খুঁজুন
                               
, ,
           

‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়তে শিক্ষার্থীরাই বড় শক্তি: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়তে শিক্ষার্থীরাই বড় শক্তি: ডিএনসিসি প্রশাসক

‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পরিচ্ছন্নতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হলে রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সহজ হবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর-১৪ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত বিএন কলেজে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানবিক মানুষ এবং তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আমরা তার সহকর্মী হিসেবে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও উদ্বুদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সিটি কর্পোরেশনের সেবা আরও সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

শফিকুল ইসলাম খান শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সৃজনশীলতার প্রশংসা করে বলেন, চেষ্টা থাকলে সফলতা অবশ্যই আসে। নেভি কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো নগরের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়ায় ছড়িয়ে দিয়ে নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার কাজে কাজে লাগানো হবে।

পুরস্কার বিতরণ শেষে বাংলাদেশ নেভি কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও নেভি স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিতে আধুনিক ডাস্টবিন ব্যবহারের পদ্ধতি প্রদর্শন করা হয় এবং শিক্ষার্থীরা পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন।

বিএন কলেজের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন এম. ইসমাইল মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ এর অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম, সুইমিংপুল , জিমনেসিয়ামসহ অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, সমস্ত স্থপনা সংস্কার করা খুব জরুরী। সরকার স্থাপনা নির্মাণ করবে কিন্ত তার দেখভাল করার জন্য কমিটিকে সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার যেসব দোকান আছে তাদের নিকট  চিঠি দিয়ে ভাড়া আদাযের পদক্ষেপ নিতে হবে।

এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনী পন্থায় দোকানদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ দোকানের বরাদ্দ বাতিল করতে হবে।

কারণ আপনাদের নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে স্টেডিয়াম পরিচালনা করতে হবে। এ সময় তিনি জেলা ক্রীড়া অফিসারগনকে দিক নির্দেশনা দেন।এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক।

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহামুদুজ্জামান, নাটোর জেলা ক্রীড়া অফিসার রাকিবুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

একইসঙ্গে চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সুমনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।

আইনজীবী লিটন আহমেদ জানান, ‘খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে রুল জারি করা হয়েছিল। আজ সেই রুল অ্যাবসুলেট (চূড়ান্ত) করে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আজ কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী লিটন আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও চুনারুঘাট  থানার মামলাসহ দুটিতে তার জামিন প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। তবে বাকি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে এই মামলাগুলোতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনকে। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে গত বছরের ২১ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং নিজ এলাকা চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়

গত ৭ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার মামলায় সুমনের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন হবিগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত, যার প্রেক্ষিতে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই, আইনি প্রক্রিয়া মেনেই সব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বুধবার (২৯ জুলাই) আপিল বিভাগের এ সংক্রান্ত মামলা শুনানি শেষে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিং-এ মন্তব্য করেন তিনি।

সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ায়আপিল বিভাগ ‘পূর্নাঙ্গ রায় যেহেতু পাওয়া গেছে, তাই এই মামলাটি (মিসলেনিয়াস পিটিশন) আর এই মুহূর্তে শোনার সুযোগ নেই’ বলে আদেশ দেন।

যদিও সংক্ষুব্ধ পক্ষ চাইলে রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল দায়ের করতে পারে বলেও আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ (আউট অব লিস্ট) করে দেন।

অ্যার্টনি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপকে যথাযথ দাবি করে বলেন, ‘সরোয়ার আলমগীর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। লক্ষ লক্ষ জনগণ তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠালো, তিনি সংসদে যাবেন এবং তাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন— এটিই তো সাধারণ ওই এলাকার ভোটারদের প্রত্যাশা। নির্বাচন কমিশন আদালতের রায় বাস্তবায়ন করে গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে আইনি কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।’

তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কখনোই আদালতের সার্টিফায়েড কপির জন্য সময় বিলম্ব করেন না, কারণ সবকিছুর একটা টাইমফ্রেম আছে। তারা যদি কোনো অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট দেন কিংবা নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব আইনজীবী যদি বলেন যে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন, কমিশন তার ওপরেই কাজ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ বিষয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। আমি তখন বলেছি যে, আপনারা আদালতের অন্য আদেশের ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়ায় কাজ করে থাকেন, একই প্রক্রিয়ায় করবেন।’

অ্যার্টনি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘যেহেতু হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন, তাই সরোয়ার আলমগীর সাহেবের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা, পার্লামেন্ট অধিবেশনে যোগদান করা এবং নির্বাচনী এলাকার জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা এখন আর আপাতত থাকল না। তিনি বিগত অধিবেশনেও অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রেখেছেন এবং সেটি অব্যাহত থাকবে।’

ঋণখেলাপির অভিযোগে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পরে নির্বাচন কমিশন বাতিল করলেও হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। তখন আপিল বিভাগ নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, বিজয়ী হলেও যেন ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না করা হয় এবং হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা স্থগিত থাকবে। সম্প্রতি হাইকোর্ট রুল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে চূড়ান্ত রায় দেন।

এই রায়ের পরপরই দ্রুততম সময়ে গেজেট প্রকাশ ও শপথের আয়োজন করা হলে সংক্ষুব্ধ হয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমীন।

আদালত আজ সেই আবেদনটি নিষ্পত্তি করে নিয়মিত আপিল করার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে আপাতত সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ