খুঁজুন
                               
, ,
           

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে ২৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে ২৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, স্মরণসভা এবং ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা। রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটিতে দেশের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

কমিটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (পুসাব), বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ব ও পশ্চিম শাখা, জাতীয় ছাত্রশক্তির সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পুয়াব), প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পুনাব), বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উইং, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন দুইজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে।

আয়োজকদের মতে, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সকল পক্ষের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য সমন্বয় কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারে।

এদিকে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি।

আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৬ রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, স্মরণসভা এবং ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই অনুষ্ঠান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় অবদানকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা নির্মাণে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা, দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে অর্থবহ আলোচনা ও মতবিনিময়ের ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক ও শিক্ষার্থী সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।

কালের আলো/এসএকে

তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

একইসঙ্গে চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সুমনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।

আইনজীবী লিটন আহমেদ জানান, ‘খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে রুল জারি করা হয়েছিল। আজ সেই রুল অ্যাবসুলেট (চূড়ান্ত) করে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আজ কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী লিটন আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও চুনারুঘাট  থানার মামলাসহ দুটিতে তার জামিন প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। তবে বাকি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে এই মামলাগুলোতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনকে। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে গত বছরের ২১ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং নিজ এলাকা চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়

গত ৭ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার মামলায় সুমনের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন হবিগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত, যার প্রেক্ষিতে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই, আইনি প্রক্রিয়া মেনেই সব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বুধবার (২৯ জুলাই) আপিল বিভাগের এ সংক্রান্ত মামলা শুনানি শেষে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিং-এ মন্তব্য করেন তিনি।

সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ায়আপিল বিভাগ ‘পূর্নাঙ্গ রায় যেহেতু পাওয়া গেছে, তাই এই মামলাটি (মিসলেনিয়াস পিটিশন) আর এই মুহূর্তে শোনার সুযোগ নেই’ বলে আদেশ দেন।

যদিও সংক্ষুব্ধ পক্ষ চাইলে রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল দায়ের করতে পারে বলেও আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ (আউট অব লিস্ট) করে দেন।

অ্যার্টনি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপকে যথাযথ দাবি করে বলেন, ‘সরোয়ার আলমগীর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। লক্ষ লক্ষ জনগণ তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠালো, তিনি সংসদে যাবেন এবং তাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন— এটিই তো সাধারণ ওই এলাকার ভোটারদের প্রত্যাশা। নির্বাচন কমিশন আদালতের রায় বাস্তবায়ন করে গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে আইনি কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।’

তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কখনোই আদালতের সার্টিফায়েড কপির জন্য সময় বিলম্ব করেন না, কারণ সবকিছুর একটা টাইমফ্রেম আছে। তারা যদি কোনো অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট দেন কিংবা নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব আইনজীবী যদি বলেন যে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন, কমিশন তার ওপরেই কাজ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ বিষয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। আমি তখন বলেছি যে, আপনারা আদালতের অন্য আদেশের ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়ায় কাজ করে থাকেন, একই প্রক্রিয়ায় করবেন।’

অ্যার্টনি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘যেহেতু হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন, তাই সরোয়ার আলমগীর সাহেবের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা, পার্লামেন্ট অধিবেশনে যোগদান করা এবং নির্বাচনী এলাকার জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা এখন আর আপাতত থাকল না। তিনি বিগত অধিবেশনেও অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রেখেছেন এবং সেটি অব্যাহত থাকবে।’

ঋণখেলাপির অভিযোগে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পরে নির্বাচন কমিশন বাতিল করলেও হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। তখন আপিল বিভাগ নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, বিজয়ী হলেও যেন ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না করা হয় এবং হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা স্থগিত থাকবে। সম্প্রতি হাইকোর্ট রুল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে চূড়ান্ত রায় দেন।

এই রায়ের পরপরই দ্রুততম সময়ে গেজেট প্রকাশ ও শপথের আয়োজন করা হলে সংক্ষুব্ধ হয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমীন।

আদালত আজ সেই আবেদনটি নিষ্পত্তি করে নিয়মিত আপিল করার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে আপাতত সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘নগদ’ বিক্রির বিষয়ে যা জানালেন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
‘নগদ’ বিক্রির বিষয়ে যা জানালেন মন্ত্রী

‘নগদ’ বিক্রি নিয়ে যেসব খবর ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেছেন, ডাক বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ‘নগদ’ বিক্রি নিয়ে যেসব গুজব বা রিউমার ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। বাজার প্রতিযোগিতার জন্য এই ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানটির সরকারি ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের উদ্বোধন এবং নগদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংগৃহীত রাজস্ব হতে মুনাফার অংশ হিসেবে ১৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ডাক অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, পোস্ট অফিস ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা নতুন কোনো ধারণা নয়। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বহু বছর ধরে এটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডাকসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। জনগণ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে আরও উদ্যোক্তা এ কার্যক্রমে যুক্ত হন।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব পোস্ট অফিসকে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে একদিকে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়বে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে। তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি উদ্যোক্তাদের শুভকামনা জানিয়ে আশ্বস্ত করেন, কার্যক্রম চালাতে কোনো সমস্যা হলে ডাক বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

নগদের রাজস্বের চেক গ্রহণ শেষে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। নগদের মুনাফা অর্জন সেই সফলতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, উন্নত নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি অপরিহার্য। ডাক বিভাগের সঙ্গে নগদের অংশীদারিত্বের ফলে জনগণের আস্থা, সরকারের রাজস্ব এবং ডাক বিভাগের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে ঢাকার অভ্যন্তরে ৪টি এবং ঢাকার বাইরে ৪টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

কালের আলো/এসএকে