খুঁজুন
                               
, ,
           

কালীগঞ্জের প্রকৃতিতে শীতের মিষ্টি আবেশ

গাজীপুর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জের প্রকৃতিতে শীতের মিষ্টি আবেশ

ঋতু পরিবর্তনের স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় বদলে যেতে শুরু করেছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের প্রকৃতি। ভোরের আকাশে হালকা কুয়াশা, ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দু আর ধানখেতের ওপর মায়াবী আবহ জানান দিচ্ছে হেমন্তের আগমনী বার্তা। সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর কুয়াশার উপস্থিতি এবং সকালে বাতাসের শীতল অনুভূতিতে গ্রামীণ জনপদে তৈরি হচ্ছে শীতের আবেশ। বাংলার প্রকৃতিতে ছয় ঋতুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। শরতের সাদা কাশফুল আর নীল আকাশের মুগ্ধতা পেরিয়ে এখন প্রকৃতি ধীরে ধীরে হেমন্তের দিকে এগোচ্ছে। কার্তিকের শুরুতেই কালীগঞ্জের মাঠঘাট, ফসলের খেত ও জনপদে দেখা যাচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের নানা চিহ্ন। ভোরের কুয়াশা সূর্যের আলোয় মিলিয়ে গেলেও দিনের শুরুতে তার উপস্থিতি প্রকৃতিকে করে তুলছে আরও স্নিগ্ধ।

ভোরের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভোরে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে রাতের মধ্যে বাতাসে কুয়াশার আস্তরণ তৈরি হচ্ছে, যা সকাল আটটা থেকে নয়টা পর্যন্ত কোথাও কোথাও স্থায়ী থাকছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে যাচ্ছে, উন্মোচিত হচ্ছে চারপাশের পরিচিত দৃশ্য।

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার ভাদার্তী এলাকার বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক কাজী কেরামত আলী জানান, তিনি প্রায়ই সকালে হাঁটতে বের হন। কয়েক দিন ধরে ভোরে কুয়াশা বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁর কাছে মনে হচ্ছে, শীত যেন আগেভাগেই জানান দিচ্ছে নিজের উপস্থিতি। শুধু কালীগঞ্জ নয়, রাজধানী ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরেও হেমন্তের আবহ অনুভূত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের বর্ণনায় উঠে এসেছে। ভোরের হালকা শীতল বাতাস আর কুয়াশার চাদর দিনের শুরুতে প্রকৃতিতে এনে দিচ্ছে ভিন্নমাত্রা।

শিশিরবিন্দুতে ঝলমল করে সকালের প্রকৃতি
হেমন্তের সকাল মানেই ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির, ফুলের পাপড়িতে বিন্দু বিন্দু জল আর সূর্যের আলোয় সেগুলোর ঝিকমিক করে ওঠা। কালীগঞ্জের গ্রামীণ পরিবেশেও দেখা মিলছে এমন দৃশ্যের। শিউলি ফুলের পাপড়িতে জমে থাকা শিশির আর ভোরের কোমল আলো মিলে প্রকৃতিতে তৈরি করছে স্নিগ্ধ সৌন্দর্য। গ্রামের পথ ধরে হাঁটলে কোথাও দেখা যায় কুয়াশায় আচ্ছন্ন গাছপালা, কোথাও বাতাসে দুলছে কাশফুল। পুকুরপাড় ও নদীর ঘাটে দিনের ব্যস্ততা শুরু হওয়ার আগেই প্রকৃতি যেন নিজের মতো করে জেগে ওঠে। পাখির ডাক, বাতাসের মৃদু প্রবাহ আর দূরের গ্রামীণ জনপদের পরিচিত শব্দে ভোরের পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

এ সময় প্রকৃতির পরিবর্তন শুধু চোখে দেখার বিষয় নয়; অনুভবেরও। সকালের বাতাসে শীতলতা, দুপুরে রোদের উষ্ণতা এবং সন্ধ্যার পর তুলনামূলক ঠান্ডা আবহ—সব মিলিয়ে হেমন্তের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠতে শুরু করে। হেমন্তের আগমনের সঙ্গে গ্রামীণ জীবনে বাড়ে কৃষিকাজের ব্যস্ততাও। মাঠে মাঠে আমন ধান পাকতে শুরু করার অপেক্ষা। কোথাও ধানের শিষে দানা পূর্ণ হচ্ছে, কোথাও কৃষকেরা পরবর্তী ফসলের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন। ধানখেতের সবুজ ও সোনালি আভা গ্রামীণ প্রকৃতিকে দিয়েছে আলাদা রূপ।

ধানের মৌসুম ঘিরে কৃষকের প্রত্যাশাও তৈরি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আমন ধান ঘরে তোলার সময় গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষকের পারিবারিক জীবনে আসে নতুন ব্যস্ততা। একই সময়ে বিভিন্ন জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের প্রস্তুতিও শুরু হচ্ছে। হেমন্ত তাই শুধু ঋতু পরিবর্তনের নাম নয়; কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গেও এই ঋতু গভীরভাবে জড়িত। ফসলের মাঠ, কৃষকের শ্রম এবং প্রকৃতির পরিবর্তন মিলিয়ে গ্রামবাংলায় তৈরি হয় এক পরিচিত মৌসুমি পরিবেশ।

শরৎ পেরিয়ে সেতুবন্ধনের ঋতু হেমন্ত
বাংলার ছয় ঋতুর ধারাবাহিকতায় হেমন্ত শরৎ ও শীতের মধ্যবর্তী সময়। শরতের উজ্জ্বল আকাশ, কাশফুল ও শিউলির সৌন্দর্যের পর হেমন্ত নিয়ে আসে পরিণত প্রকৃতির আবহ। মাঠে ফসলের রং বদলায়, ভোরের বাতাসে বাড়ে শীতলতা, আর রাতের পরিবেশে ধীরে ধীরে অনুভূত হয় শীতের উপস্থিতি। এই সময় প্রকৃতির রূপান্তর খুব ধীরে ঘটে। দিনের আলো ও রাতের আবহে ভিন্নতা তৈরি হয়। কুয়াশা, শিশির আর ফসলের মাঠ যেন জানান দেয়, বছর এগিয়ে যাচ্ছে নতুন এক ঋতুর দিকে। গ্রামীণ জীবনে এই পরিবর্তন মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ককে নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসে।

প্রকৃতির সৌন্দর্যে নতুন করে মুগ্ধ হওয়ার সময়
হেমন্তের স্নিগ্ধতা মানুষকে প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে আসে। ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা ঘাস, ধানখেতের ওপর ছড়িয়ে থাকা আলো কিংবা বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুল—এসব সাধারণ দৃশ্যও এ সময় হয়ে ওঠে বিশেষ আকর্ষণের। কালীগঞ্জের প্রকৃতিতে ঋতু পরিবর্তনের এই দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রতিদিনের পরিচিত পরিবেশের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। একটু মনোযোগ দিয়ে তাকালেই ধরা পড়ে তার রং, গন্ধ ও অনুভূতির পরিবর্তন। শরতের বিদায়ের পর হেমন্তের এই কোমল আগমন প্রকৃতিকে নতুন রূপে সাজাচ্ছে। কুয়াশার পাতলা পর্দা আর শীতল বাতাসের ছোঁয়ায় কালীগঞ্জের জনপদে এখন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে শীতের আগাম অনুভূতি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
এবার তিন ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে মোশাররফ করিমের দুই সিরিজ

বাংলাদেশি অভিনেতা মোশাররফ করিমের অভিনীত জনপ্রিয় দুই সিরিজ ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ এবার দেখা যাবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে। বাংলা ভাষায় হইচইয়ে মুক্তি পাওয়া সিরিজগুলো হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় নেটফ্লিক্সে দেখানোর বিষয়ে চুক্তি করেছে প্ল্যাটফর্ম দুটি। আগামী দুই বছর এসব সিরিজ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পরিচিত দুই সিরিজ আরও বড় পরিসরে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো। ‘মহানগর’ নির্মাণ করেছেন আশফাক নিপুণ এবং ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। দুই সিরিজেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম।

নেটফ্লিক্সে ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
আশফাক নিপুণের নির্মাণে ‘মহানগর’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল। সিরিজটির এখন পর্যন্ত দুটি সিজন প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র নতুন সিজন আসার ঘোষণাও সম্প্রতি দেওয়া হয়েছে।

নেটফ্লিক্সে একাধিক ভাষায় সিরিজগুলো যুক্ত হলে বাংলাদেশের বাইরের দর্শকেরাও গল্প ও অভিনয় উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে মোশাররফ করিমের অভিনয় আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মৌলিক সিরিজ নির্মাণেও একসঙ্গে হইচই-নেটফ্লিক্স
শুধু পুরোনো সিরিজ পরিবেশন নয়, মৌলিক কনটেন্ট নির্মাণেও একসঙ্গে কাজ করবে হইচই স্টুডিওজ ও নেটফ্লিক্স। এ উদ্যোগের আওতায় হইচইয়ের নির্বাচিত গল্প নতুনভাবে রূপান্তর করা হবে। এতে যুক্ত হবেন নতুন নির্মাতা ও সৃজনশীল ব্যক্তিরা।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলা ভাষার গল্পকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন এবং আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নেটফ্লিক্সে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সিরিজও
বাংলাদেশের ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি সিরিজও নেটফ্লিক্সে যুক্ত হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে ‘ম্যাডাম ইনস্পেক্টর’, ‘সম্পূর্ণা’, ‘লজ্জা’, ‘একেন’, ‘অঞ্জান সায়ে’, ‘দ্য কার্স অব পর্ণশবরী’, ‘ব্লাডলাইনস’, ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব দাদি অ্যান্ড জগ্গা’, ‘রাত অভি বাকি হ্যায়’, ‘অচিন্তা: ট্রায়াল বাই ল’, ‘কুইনস’ এবং ‘পরিণীতা: আ লাভ স্টোরি’।

বাংলা সিরিজের এমন আন্তর্জাতিক পরিবেশনা আঞ্চলিক গল্প ও নির্মাণকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

কালের আলো/ইএকে/জেএন

২৪ ঘণ্টায় হামে মৃত্যু ৭ জন আক্রান্ত ১,১৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হামে মৃত্যু ৭ জন আক্রান্ত ১,১৩৫

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৩৫ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৪ জনে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সর্বোচ্চ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১০৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছিল। বাকি ১ হাজার ১১০ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনে। একই সময়ে নতুন করে ২৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজার ২৭৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৩ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৮ জন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে নেওয়া হয় দীপু মনিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে নেওয়া হয় দীপু মনিকে

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনিকে মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে আবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাকে কারাগার থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশি পাহারায় তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন সরকার। তিনি জানান, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনিকে প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছিল। nতিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পুনরায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে দীপু মনিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় মেডিকেল চেকআপ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। তবে কী ধরনের মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে কিংবা তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি