খুঁজুন
                               
, ,
           

জুলাইয়ের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ডলার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
জুলাইয়ের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ডলার

দেশে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি জুলাই মাসের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত দেশে মোট ৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। এদিকে, শুধু ৫ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ৩৫ দশমিক ৫৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী জুন মাসে দেশে মোট ২ হাজার ৮০৬ মিলিয়ন বা ২ দশমিক ৮০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। মাসের শেষ কর্মদিবস ৩০ জুন একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

যদিও জুন মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য কমেছে। ২০২৫ সালের জুন মাসে দেশে এসেছিল ২ হাজার ৮২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের জুনে রেমিট্যান্স কম এসেছে ১৭ মিলিয়ন ডলার।

তবে পুরো অর্থবছরের হিসাবে রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩৫ হাজার ৫৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে এসেছিল ৩০ হাজার ৩২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৫ হাজার ২৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় নির্বাহ এবং সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

স্পেন-পর্তুগালের শুরুর একাদশে রয়েছেন যারা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
স্পেন-পর্তুগালের শুরুর একাদশে রয়েছেন যারা

বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। কোয়ার্টার ফাইনাল উঠার লড়াইয়ে শক্তিশালী একাদশই সাজিয়েছে দুদল।শুরুর একাদশে রয়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অন্যদিকে স্পেনের জার্সিতে নামবেন লামিনে ইয়ামাল।

পর্তুগালের একাদশে আক্রমণভাগে রোনালদোর সঙ্গী হিসেবে থাকছেন জোয়াও ফেলিক্স ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। অন্যদিকে, স্পেনের মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগ সাজানো হয়েছে রদ্রি, পেদ্রি ও তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে।

পর্তুগালের শুরুর একাদশ:

দিয়োগো কস্তা (গোলরক্ষক), জোয়াও কানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, পেদ্রো নেতো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও ফেলিক্স, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

স্পেনের শুরুর একাদশ:

উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, পেদ্রি, দানি ওলমো, লামিন ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল, আলেক্স বায়েনা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি