খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রশাসনের ধাওয়া এড়িয়ে মেঘনায় ইলিশ ধরছেন জেলেরা

চাঁদপুর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
প্রশাসনের ধাওয়া এড়িয়ে মেঘনায় ইলিশ ধরছেন জেলেরা

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চললেও চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে বন্ধ হচ্ছে না ইলিশ শিকার। প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান, জেল-জরিমানা এবং অবৈধ জাল ও নৌকা জব্দের পরও একশ্রেণির জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরছেন। অভিযানের ট্রলারের তুলনায় জেলেদের ইঞ্জিনচালিত নৌকার গতি বেশি হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ধাওয়া করেও তাঁদের আটক করা যাচ্ছে না। ফলে নদীতে ফেলে যাওয়া জাল জব্দ করেই অভিযান শেষ করতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মতলব উত্তরের এখলাসপুর এলাকার মেঘনা নদীতে এমন চিত্র দেখা গেছে। পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের অভিযানের ট্রলার দেখেই দ্রুতগতির ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে পালিয়ে যান জেলেরা। অভিযান পরিচালনাকারীরা সর্বোচ্চ গতিতে ধাওয়া করেও তাঁদের আটক করতে পারেননি। একপর্যায়ে জেলেরা নদীতে জাল ফেলে পালিয়ে গেলে সেগুলো জব্দ করেন মৎস্য বিভাগের কর্মীরা।

অভিযানের ট্রলার দেখলেই পালিয়ে যান জেলেরা
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মেঘনা নদীতে প্রশাসন ও জেলেদের মধ্যে যেন চোর-পুলিশ খেলা চলছে। অভিযানের ধরন ও ট্রলারের গতি সম্পর্কে ধারণা থাকায় জেলেরা দ্রুতগতির ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করছেন। নদীতে অভিযানের ট্রলার দেখা গেলেই তাঁরা নৌকার গতি বাড়িয়ে পালিয়ে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরী আলম বলেন, অভিযানের ট্রলারের চেয়ে জেলেদের নৌকার গতি বেশি হওয়ায় তাঁদের আটক করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে গভীর রাতে এবং প্রশাসনের টহল শেষ হওয়ার পর নদীতে মাছ ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে শুধু নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুতগতির নৌকা ব্যবহার করে জেলেরা নদীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় নজরদারি ও ধাওয়ার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

৭ অক্টোবর থেকে চলছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে গত ৭ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত ও বিক্রি নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। নদীর বিভিন্ন এলাকায় টহল, অবৈধ জাল জব্দ এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগের মধ্যেও নদীর দুর্গম এলাকা ও শাখা নদীগুলোতে নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিচ্ছেন কিছু জেলে। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, পেশাদার জেলেদের পাশাপাশি মৌসুমি জেলেরাও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ ধরছেন। এতে নিয়ম মেনে নদীতে না নামা জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

৩৪ অভিযান ও পাঁচ মোবাইল কোর্টে আটক জেলে
উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যানুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এ পর্যন্ত ৩৪টি অভিযান ও পাঁচটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে বেশ কয়েকজন জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকিরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

অভিযানগুলোতে সাতটি নৌকা, দেড় লাখ মিটারের বেশি অবৈধ জাল এবং ২০৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মাছ ধরার বিরুদ্ধে প্রশাসনের এসব পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলেও নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ আহরণের ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জব্দ করা জাল ও নৌকার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অভিযান চলাকালে জেলেরা পালিয়ে গেলে তাঁদের আটক করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং একই ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি থাকে।

নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন জেলেদের সংসারে সংকট
নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না পারায় অনেক জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ আর্থিক সংকটে ভুগছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারি খাদ্যসহায়তা পেলেও তা দিয়ে পরিবারের সব খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ জেলেদের। একদিকে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য মাছ ধরা বন্ধ রাখা জরুরি, অন্যদিকে এ সময়ে জেলেদের জীবিকা ও পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে তাঁদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করা সহজ হতে পারে। স্থানীয়দের মতে, নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা জেলেরা যখন মাছ ধরতে পারছেন না, তখন অন্য কেউ গোপনে নদীতে মাছ ধরলে তা তাঁদের জন্য অন্যায্য পরিস্থিতি তৈরি করে। ফলে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি জেলেদের সহায়তা কার্যক্রমও গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

জনবল ও বাজেট সংকটে অভিযান পরিচালনা
মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সজিব চন্দ্র দে বলেন, জনবল সংকট, বাজেটের স্বল্পতাসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মা ইলিশ সংরক্ষণে সাধ্যমতো চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি জানান, সীমিত সামর্থ্যের কারণে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব না হলেও অভিযান মোটামুটি সফল হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যৌথভাবে কাজ করছে এবং মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি দুর্গম এলাকা ও শাখা নদীতে নজরদারি বাড়ানো, দ্রুতগতির নৌকা ব্যবহার করে পালিয়ে যাওয়া জেলেদের শনাক্ত করা এবং অবৈধ জাল জব্দের কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণে প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি
মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করা ইলিশের উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদ রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে সংরক্ষণের লক্ষ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মতলব উত্তরের মেঘনায় অভিযান ও জব্দ কার্যক্রম চললেও অবৈধ ইলিশ শিকার বন্ধ না হওয়ায় নিষেধাজ্ঞার বাকি সময়ে নজরদারি আরও কার্যকর করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কর্মহীন জেলেদের সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে আইন মেনে চলার পরিবেশ তৈরিতে তা সহায়ক হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাসির উদ্দিন অসীম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন, সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুববিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ গত ১৩ অক্টোবর রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন ১৪ অক্টোবর তাঁর তিন ধাপে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত প্রথম জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিজয়কে কেন নিজের ‘লাকি চার্ম’ মনে করেন সামান্থা?

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিজয়কে কেন নিজের ‘লাকি চার্ম’ মনে করেন সামান্থা?

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে অভিনীত তিনটি ছবিই বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বিজয়কে নিজের ‘লাকি চার্ম’ বলে অভিহিত করেছেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। একই সঙ্গে অভিনয়ের জনপ্রিয়তা ছেড়ে রাজনীতিতে বিজয়ের পা রাখার সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।

সম্প্রতি ‘সেলিব্রিটি মাস্টারশেফ তামিল’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে বিজয়কে নিয়ে কথা বলেন সামান্থা। সেখানে নিজের প্রিয় সহ-অভিনেতার নাম জানতে চাওয়া হলে বিজয়ের নাম উল্লেখ করেন তিনি। একসঙ্গে কাজ করা তিনটি সফল সিনেমার স্মৃতিও তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

তিন ছবিতেই সাফল্য
সামান্থা ও বিজয় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ‘কথ্থি’ (২০১৪), ‘থেরি’ (২০১৬) এবং ‘মার্সল’ (২০১৭) সিনেমায়। তিনটি ছবিই বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পায়। সহ-অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তাঁকে নিজের ‘লাকি চার্ম’ বলে উল্লেখ করেন সামান্থা।

দক্ষিণী চলচ্চিত্রে বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয়জীবনও তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। ১৯৮৪ সালে বাবা এস এ চন্দ্রশেখর পরিচালিত ‘ভেট্রি’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাঁর পর্দায় অভিষেক হয়। পরে ১৯৯২ সালে ‘নালাইয়া থিরুপ্পু’ সিনেমার মাধ্যমে প্রধান অভিনেতা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কোয়েম্বাটুর মাপিল্লাই’ তাঁর ক্যারিয়ারে বাণিজ্যিক সাফল্যের নতুন অধ্যায় তৈরি করে। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন বিজয়। তাঁর অভিনীত ‘লিও’ও বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।

অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে বিজয়
অভিনয়জীবনের শীর্ষ সময়ে এসে সিনেমা থেকে সরে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। তাঁর এই পদক্ষেপকে সাহসী বলে মনে করেন সামান্থা।

অভিনেত্রীর মতে, কোটি কোটি ভক্তের ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তার জগৎ ছেড়ে মানুষের সেবা এবং সুশাসনের লক্ষ্যে রাজনীতিতে আসা সহজ সিদ্ধান্ত নয়। বিজয় সঠিক সময়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও মনে করেন তিনি।

বিজয়ের এই রাজনৈতিক যাত্রা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ও বিপুল জনপ্রিয়তাকে পেছনে রেখে রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যেও।

সামান্থার মন্তব্যে তাই একদিকে যেমন বিজয়ের সঙ্গে তাঁর সফল চলচ্চিত্র-যাত্রার স্মৃতি উঠে এসেছে, অন্যদিকে উঠে এসেছে তারকার পরিচয়ের বাইরে গিয়ে নতুন পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি তাঁর সমর্থন।

কালের আলো/এমকেএম/জেএন

এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বাংলাদেশি অভিনেতা মোশাররফ করিমের অভিনীত জনপ্রিয় দুই সিরিজ ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ এবার দেখা যাবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে। বাংলা ভাষায় হইচইয়ে মুক্তি পাওয়া সিরিজগুলো হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখানোর বিষয়ে চুক্তি করেছে প্ল্যাটফর্ম দুটি। আগামী দুই বছর এসব সিরিজ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পরিচিত দুই সিরিজ আরও বড় পরিসরে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো। ‘মহানগর’ নির্মাণ করেছেন আশফাক নিপুণ এবং ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। দুই সিরিজেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম।

নেটফ্লিক্সে ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
আশফাক নিপুণের নির্মাণে ‘মহানগর’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল। সিরিজটির এখন পর্যন্ত দুটি সিজন প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র নতুন সিজন আসার ঘোষণাও সম্প্রতি দেওয়া হয়েছে।

নেটফ্লিক্সে একাধিক ভাষায় সিরিজগুলো যুক্ত হলে বাংলাদেশের বাইরের দর্শকেরাও গল্প ও অভিনয় উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে মোশাররফ করিমের অভিনয় আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মৌলিক সিরিজ নির্মাণেও একসঙ্গে হইচই-নেটফ্লিক্স
শুধু পুরোনো সিরিজ পরিবেশন নয়, মৌলিক কনটেন্ট নির্মাণেও একসঙ্গে কাজ করবে হইচই স্টুডিওজ ও নেটফ্লিক্স। এ উদ্যোগের আওতায় হইচইয়ের নির্বাচিত গল্প নতুনভাবে রূপান্তর করা হবে। এতে যুক্ত হবেন নতুন নির্মাতা ও সৃজনশীল ব্যক্তিরা।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলা ভাষার গল্পকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন এবং আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নেটফ্লিক্সে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সিরিজও
বাংলাদেশের ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি সিরিজও নেটফ্লিক্সে যুক্ত হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে ‘ম্যাডাম ইনস্পেক্টর’, ‘সম্পূর্ণা’, ‘লজ্জা’, ‘একেন’, ‘অঞ্জান সায়ে’, ‘দ্য কার্স অব পর্ণশবরী’, ‘ব্লাডলাইনস’, ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব দাদি অ্যান্ড জগ্গা’, ‘রাত অভি বাকি হ্যায়’, ‘অচিন্তা: ট্রায়াল বাই ল’, ‘কুইনস’ এবং ‘পরিণীতা: আ লাভ স্টোরি’।

বাংলা সিরিজের এমন আন্তর্জাতিক পরিবেশনা আঞ্চলিক গল্প ও নির্মাণকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

কালের আলো/ইএকে/জেএন