খুঁজুন
                               
, ,
           

আদালতে জামায়াত নেতাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন জমির উদ্দিন সরকার: ডা. শফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
আদালতে জামায়াত নেতাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন জমির উদ্দিন সরকার: ডা. শফিক

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আদালতে জামায়াতের নেতাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন উল্লেখ করে দলটির আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তাঁকে জোর করেও কোনো ফি দেওয়া যায়নি। তিনি বলতেন, এটি তাঁর নৈতিক দায়িত্ব—মজলুমদের পাশে দাঁড়ানো।’

রোববার (১২ জুলাই) ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার সুপ্রিম কোর্টের একজন খ্যাতিমান সিনিয়র আইনজীবী এবং পরিচ্ছন্ন ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে পেশাগত ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আমলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নেতাদের ওপর যখন আইনি নিপীড়ন চালানো হয়েছিল, তখন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার তাঁদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।’

ডা. শফিক আরও বলেন, ‘জামায়াতের নেতাদের পক্ষে আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি কোনো সম্মানী গ্রহণ করেননি। বরং তিনি বলতেন, ‘এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব—এই মজলুমদের পাশে দাঁড়ানো।’ এ জন্য তার প্রতি আমরা গভীর কৃতজ্ঞ।’

বিরোধী দলীয় নেতা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। একইসঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দেশে ফিরলেই কারাগারে যেতে হবে হাসিনাকে: চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরলেই কারাগারে যেতে হবে হাসিনাকে: চিফ প্রসিকিউটর

বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির জামিন পাওয়ার নজির নেই, তাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানো হলে শুরুতেই তাকে কারাগারে যেতে হবে।

রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কেবল তিনি একাই নন, নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতারাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন।

দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনার আইনি অবস্থান কেমন হবে— এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির জামিন হয়েছে, এমন নজির নেই। ফলে দেশে আনা মাত্রই তাকে প্রথমে জেলে যেতে হবে এবং এরপর তার আপিল করার আইনি অধিকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী দেশে থাকা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

সম্পত্তির বর্তমান আইনি অবস্থা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সেন্টেন্সের (দণ্ডাদেশ) সঙ্গে কিন্তু তার সম্পত্তি যেগুলো আছে বাংলাদেশে, তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সেটাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অতএব তার ব্যাংকে যদি কোনো টাকা থাকে, তার যদি ইমমুভেবল (স্থাবর) কোনো প্রোপার্টি থাকে, তাহলে সেটা কিন্তু এখন রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত। এটার মালিকানা কিন্তু আর তার নাই।

আমিনুল ইসলাম বলেন, এই সম্পত্তি এখন সম্পূর্ণরূপে সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত থাকায় তিনি এর কোনোটি ভোগদখল, হস্তান্তর বা ব্যবহার করতে পারবেন না। আপাতত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে এই রায় ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর জানান, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। তিনি যেহেতু ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন, তাই নিজের ইচ্ছায় দেশে আসার কোনো সুযোগ নেই। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যকার ‘এক্সট্রাডিশন’ বা ‘অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি’র আওতায় তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে, অথবা ‘পুশব্যাক’ করা হবে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর ২১(৩) ধারার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেকশন ২১ এর ৩ পরিষ্কার করেই বলছে, ৩০ দিনের পরে আর কোনো আপিল হবে না।

তবে সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পর দেশে ফিরলে আপিলের সুযোগ থাকবে কি না— এমন প্রশ্নে আমিনুল ইসলাম বলেন, যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় অথবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়; তাহলে তো সংগত কারণেই যেহেতু তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ রয়েছে, তিনি প্রথমত জেলে যাবেন। জেলে যাওয়ার পর তিনি আপিল করতে পারবেন কি পারবেন না, সেই বিষয়ে নিষ্পত্তি হবে।

ভবিষ্যতে আইনি সুযোগ তৈরির ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, যদি আপিল করার সুযোগ না থাকে, তাহলে সাজা বহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তি সাপেক্ষে যা হয়, তাই হবে। বিষয়টি সম্পূর্ণ আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে ভারতে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে। ঢাকা বারবার তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।

ট্রাইব্যুনালে চলমান অন্যান্য মামলার হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ মামলার আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাসহ ট্রাইব্যুনালে চলমান প্রধান ১০টি মামলার তদন্ত কাজ এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই এগুলোর প্রতিবেদনও আদালতে পেশ করা হবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের শাসনামলের অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে সর্বহারা পার্টির নেতা সিরাজ শিকদার হত্যাকাণ্ডসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত অভিযোগগুলোও তদন্তাধীন রয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

Oplus_131072

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিয়মিত খাল ও নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক  শফিকুল ইসলাম খান। আকস্মিক অতি ভারী বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

রোববার (১২ জুলাই) বার্তায় ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে কাজ করছি। জনগণের ভোগান্তি কমানোই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার অতি ভারী বর্ষণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় পানি জমে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেবেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। কোথাও কোনো জরুরি সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট টিমকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় পানি জমে আছে, সেখানে দ্রুত পানি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াটার পাম্পগুলো সচল রাখা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।

তিনি আরও বলেন, অতিবৃষ্টির সময়ে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— স্বল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, নগরায়নের ফলে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, অনেক জায়গায় ড্রেন ও খাল ভরাট বা সংকুচিত হওয়া, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলার কারণে পানি চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং দীর্ঘদিনের পুরোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নেটওয়ার্কের পরিধি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাজ করছে সরকার।

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের উত্তরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এই সংসদ সদস্য জানতে চান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক-এর নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে এবং বেসরকারি অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে রাখতে কোনো বিশেষ বরাদ্দ বা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে কি কিনা?

জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সারাদেশে টেলিটকের উন্নত নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে বিশাল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। তবুও বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করছে। ধীরে ধীরে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারাদেশে টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে টেলিটকের মোট ৩,৫১১ কোটি টাকার ৩টি ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ৭,৭৫৪ কোটি টাকার ৯টি প্রকল্পের প্রস্তাব সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাই এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে