট, বিপাকে হাজারো জেলে পরিবার

মানিকগঞ্জের পদ্মায় জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না জেলেরা। মাছের সংকটে নৌকা ও জাল নিয়ে নদীতে গিয়ে খরচও উঠছে না অনেকের। ফলে বাধ্য হয়ে কেউ কৃষিকাজে যুক্ত হচ্ছেন, আবার কেউ নৌকা-জাল বিক্রি করে রিকশা চালানোসহ বিকল্প পেশা বেছে নিচ্ছেন।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ পদ্মা ও যমুনার ওপর নির্ভরশীল। এসব এলাকার জেলেদের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস ছিল পদ্মার ইলিশ। তবে কয়েক বছর ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন তারা।

মৎস্য অধিদপ্তরের ‘ইয়ারবুক অব ফিশারিজ স্ট্যাটিস্টিকস অব বাংলাদেশ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে লোয়ার পদ্মায় ইলিশ আহরণ হয়েছিল ১ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা কমে হয় ১ হাজার ১১৭ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সামান্য বেড়ে ১ হাজার ১২২ মেট্রিক টন হলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা নেমে আসে ১ হাজার ৯০ মেট্রিক টনে। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আহরণ আরও কমে দাঁড়ায় মাত্র ৬২২ মেট্রিক টনে।

অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে লোয়ার পদ্মায় ইলিশ আহরণ কমেছে ৫৩৭ মেট্রিক টন বা প্রায় ৪৬ শতাংশ। শুধু ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যেই আহরণ কমেছে ৪৬৮ মেট্রিক টন।

হরিরামপুরের বাহিরচর গ্রামের জেলে ফারুক হোসেন ব্যাপারী বলেন, শুধু মাছ ধরে এখন আর সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই মাছ ধরার পাশাপাশি কৃষিকাজ করতে হচ্ছে। তাঁর মতে, নদীর আগের গভীরতা না থাকায় মাছও কমে গেছে।

ভেলাবাদ গ্রামের জেলে লালন মোল্লার ভাষ্য, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি যান্ত্রিক নৌযান ও জাহাজের শব্দের কারণেও ইলিশের বিচরণ কমেছে। আর জীবিকার সংকটে দড়িকান্দি গ্রামের নিবন্ধিত জেলে লিটন নৌকা-জাল বিক্রি করে রিকশা চালানো শুরু করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদীর ভৌগোলিক ও পরিবেশগত পরিবর্তন ইলিশের বিচরণে প্রভাব ফেলছে। পলি জমে ডুবোচর ও চর সৃষ্টি হওয়া, পানির লবণাক্ততা ও প্রবাহের পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, বর্জ্যে পানিদূষণ এবং নদীর খাদ্যচক্র নষ্ট হওয়ায় ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ছাড়া কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহারে জাটকা ও মা ইলিশ নিধনও ইলিশের প্রজননচক্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ইলিশ সুরক্ষায় মানিকগঞ্জে ২৬২টি অভিযান ও ৭৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ মেট্রিক টন ইলিশ ও ২ লাখ ২৯ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০৯টি মামলা, ৭০ জনকে কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হরিরামপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নূরুল ইকরাম বলেন, নদীতে চর জেগে ওঠা, জলযান চলাচল, দূষণ ও অবৈধ জালের ব্যবহার ইলিশের বিচরণে বাধা সৃষ্টি করছে। অবৈধভাবে ইলিশ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, নাব্যতা সংকট, দূষণ ও অসচেতনতার কারণে পদ্মা-যমুনায় ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও বিচরণ সুরক্ষায় সরকারি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি