খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার গঠনের প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার গঠনের প্রস্তাব

সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, সিঙ্গাপুর একটি বৈশ্বিক ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিঙ্গাপুরের একটি স্থানীয় হোটেলে বাংলাদেশ চেম্বার অব সিঙ্গাপুর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সিঙ্গাপুরে তাদের চলমান ব্যবসা, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমবাজারে সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের সভাপতি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে চেম্বার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। সম্প্রতি বিনিয়োগসংক্রান্ত একটি বিলও মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।

তিনি জানান, জনশক্তি রপ্তানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসংক্রান্ত বিষয়গুলো সমন্বয়ের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক উইং গঠন করা হয়েছে। এটি সরকারি ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, ওষুধ শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, পাট ও পাটজাত পণ্য সিঙ্গাপুরের বাজারে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় পণ্য হতে পারে। এ জন্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও কার্যকর নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে একটি যৌথ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার গঠনের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ডাটা সেন্টার স্থাপনকে সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ খাত হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, এফটিএ হলে ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে পারে।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনী আয়োজন, সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, ব্যাংক হিসাব খোলার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ব্যবসায়িক কর্মশালা ও বাণিজ্য মেলার আয়োজনের প্রস্তাব দেন।

এছাড়া, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, জাহাজ নির্মাণ শ্রমিক, আইটি পেশাজীবী, পরিবহন ও নির্মাণ খাতের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। তারা সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বয়স্কদের সেবাদান খাতকে সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, সিঙ্গাপুরে অভিবাসন ব্যয় অনেক বেশি। কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির অনিয়মের কারণে কর্মীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়। তারা স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকার কাজ করছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য টিভিইটি খাত সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

সভায় আইটি, ডাটা অ্যানালাইসিস, সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মতবিনিময় সভায় উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো লিখিতভাবে দিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী

স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের বাসভবনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা’র কোনো ছবি নেই। সেখানে ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। আজ খুবই চক্রান্তমূলকভাবে কোনটা বড় কোনটা ছোট এটা যাচাই করার চেষ্টা করছেন। এটাতে কোনো লাভ হবে না। এই জাতি স্বাধীনতা রক্ষা করতে জানে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পাঁতানো নির্বাচনের পর থেকে একই পন্থায় ক্ষমতা ধরে রেখেছিলো একটি বড় দল। বর্তমানে তারা পার্শ্ববর্তী দেশকে আকড়ে ধরে দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করেছে দলটি। তাদের বীরত্বের কোন ইতিহাস নেই, আছে শুধু দালালীর ইতিহাস। ৭১ এ পাকিস্তানিদের সাথে আঁতাত ও পরবর্তীতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দেশের ক্ষতি করেছে জামায়াত। ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু করেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৭১-এর পাল্লাকে ছোট করে দেখাচ্ছে তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের দাঁড়িপাল্লা আঁকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ৭১ কে হালকা করে দেখিয়েছে। এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একাত্তরের চেতনা আমাদের বুকের মধ্যে ছিল বলেই আমাদের সন্তানেরা ’২৪-এ শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে তাড়িয়ে দিয়েছে।

এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এসএকে

কালো ধোঁয়ায় নগরবাসীর নিঃশ্বাস ভারী, ডিএমপির ৯১৫ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
কালো ধোঁয়ায় নগরবাসীর নিঃশ্বাস ভারী, ডিএমপির ৯১৫ মামলা

রাজধানীর সড়কে কালো ধোঁয়া ছড়ানো যানবাহনের কারণে বাড়ছে পরিবেশদূষণ। নগরবাসীর স্বস্তির নিঃশ্বাস নিশ্চিত করতে এমন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

এরই ধারাবাহিকতায় গত জুলাই মাসে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে ৯১৫টি মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পরিবেশদূষণ রোধ এবং সড়কে চলাচলকারী যানবাহন থেকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জুলাই মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে ৯১৫টি মামলা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জুলাই মাসে ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩৫৪টি, লালবাগ বিভাগে ৪টি, ওয়ারী বিভাগে ১৭২টি, তেজগাঁও বিভাগে ১৩১টি, মিরপুর বিভাগে ৩৬টি, উত্তরা বিভাগে ১২৮টি এবং গুলশান বিভাগে ৫৬টি মামলা করা হয়েছে।

পরিবেশদূষণ কমিয়ে নগরবাসীর জন্য নির্মল ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

তথ্য উপদেষ্টা

অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও একটি নির্দিষ্ট সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া ব্রিফিং এবং সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য থেকে বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তার বক্তব্যের পর বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতিতেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই– এমন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টির সঙ্গে ভারতের কোনো না কোনো পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থনের প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুনভাবে বিন্যাস বা ‘রিঅ্যালাইনমেন্ট’-এর প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি