খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়া দলের হয়ে জন্মভূমি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবেন সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া দলের হয়ে জন্মভূমি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবেন সাকিব

ক্রিকেটের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে একসময় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল নাজমুস সাকিবকে। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে খেলার সময় পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে জীবিকার সন্ধানে পাড়ি জমাতে হয়েছিল মালয়েশিয়ায়। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে কখনো খেলাটি থেকে দূরে সরাতে পারেনি। প্রবাসের সংগ্রামী জীবন পেরিয়ে এখন তিনি মালয়েশিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের উইকেটকিপার-ব্যাটার।

এবার সেই মালয়েশিয়া দলের হয়ে জন্মভূমি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে ঢাকায় এসেছেন ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

খুলনা জেলার হয়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে খেলেছেন নাজমুস সাকিব। আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে তাঁকে মালয়েশিয়ায় চলে যেতে হয়।

নিজের সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে সাকিব জানান, ২০০৪ সালে বাবাকে হারানোর পর তাঁদের পরিবার কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে। অনেক দিন পেঁয়াজের ভর্তা বা সরিষার তেল দিয়ে ভাত খেয়েই অনুশীলনে যেতেন তিনি। বড় বোনের টিউশনের আয়েই চলত সংসার। কিন্তু ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় শেষ পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

মালয়েশিয়ায় গিয়েও ক্রিকেট ছাড়েননি সাকিব। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় টেপ টেনিস ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। ভালো পারফরম্যান্সের কারণে ধীরে ধীরে পরিচিতি বাড়তে থাকে। একসময় মালয়েশিয়া জাতীয় দলের এক ক্রিকেটারের নজরে পড়েন তিনি। তাঁর মাধ্যমেই এসএসএফ প্যান্থারস ক্লাবে খেলার সুযোগ পান।

সেই ক্লাবের হয়ে একটি প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫০ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। এরপর জায়গা করে নেন নেগারি সেম্বিলান রাজ্য দলে। সেখানে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ৯ ম্যাচে প্রায় ৪২২ রান করে জাতীয় দলের নির্বাচকদের নজরে আসেন।

সাকিব জানান, এরপর মালয়েশিয়া ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে বলা হয়েছিল, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী তিন বছর দেশটিতে থাকলে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে তাঁকে আরও কিছু সময় পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছিল বোর্ড।

মালয়েশিয়ায় নিজের কঠোর পরিশ্রমের দিনগুলোর কথাও জানিয়েছেন এই ক্রিকেটার। ছয় বছর একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কনটেইনার থেকে ভারী বাক্স নামানোর কাজ করতেন। প্রতিদিন হাজার হাজার বাক্স সরানোর পরও রাতে বাসায় ফিরে চালিয়ে যেতেন অনুশীলন। একটি মোজার সঙ্গে বল বেঁধে দড়িতে ঝুলিয়ে ব্যাটিং অনুশীলন করতেন, যাতে চোখ ও হাতের সমন্বয় ঠিক থাকে।

অবশেষে ২০২৪ সালে এসিসি প্রিমিয়ার কাপের মাধ্যমে মালয়েশিয়া জাতীয় দলে অভিষেক হয় নাজমুস সাকিবের। এখন পর্যন্ত দেশটির হয়ে চারটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর মালয়েশিয়া ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটার হয়েছেন সাকিব। বোর্ডের উদ্যোগেই তিনি আগের চাকরি ছেড়ে এখন পুরোপুরি ক্রিকেটে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

আগামী শনিবার (৮ আগস্ট) মিরপুরে বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলবে মালয়েশিয়া জাতীয় দল। সেই ম্যাচেই নিজের জন্মভূমির বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারেন সংগ্রামী এই ক্রিকেটার।

কালের আলো/এসএ

বিকেল থেকে গ্যাস সঞ্চালন শুরু, ২-৩ দিনে কাটবে জ্বালানি সংকট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
বিকেল থেকে গ্যাস সঞ্চালন শুরু, ২-৩ দিনে কাটবে জ্বালানি সংকট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

দেশে চলমান গ্যাস সরবরাহ সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, একটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) পুনরায় চালুর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এটি চালু হলে বিকেল থেকেই গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের করিডোরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, একটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) পুনরায় চালুর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এটি চালু হলে বিকেল থেকেই গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে। এরপর ধীরে ধীরে সঞ্চালন ব্যবস্থায় চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

গ্যাস সঞ্চালন পুনরায় শুরু হলে ধীরে ধীরে পাইপলাইনে চাপ (প্রেসার) বাড়বে এবং বর্তমানে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে।

সংকট পুরোপুরি কাটতে কতদিন লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিনিমাম দুই থেকে তিন দিন লাগবে। এরপর আগের মতো গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।

গ্যাস সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, গ্যাস না থাকলে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো সম্ভব নয়। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আবার চালু করা হবে এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সমালোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মূলত এমন কিছু কারণে তৈরি হয়েছে, যা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এ সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিল বেশি আসার অভিযোগ করছেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার যাচাই করলে অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায় না।

একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একজন গ্রাহক প্রায় সাত হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ করেছিলেন। পরে তদন্তে দেখা যায়, ওই বাসায় দুটি এয়ার কন্ডিশনার, ফ্রিজসহ একাধিক বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছিল। এতগুলো যন্ত্র ব্যবহার করার পর সাত হাজার টাকা বিল হলে সেটিকে অস্বাভাবিক বলা যায় না।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি ছিল নিয়মিত কূটনৈতিক বৈঠক। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ভারত থেকে ডিজেল আমদানির বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশ-ভারতের বিদ্যমান পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আসে। চাহিদা বিবেচনায় ভারতকে আরও বেশি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র: রিজভী

দিল্লিতে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ প্রদানকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ—ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের দিন। যেদিন এই দেশে গণতন্ত্রের জন্য, অবাধে আমাদের রাজনীতি করার সুযোগের জন্য, এ দেশের জনগণের কথা বলার জন্য, আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে যে গণজাগরণ, যে মহাবিপ্লব হয়েছে, সেই দিনই এই প্রোগ্রামটি (সংবাদ সম্মেলন) দিল্লিতে হয়েছে। যেখানে অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, পরিকল্পিতভাবে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত একটি বিষয়। অর্থাৎ মহাবিপ্লবের শহীদদের অপমান করার জন্যই এই সুযোগটা করে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনাকে কথা বলার জন্য। আমি এই ঘৃণ্য প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছি।

রিজভী বলেন, যখন আমরা শুনি শেখ হাসিনা দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখবেন—গতকাল রেখেছেন অডিও বক্তব্য—গ্লোবাল জার্নালিস্ট ক্লাব অব সাউথ এশিয়া তাদের প্রোগ্রামে বক্তব্য রেখেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, এটি ভারতের নীতিনির্ধারকদের অ্যারেঞ্জমেন্টেই এই কাজটা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলাতক একজন আসামি উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে এবং নানা খুনের মামলা, দুর্নীতির মামলায় তার বিচার চলছে। তিনি একটি দেশে পালিয়ে গেছেন। আমাদের ২০১৩ সালের বন্দী প্রত্যর্পণ যে চুক্তি বা এক্সট্রাডিশন চুক্তি দুই দেশের মধ্যে হয়েছে, তার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া যায়। এজন্য সরকার চিঠি দিয়েছে। কিন্তু সেই চিঠির কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। একজন পলাতক আসামিকে প্রত্যাবাসনের জন্য, তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যে আইন, সে আইন এবং দুই দেশ তাতে সই করেছে। অথচ তারপরও তাকে ফিরিয়ে না দিয়ে তাকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। আমি মনে করি, এটা আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি একটা অপমান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ক্ষোভের সুরে বলেন, এই অপমান। পার্শ্ববর্তী দেশ, আমরা বন্ধু রাষ্ট্র বলি, আমরা সমমর্যাদার ভিত্তিতে পরস্পরের অবস্থান করব। সেখানে একজন পলাতক আসামিকে তার রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হলো এবং তার পুত্রসহ, তার পুত্রের সহযোগিতায়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের সহযোগিতায় করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা মনে করি যে আমাদের মিউচুয়াল ট্রাস্ট, মিউচুয়াল রেসপেক্ট—এটা সম্পূর্ণরূপে একটি হস্তক্ষেপ। আমাদের যে ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স, সেই ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সেও এটা এক ধরনের হস্তক্ষেপ, ইন্টারফারেন্স বলে আমরা করি পার্শ্ববর্তী দেশের। অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অথচ শেখ হাসিনা দিল্লিতে—এই সংবাদ যখন আমরা পেলাম, বাংলাদেশ সরকার পেয়েছে—সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অবহিত করেছে ভারতের সরকারকে। কিন্তু সেটিতে সাড়া না দিয়ে ভারত সরকার ৫ আগস্ট, শেখ হাসিনার পতনের দিন, পরিকল্পিতভাবে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দিয়েছে।

তিনি বলেন, যে গণবিপ্লবে দেড় হাজারেরও বেশি তরুণ-কিশোর শিক্ষার্থীর জীবন চলে গেল, তাদের রক্ত ঝরল রাজপথে বাংলাদেশে, এক ভয়ঙ্কর বিয়োগান্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে পালাতে বাধ্য হলো শেখ হাসিনা। এক ভয়ঙ্কর রক্তপিপাসু স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা—পার্শ্ববর্তী একটি দেশ, যেটি পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলে তারা নিজেরা দাবি করে, সেই দেশেই তাকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ওই দিন, যেদিন তার পতনের দিন, যেদিন ভয়ঙ্কর রক্ত ঝরানো পথ মাড়িয়ে বিপ্লব সাধিত হচ্ছে, সেই দিন তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে—এটা ষড়যন্ত্রমূলক।

ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের নিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নাইক্ষ্যংছড়িতে ৮৯ হাজার ৯১৬ ইয়াবা জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে ৮৯ হাজার ৯১৬ ইয়াবা জব্দ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৮৯ হাজার ৯১৬টি বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

বিজিবি জানায়, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধীনস্থ আশারতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৪৬ থেকে আনুমানিক পাঁচ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জারুলিয়াছড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে বিজিবির বিশেষ আভিযানিক দল সেখানে চোরাকারবারিদের দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে তারা একটি ব্যাগ ফেলে জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৮৯ হাজার ৯১৬টি বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির ইয়াবা উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকপাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি