খুঁজুন
                               
, ,
           

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়লেন তানজিদ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়লেন তানজিদ

কাল পেসার হাসান মাহমুদের দাপট, আজ বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের আলোচনার কেন্দ্রে তানজিদ হাসান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে বাঁহাতি এই ওপেনার জানিয়ে দিলেন—টেস্ট ক্রিকেটেও তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে প্রস্তুত।

ডারউইনের সবুজ উইকেটে প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও শন অ্যাবটদের মতো অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামলে ১৯৭ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ। ১৮৮ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে গড়েছেন নতুন এক ইতিহাস—অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান তিনি।

গত মে মাসে সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তানজিদের। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি এরই মধ্যে নিজেকে পরিচিত করে ফেলেছেন। ৪০ ওয়ানডেতে একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে ৯টি ফিফটি। ৫৩ টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ১৩টি ফিফটি। টেস্টে দেখার অপেক্ষা ছিল, এই সংস্করণে তিনি কতটা মানিয়ে নিতে পারেন।

ডারউইনে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তানজিদ ব্যাট হাতেই।

মুমিনুল হকের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে তাঁর ১০২ রানের জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে শক্ত ভিত দেয়। এরপর নাজমুল হোসেনের সঙ্গে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেন তিনি। ড্রাইভ, পেছনের পায়ে ভর করে পাঞ্চ কিংবা ওয়েবস্টারকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে মারা ছক্কা—সবকিছুতেই ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ।

তানজিদের প্রথম ৫০ রান আসে ১০২ বলে, পাঁচটি চারে। পরের ৫০ রান করতে মাত্র ৮৬ বল খেলেন তিনি। এই সময়ে মেরেছেন আরও তিনটি চার ও একটি ছক্কা। সেঞ্চুরি করার পর ১০১ রানেই থামতে হয় তাঁকে।

তাঁর সেঞ্চুরির আরেকটি বিশেষত্ব, এটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ডও অক্ষত থাকল। মুমিনুলের সঙ্গে তানজিদের ১০২ রানের জুটি অল্পের জন্য ভাঙতে পারেনি ২০০৩ সালে কেয়ার্নসে হাবিবুল বাশার ও হান্নান সরকারের গড়া ১০৮ রানের রেকর্ড।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে শেষ করার পর বাংলাদেশ আগের দিনই ১ উইকেটে ৯৬ রান করেছিল। দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মুমিনুল ও তানজিদ মিলে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের আরও চাপে ফেলেন। অথচ প্রথম দিনের শেষে স্টিভেন স্মিথ বলেছিলেন, ডারউইনের উইকেট ‘ট্রিকি’ এবং বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং সহজ হবে না।

তবে তানজিদের ব্যাটিংয়ে সেই ‘ট্রিকি’ উইকেটের ছাপ খুব একটা দেখা যায়নি। গতি, বাউন্স, সুইং কিংবা অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডারদের কথার চাপ—কোনোটিই যেন তাঁর মনোযোগ নষ্ট করতে পারেনি।

মজার ব্যাপার, তানজিদের সেঞ্চুরিতে স্মিথেরও সামান্য অবদান আছে। ব্যক্তিগত ৬২ রানের সময় স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন তানজিদ। কিন্তু সেটি নিতে পারেননি স্মিথ। শেষ পর্যন্ত সেই জীবনই কাজে লাগিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাংলাদেশের ওপেনার।

ডারউইনের ‘ট্রিকি’ উইকেটে তাই শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা উইকেট নিয়ে নয়, বরং তানজিদের ব্যাটিং নিয়েই—দ্বিতীয় টেস্টেই যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বমানের বোলিং সামলেছেন, তাতে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন এক নির্ভরতার নাম হয়ে উঠতে যাচ্ছেন কি না, সেই আলোচনাই এখন সবচেয়ে বেশি।

কালের আলো/এসএ

জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

ঢাকাই সিনেমার অন্যতম সফল ও কালজয়ী নায়ক জসিমের জন্মদিন আজ। খলনায়ক থেকে নায়ক, মুক্তিযোদ্ধা থেকে প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমুখী প্রতিভার এই শিল্পী বাংলা চলচ্চিত্রে রেখে গেছেন অনন্য অবদান।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে রুপালি পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন জসিম। বিশেষ করে অ্যাকশনধারার সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দর্শকের কাছে তিনি মূলত নায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়েছিল খলনায়ক হিসেবে।

নায়ক জসিমের আসল নাম আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন। ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে আসার আগে জসিম ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের অধীনে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় তার চলচ্চিত্রজীবন।

১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ১৯৭৭ সালে ‘দোস্ত দুশমন’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান।

খলনায়ক হিসেবে সাফল্যের পর ধীরে ধীরে নায়ক হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেন জসিম। **‘সবুজ সাথী’**সহ একাধিক সিনেমায় নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করেন তিনি।

৭০ ও ৮০-এর দশকে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি অ্যাকশন দৃশ্যেও ছিল আলাদা আকর্ষণ।

অভিনয়ের বাইরে চলচ্চিত্রের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন জসিম। তিনি ছিলেন প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক। বাংলা সিনেমায় অ্যাকশনধারাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তার অবদান বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

অল্প সময়ের ক্যারিয়ারেই নিজের অভিনয়শৈলী ও অ্যাকশননির্ভর চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন এই শিল্পী।

১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যান জসিম। তার আকস্মিক মৃত্যু বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ছিল বড় ক্ষতি।

তার স্মৃতি ধরে রাখতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) একটি শুটিং ফ্লোরের নামকরণ করা হয়েছে ‘জসিম ফ্লোর’।

মুক্তিযোদ্ধা, অভিনেতা, প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী জসিম আজও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্মরণীয় এক নাম। তার অভিনয় ও অ্যাকশননির্ভর সিনেমার স্মৃতি নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও তাকে পরিচিত করে রেখেছে।

কালের আলো/এসএ

বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-খ্যাত তারকা টাইলার ডাকওয়ার্থের মরদেহ তার নিজ বাসার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে টাইলারের মা জনি ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

গ্র্যান্ড ফর্কস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে টাইলারের নিচতলার প্রতিবেশীরা তাদের সিলিং দিয়ে পানি পড়তে দেখেন। পরে পুলিশ টাইলারের বাসায় গিয়ে বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তদন্তে তার মৃত্যুর পেছনে কোনো নাশকতা বা রহস্যজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

আকস্মিক মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মিনিয়াপলিসে অনুষ্ঠিত ‘দ্য চ্যালেঞ্জ ম্যানিয়া ইভেন্টে’ অংশ নিয়েছিলেন টাইলার। সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে তোলা ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন তিনি।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে রিয়ালিটি শো অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০০৬ সালে এমটিভির রিয়ালিটি শো ‘দ্য রিয়েল ওয়ার্ল্ড: কি ওয়েস্ট’-এর মাধ্যমে টেলিভিশন জগতে পরিচিতি পান টাইলার ডাকওয়ার্থ। সাঁতারু হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল।

পরবর্তী সময়ে ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-এর একাধিক আসরে অংশ নিয়ে রিয়ালিটি শোপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তবে শোবিজের বাইরেও তার আরেকটি পরিচয় ছিল—তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

৪৪ বছর বয়সে টাইলারের আকস্মিক মৃত্যু তার সহকর্মী ও ভক্তদের জন্য গভীর শোকের সংবাদ হয়ে এসেছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্ট পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানা যাবে।

কালের আলো/এসএ

একসময় মঞ্চ অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকও ছিলেন মির্জা ফখরুল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
একসময় মঞ্চ অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকও ছিলেন মির্জা ফখরুল

রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনে নাটক ও সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর নাটকের হাতেখড়ি হয় ফণী ভূষণ পালদের কাছে।

শুধু অভিনয় নয়, তিনি নাটক পরিচালনাও করেছেন। তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো—ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা রহমান (আবদুর রহমান) ও আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একই মঞ্চে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা তাঁর ছিল। রহমান আবার তাঁর মামাতো ভাই।

মির্জা ফখরুলের জীবনে শিক্ষকতা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি—তিনটি ক্ষেত্রই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে কোনটি বেশি উপভোগ্য—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংস্কৃতির জগতকেই বেছে নিয়েছিলেন।

অর্থাৎ, বিএনপির মহাসচিব ও রাজনীতিবিদ হিসেবে যে মির্জা ফখরুলকে মানুষ চেনে, তাঁর জীবনে একসময় মঞ্চের অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকের পরিচয়ও ছিল। সেই সাংস্কৃতিক অধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই অজানা থেকে গেছে।

রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনে নাটক ও সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর নাটকের হাতেখড়ি হয় ফণী ভূষণ পালদের কাছে।

শুধু অভিনয় নয়, তিনি নাটক পরিচালনাও করেছেন। তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো—ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা রহমান (আবদুর রহমান) ও আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একই মঞ্চে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা তাঁর ছিল। রহমান আবার তাঁর মামাতো ভাই।

মির্জা ফখরুলের জীবনে শিক্ষকতা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি—তিনটি ক্ষেত্রই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে কোনটি বেশি উপভোগ্য—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংস্কৃতির জগতকেই বেছে নিয়েছিলেন।

অর্থাৎ, বিএনপির মহাসচিব ও রাজনীতিবিদ হিসেবে যে মির্জা ফখরুলকে মানুষ চেনে, তাঁর জীবনে একসময় মঞ্চের অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকের পরিচয়ও ছিল। সেই সাংস্কৃতিক অধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই অজানা থেকে গেছে।

কালের আলো/এসএ