খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু 

Oplus_131072

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ১৭৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৭৪ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৯৮২ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হামরোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৯৬ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৭৫ হাজার ১৫৬ জন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হওয়ায় গত ১৫ মার্চ থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মারা যাওয়া মোট শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৭ জনে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের কারণে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মোট সংখ্যা ৯৩ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে সারাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সরকারি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জের পুরাতন কাচারি চত্বর এলাকায় এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। রয়েল পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলন উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

জামায়াত আমির বলেন, অতীতের তিন বার সংবিধান উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার গণভোটের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও- ২০২৬-এর নির্বাচনের গণভোটকে বিএনপি অস্বীকার করছে।

শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পরে যেভাবে প্রতারণা করেছে গণভোটকে অস্বীকার করে, তা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে। ফলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য শেষ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ডা.শফিকুর রহমান বলেন, সারা দেশে চাঁদাবাজির মতো বিষফোঁড়া ধ্বংস করে দিলেই- সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তা জনগণ জানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি কমছে না, বরং বাড়ছে।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে। কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না। তিনি বলেন, যে দল নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তারাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

জামায়াত আমির বলেন, সরকার বিভিন্ন পণ্যে কর কমালেও সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে না। কারণ বাজারের বিভিন্ন খাত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া কখনোই কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না বলে উল্লেখ করে।

ব্যবসায়ীদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, কিছু গোষ্ঠীর কারণে অনেক ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন না। চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে তারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলে সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও পেশিশক্তির আধিপত্য টিকতে পারে না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা দলের ভুল থাকলে তা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে।

ডা. শফিক বলেন, সাংবাদিকরা সৎ ও কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখলে, আগামীর বাংলাদেশ হবে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন। সেখানে গরিব-ধনী নির্বিশেষে সবাই সমান বিচার পাবে। রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য।’

শনিবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ।

তিনি বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে। সেজন্য পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এ টুর্নামেন্টে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন বালক ও বালিকা (বালক-৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ জন, বালিকা-৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন) উভয় খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

কালের আলো/এসএকে

দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কবার্তা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আসন্ন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঠানো এক জরুরি বার্তায় দলটির সম্ভাব্য কর্মসূচি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

মূলত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নিতে এই নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়।

দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজির কাছে পাঠানো ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির ‘সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন’ করার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সেই দিন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করার চেষ্টা হতে পারে। এর ফলে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে। এ অবস্থায় বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সারা দেশে এই বিশেষ বার্তা পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, তারা এসংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। তবে তিনি বলেন, ‘স্পেসিফিক কোনো থ্রেট বা আশঙ্কা নেই। আমরা সতর্ক আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সারা বছরই বিভিন্ন কর্মসূচি থাকে। আমাদের সামনে বড় কর্মসূচি হচ্ছে ১০ মহররমের আশুরা। পাশাপাশি ২৩ জুন একটি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও রয়েছে। তাই আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি।’

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতের মতোই পুলিশের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের নতুন পরিকল্পনা, নতুন নিরাপত্তা চেকপোস্ট ও অপারেশন কার্যক্রম অব্যাহত আছে এবং থাকবে।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। এর তিন দিন পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, শীর্ষ নেতা এবং প্রভাবশালী সংসদ সদস্যদের একে একে গ্রেপ্তার করা হয়। আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী বিভিন্ন দলের কয়েকজন নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলটির অধিকাংশ জ্যেষ্ঠ নেতা বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। ফলে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তাদের দেখা যায় না।

আন্দোলন দমনে শত শত মানুষকে হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিচার চলছে। বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর পাওয়া যায়। এসব ঘটনায় বিভিন্ন সময় ধরপাকড় চালানোর কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এসএকে