খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

১২ সিনিয়র সহকারী সচিবকে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
১২ সিনিয়র সহকারী সচিবকে বদলি

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ও বদলি করে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করেছে সরকার। এর মধ্যে কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন এবং নতুন বিভাগে ইউএনও হিসেবে পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলামকে জামালপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, রাঙামাটি সদরের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরীকে খাগড়াছড়ি জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সজীব কান্তি রুদ্রকে বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমাকে চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধি (দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর), ১৮৯৮-এর ১০(২) ধারার বিধান অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাও অর্পণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে কর্মরত দুই কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খানকে সাতক্ষীরা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেবকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রশাসন ক্যাডারের ছয় কর্মকর্তাকে নতুন বিভাগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে পদায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমাকে সিলেট বিভাগে এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইনকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার কাজী তাহমিনা শারমিনকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন এবং রাজউকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন বীথিকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের উপপ্রধান নূরী তাসমিন ঊর্মিকেও ইউএনও হিসেবে পদায়নের জন্য খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ন্যস্ত করা কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আগামী ২৪ জুন তারিখের মধ্যে বদলি হওয়া কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩

Oplus_131072

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি নৌকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চালানো এই আকস্মিক হামলায় নৌকাটিতে থাকা তিনজন নিহত হয়েছেন।

লাতিন আমেরিকায় কথিত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে অত্যন্ত কঠোর ও আগ্রাসী সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সর্বশেষ এই হামলার পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসন যাদের ‘নারকো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন সামরিক হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা অন্তত ২১১ জনে পৌঁছেছে।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে চালানো সাম্প্রতিক এসব রক্তাক্ত হামলা নিয়ে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, তারা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কথিত মাদক পাচারকারীদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালিয়েছে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বা পেন্টাগন ওই নৌকাটি আসলেই কোনো মাদক বহন করছিল কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ করেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত মার্কিন বাহিনীর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাগরে আঘাত পাওয়ার পর নৌকাটিতে আগুন ধরে যাওয়ার আগে সেটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পানিতে চলছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী মাদক চক্র বা কার্টেলগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর একধরনের সরাসরি যুদ্ধ চলছে। তিনি এই সামরিক হামলাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের অবৈধ প্রবাহ কমানো এবং মাদক অতিরিক্ত সেবনে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর হার ঠেকানোর জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তার প্রশাসন মাদক-সন্ত্রাসীদের হত্যার দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত খুব কম প্রমাণ হাজির করতে পেরেছে।

এদিকে  বিশ্লেষক ও সমালোচকেরা মার্কিন এই নৌ-হামলার বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ফেন্টানাইলসহ অতি প্রাণঘাতী মাদকের একটি বড় অংশ মূলত মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে স্থলপথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে, যা মূলত চীন ও ভারত থেকে আসা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। ফলে সাগরে নৌকা ডুবিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধের এই নীতি কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন তিন মন্ত্রী

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর মধ্যবর্তী তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরি এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

​সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। এরপর তারা তিস্তা অবসর হলরুমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীশাসন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ ছাড়া, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, লালমনিরহাট, নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

শিক্ষকদের জন্য হঠাৎ সরকারের কড়া সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের জন্য হঠাৎ সরকারের কড়া সতর্কবার্তা

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ব্যাপারে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। মূলত, ফেসবুক-ইউটিউবে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে এ সতর্কবার্তায়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বার্তায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থি। এসব পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে