খুঁজুন
                               
, ,
           

ফেসবুকে অস্ত্র প্রদর্শন এনসিপি নেতাকে ঘিরে বিতর্ক

পাবনা সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে অস্ত্র প্রদর্শন এনসিপি নেতাকে ঘিরে বিতর্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পাবনার সাঁথিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ওই নেতার নাম মুজাহিদ ফকির। তিনি এনসিপির সাঁথিয়া পৌর শাখার সদস্যসচিব। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অস্ত্রটি আসল কি না এবং সেটি প্রদর্শনের পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক স্টোরিতে ভিডিওটি প্রকাশ করেন মুজাহিদ ফকির। প্রায় এক ঘণ্টা পর সেটি সরিয়ে নেওয়া হলেও এর আগেই অনেকে ভিডিওটি ডাউনলোড ও স্ক্রিনশট নিয়ে রাখেন। পরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত আইডি থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ওই নেতার এমন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান অনেকে।

ফেসবুক স্টোরি থেকে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দুজন ব্যক্তির হাত ও পায়ের কিছু অংশ দেখা যায়। তাঁদের একজন মেঝেতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র রাখেন। পরে অন্যজন সেটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করেন এবং প্রদর্শন করেন। তবে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের কারও মুখ কিংবা শরীরের অন্য কোনো অংশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই অস্ত্রটির প্রকৃতি ও প্রদর্শনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ভিডিওতে থাকা অস্ত্রটি প্রকৃত আগ্নেয়াস্ত্র কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পেজ ও আইডির মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকে একজন রাজনৈতিক নেতার এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে রাজনৈতিক নেতার সমালোচনা
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম। তিনি বলেন, যে ধরনের অস্ত্রই হোক, এভাবে প্রদর্শনের উদ্দেশ্য জনমনে ভীতি বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা বলে তাঁরা মনে করছেন। আব্দুল করিমের দাবি, রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা উচিত নয়। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী ভালো কাজে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করেও মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। সেখানে রাজনৈতিক নেতা হয়ে মুজাহিদ ফকিরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ উঠছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা, অস্ত্র প্রদর্শনের মতো ঘটনা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

তবে অস্ত্র প্রদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ভিডিওতে প্রদর্শিত অস্ত্রের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করছে। ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক এ বিষয়ে সাঁথিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. বকুল বলেন, কয়েক দিন ধরেই মুজাহিদ ফকিরের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না এবং ভিডিওটিও দেখেননি বলে জানান।

বকুল বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে শুনেছেন। খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে পরে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মুজাহিদ ফকিরের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে ভিডিওটি প্রকাশের কারণ কিংবা সেখানে থাকা অস্ত্র সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আগের ভিডিও নিয়ে পুলিশের তদন্তে খেলনা পিস্তলের তথ্য
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, মুজাহিদ ফকির এর আগেও ফেসবুকে আগ্নেয়াস্ত্রের ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছিলেন। তবে সে সময় পুলিশের তদন্তে সেটি খেলনা পিস্তল বলে প্রমাণিত হয়েছিল। এবার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা অস্ত্রটি প্রকৃত আগ্নেয়াস্ত্র কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, অস্ত্রটি আসল হলে সেটি প্রদর্শনের কোনো আইনি বৈধতা রয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ আরও তদন্ত করছে, রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে জনমনে ভীতি বা আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছিল কি না। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

অস্ত্রের সত্যতা যাচাইয়ের পর নেওয়া হবে ব্যবস্থা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র প্রদর্শনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এখন মূলত দুটি বিষয় সামনে এসেছে—ভিডিওতে থাকা অস্ত্রটি আসল কি না এবং সেটি প্রদর্শনের পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, এসব বিষয় যাচাই করেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অস্ত্রটির প্রকৃতি বা ভিডিও প্রকাশের উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, ভিডিওর বিষয়বস্তু এবং অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের পরই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাসির উদ্দিন অসীম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন, সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুববিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ গত ১৩ অক্টোবর রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন ১৪ অক্টোবর তাঁর তিন ধাপে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত প্রথম জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিজয়কে কেন নিজের ‘লাকি চার্ম’ মনে করেন সামান্থা?

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিজয়কে কেন নিজের ‘লাকি চার্ম’ মনে করেন সামান্থা?

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে অভিনীত তিনটি ছবিই বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বিজয়কে নিজের ‘লাকি চার্ম’ বলে অভিহিত করেছেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। একই সঙ্গে অভিনয়ের জনপ্রিয়তা ছেড়ে রাজনীতিতে বিজয়ের পা রাখার সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।

সম্প্রতি ‘সেলিব্রিটি মাস্টারশেফ তামিল’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে বিজয়কে নিয়ে কথা বলেন সামান্থা। সেখানে নিজের প্রিয় সহ-অভিনেতার নাম জানতে চাওয়া হলে বিজয়ের নাম উল্লেখ করেন তিনি। একসঙ্গে কাজ করা তিনটি সফল সিনেমার স্মৃতিও তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

তিন ছবিতেই সাফল্য
সামান্থা ও বিজয় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ‘কথ্থি’ (২০১৪), ‘থেরি’ (২০১৬) এবং ‘মার্সল’ (২০১৭) সিনেমায়। তিনটি ছবিই বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পায়। সহ-অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তাঁকে নিজের ‘লাকি চার্ম’ বলে উল্লেখ করেন সামান্থা।

দক্ষিণী চলচ্চিত্রে বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয়জীবনও তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। ১৯৮৪ সালে বাবা এস এ চন্দ্রশেখর পরিচালিত ‘ভেট্রি’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাঁর পর্দায় অভিষেক হয়। পরে ১৯৯২ সালে ‘নালাইয়া থিরুপ্পু’ সিনেমার মাধ্যমে প্রধান অভিনেতা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কোয়েম্বাটুর মাপিল্লাই’ তাঁর ক্যারিয়ারে বাণিজ্যিক সাফল্যের নতুন অধ্যায় তৈরি করে। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন বিজয়। তাঁর অভিনীত ‘লিও’ও বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।

অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে বিজয়
অভিনয়জীবনের শীর্ষ সময়ে এসে সিনেমা থেকে সরে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। তাঁর এই পদক্ষেপকে সাহসী বলে মনে করেন সামান্থা।

অভিনেত্রীর মতে, কোটি কোটি ভক্তের ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তার জগৎ ছেড়ে মানুষের সেবা এবং সুশাসনের লক্ষ্যে রাজনীতিতে আসা সহজ সিদ্ধান্ত নয়। বিজয় সঠিক সময়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও মনে করেন তিনি।

বিজয়ের এই রাজনৈতিক যাত্রা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ও বিপুল জনপ্রিয়তাকে পেছনে রেখে রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যেও।

সামান্থার মন্তব্যে তাই একদিকে যেমন বিজয়ের সঙ্গে তাঁর সফল চলচ্চিত্র-যাত্রার স্মৃতি উঠে এসেছে, অন্যদিকে উঠে এসেছে তারকার পরিচয়ের বাইরে গিয়ে নতুন পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি তাঁর সমর্থন।

কালের আলো/এমকেএম/জেএন

এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বাংলাদেশি অভিনেতা মোশাররফ করিমের অভিনীত জনপ্রিয় দুই সিরিজ ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ এবার দেখা যাবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে। বাংলা ভাষায় হইচইয়ে মুক্তি পাওয়া সিরিজগুলো হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখানোর বিষয়ে চুক্তি করেছে প্ল্যাটফর্ম দুটি। আগামী দুই বছর এসব সিরিজ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পরিচিত দুই সিরিজ আরও বড় পরিসরে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো। ‘মহানগর’ নির্মাণ করেছেন আশফাক নিপুণ এবং ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। দুই সিরিজেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম।

নেটফ্লিক্সে ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
আশফাক নিপুণের নির্মাণে ‘মহানগর’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল। সিরিজটির এখন পর্যন্ত দুটি সিজন প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র নতুন সিজন আসার ঘোষণাও সম্প্রতি দেওয়া হয়েছে।

নেটফ্লিক্সে একাধিক ভাষায় সিরিজগুলো যুক্ত হলে বাংলাদেশের বাইরের দর্শকেরাও গল্প ও অভিনয় উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে মোশাররফ করিমের অভিনয় আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মৌলিক সিরিজ নির্মাণেও একসঙ্গে হইচই-নেটফ্লিক্স
শুধু পুরোনো সিরিজ পরিবেশন নয়, মৌলিক কনটেন্ট নির্মাণেও একসঙ্গে কাজ করবে হইচই স্টুডিওজ ও নেটফ্লিক্স। এ উদ্যোগের আওতায় হইচইয়ের নির্বাচিত গল্প নতুনভাবে রূপান্তর করা হবে। এতে যুক্ত হবেন নতুন নির্মাতা ও সৃজনশীল ব্যক্তিরা।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলা ভাষার গল্পকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন এবং আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নেটফ্লিক্সে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সিরিজও
বাংলাদেশের ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি সিরিজও নেটফ্লিক্সে যুক্ত হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে ‘ম্যাডাম ইনস্পেক্টর’, ‘সম্পূর্ণা’, ‘লজ্জা’, ‘একেন’, ‘অঞ্জান সায়ে’, ‘দ্য কার্স অব পর্ণশবরী’, ‘ব্লাডলাইনস’, ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব দাদি অ্যান্ড জগ্গা’, ‘রাত অভি বাকি হ্যায়’, ‘অচিন্তা: ট্রায়াল বাই ল’, ‘কুইনস’ এবং ‘পরিণীতা: আ লাভ স্টোরি’।

বাংলা সিরিজের এমন আন্তর্জাতিক পরিবেশনা আঞ্চলিক গল্প ও নির্মাণকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

কালের আলো/ইএকে/জেএন