খুঁজুন
                               
, ,
           

‘ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়’, ইনফান্তিনোর পদত্যাগের চাপ বাড়ছে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
‘ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়’, ইনফান্তিনোর পদত্যাগের চাপ বাড়ছে

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। এবার ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং এশিয়ার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা—উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এএফসি—যৌথভাবে খোলা চিঠি দিয়ে ফিফা সভাপতির নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনা করেছে। চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, ‘ফুটবল কোনো ব্যক্তির একক সম্পত্তি নয়।’

শুধু সমালোচনাই নয়, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগও তুলেছে তিন মহাদেশীয় সংস্থা। যদিও চিঠিতে সরাসরি ফিফা সভাপতির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তিন সংস্থার সভাপতি ও মহাসচিবদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) প্রস্তাব ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়েছে, এর মূল প্রশ্ন ছিল ফুটবলের সততা এবং খেলাটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচিত কর্মকর্তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা।

প্রস্তাবিত এফএফই প্রকল্পের আওতায় বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিটিং স্বত্ব দেখভালের জন্য নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ছিল। সেই প্রতিষ্ঠানের ২১ শতাংশ শেয়ার একটি বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির প্রস্তাবও ছিল।

তবে এএফসি, কনক্যাকাফ ও উয়েফার তীব্র বিরোধিতার মুখে গত ১ আগস্ট পরিকল্পনাটি বাতিল করে ফিফা। এ বিরোধিতায় সবচেয়ে সরব ছিল উয়েফা। এমনকি ফিফার সব প্রতিযোগিতা বর্জনের হুমকিও দিয়েছিল ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

যৌথ চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘প্রতারণার মাধ্যমে যখন বিশ্বাস ভঙ্গ করা হয় এবং কোনো ব্যক্তি যখন দায়িত্ব পেয়ে নিজেকে সবার ওপরে স্থান দেন, তখন তিনি মূলত নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যকেই বিসর্জন দেন।’

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ফুটবলের নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি ক্ষমতা আঁকড়ে ধরা কিংবা ক্ষমতার জোর দেখানোর বিষয় নয়। যে ফুটবল পরিবার দায়িত্ব দিয়েছে, তাদের সেবা করার একটি আমানত এটি।’

চিঠিতে ইনফান্তিনোর নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও বিবিসি স্পোর্টকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, এটি ফিফা সভাপতির জন্য ‘সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগের’ সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারানোর কথা আগেই জানিয়েছিল উয়েফা। নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনও তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে। খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিফপ্রো তার বিরুদ্ধে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহারের’ অভিযোগ তুলেছে। ইনফান্তিনো ক্ষমা চাইলেও বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি উয়েফা।

তীব্র সমালোচনার মধ্যেই আগামী মার্চে মরক্কোর রাবাতে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের জন্য লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইনফান্তিনো। তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন কনক্যাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি। নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে হবে।

প্রায় ১০ বছর ধরে ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থাকা সুইস-ইতালীয় এই আইনজীবীর অবশ্য সমর্থনের ঘাটতি নেই। মরক্কোয় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ফিফার শীর্ষ নির্বাহীরা তার নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল ও আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)ও তার পাশে রয়েছে। আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে, কাতার ও কুয়েতের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি।

এর মধ্যেই গত শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা দাবি করে, ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ইনফান্তিনোকে ‘দুর্বল করার জন্য একটি সুসংগঠিত ও নিরবচ্ছিন্ন চক্রান্ত’ চলছে। তবে ফিফা সভাপতির নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে বলেও জানানো হয়।

তিন মহাদেশীয় সংস্থা অবশ্য মরক্কোয় ইনফান্তিনোর পাওয়া সমর্থনকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ। যৌথ চিঠিতে তারা প্রশ্ন তুলেছে, জুরিখে ফিফার সদর দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুখোমুখি না হয়ে এবং পূর্ণ কমিটির বৈঠক না ডেকে কয়েকজন সদস্যকে বিদেশে নিয়ে জরুরি বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েই বরং সন্দেহ আরও বাড়ানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ ফুটবলের কোনো অভিভাবকের হতে পারে না; বরং এটি এমন একজন ব্যক্তির আচরণ, যিনি মনে করেন ফুটবল তার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য।

এ ছাড়া ফিফা তাদের সহসভাপতি ও ২১১টি সদস্যদেশের কাছে পাঠানো চিঠিতে প্রক্রিয়াগত ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলেও উল্লেখ করেছে তিন সংস্থা। ফিফা বিষয়টিকে ‘যোগাযোগের ঘাটতি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও তিন মহাদেশীয় সংস্থার মতে, ফুটবলবিশ্ব এটিকে ‘বিচক্ষণতার চরম ব্যর্থতা’ হিসেবে দেখছে।

ফলে চতুর্থ মেয়াদে ফিফার সর্বোচ্চ পদে থাকার লড়াইয়ের আগেই নজিরবিহীন চাপের মুখে পড়েছেন ইনফান্তিনো।

কালের আলো/এসএ

এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং, কত জিপিএ পেলেন অভিনেত্রী?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং, কত জিপিএ পেলেন অভিনেত্রী?

অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ‘ফারহানা’ চরিত্রের অভিনেত্রী ইসরাত তিথি। উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি জিপিএ-৪ অর্জন করেছেন।

ইসরাত তিথি নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছিলেন। তবে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বোর্ডে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাওয়ার পরও পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন তিনি।

স্বল্প সময়ের মধ্যে নতুন বিভাগের পড়াশোনার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন ইসরাত। শুধু তাই নয়, টেস্ট পরীক্ষায় নিজের সেকশনে প্রথমও হয়েছিলেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনায় ইসরাতের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার। তিন বোনের মধ্যে ছোট ইসরাতের ফলাফল নিয়ে তার মেজো বোন সাফিনা বলেন, ‘ওর ফলাফলে আমরা অনেক খুশি। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও অনেক পরিশ্রম করেছে ও।’

ইসরাতের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে সাফিনা আরও বলেন, এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং করেছেন ইসরাত। এমনকি টেস্ট পরীক্ষার সময় কক্সবাজারে শুটিং শেষ করে সকাল ৮টায় ঢাকায় ফিরে সকাল ১০টায় পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল তাকে।

শুটিং সেটেও কাজের ফাঁকে বই নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছে ইসরাতকে। অভিনয় ও পড়াশোনার দুই ব্যস্ততা সামলে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

এসএসসির ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ইসরাত লিখেছেন, ‘সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ইসরাত তিথির এই সাফল্য তার পরিশ্রম ও অধ্যবসায়েরই প্রমাণ বলে মনে করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

কালের আলো/এসএ

‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে রাখি কাফনের কাপড়’: লাকি আলী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে রাখি কাফনের কাপড়’: লাকি আলী

নব্বইয়ের দশকে স্বাধীন ধারার সংগীতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করা গায়ক লাকি আলী। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য শ্রোতার ভালোবাসা পাওয়া এই শিল্পী সম্প্রতি এক কনসার্টে গিয়ে ভক্তদের আবেগে ভাসিয়েছেন। তবে গান ও স্মৃতিচারণার একপর্যায়ে মৃত্যু ও জীবনের নশ্বরতা নিয়ে তার করা একটি মন্তব্য মুহূর্তেই স্তব্ধ করে দেয় পুরো আসর।

৬৭ বছর বয়সী লাকি আলী কনসার্টের মঞ্চে দাঁড়িয়ে জানান, তিনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। এমনকি ভ্রমণের সময়ও সঙ্গে ইহরামের কাপড় রাখেন, যা তিনি নিজের কাফনের কাপড় হিসেবে উল্লেখ করেন।

ভক্তদের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে লাকি আলী বলেন, ‘আমি জানি, আমিও তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি। একদিন আমাদের সবাইকেই চলে যেতে হবে। আমি তোমাদের তার জন্য প্রস্তুত করছি না, তবে আমি নিজে প্রস্তুত। আমি যখনই ভ্রমণ করি, সঙ্গে ইহরাম রাখি, যেটি আমার কাফনের কাপড়। যেখানেই আমার মৃত্যু আসুক, সেখানেই আমাকে ছেড়ে দিও।’

শিল্পীর এমন আধ্যাত্মিক বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে ওঠে কনসার্টের পরিবেশ। একপর্যায়ে দর্শকসারির এক অনুরাগী আবেগ ধরে রাখতে না পেরে চিৎকার করে বলেন, ‘৩০ বছর হয়ে গেল। আমি লাকিকে কখনো ছাড়িনি।’

কনসার্টের এই আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও পরে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন লাকি আলী। ভিডিওটি প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রিয় শিল্পীর এমন বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে নানা মন্তব্য করেন ভক্তরা। কেউ তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন, আবার কেউ তার বক্তব্যের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।

নব্বইয়ের দশকে স্বাধীন ধারার সংগীতের মাধ্যমে ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে আলাদা পরিচয় তৈরি করেন লাকি আলী। কিংবদন্তি অভিনেতা মেহমুদের ছেলে হয়েও বলিউডের প্রচলিত ধারায় নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। বরং স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও গায়কির মাধ্যমে তৈরি করেছেন নিজের আলাদা শ্রোতাগোষ্ঠী।

‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’, ‘ইউভা’, ‘বাচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘আনজানা আনজানি’ ও ‘তামাশা’র মতো সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন লাকি আলী। তবে তার গাওয়া ‘ও সানাম’ গানটি এখনো সংগীতপ্রেমীদের কাছে সমান জনপ্রিয়।

২০১৫ সালের পর থেকে বলিউড ও মূলধারার বাণিজ্যিক সংগীত থেকে কিছুটা দূরে সরে নিজের মতো করে স্বাধীন সংগীতচর্চায় মনোনিবেশ করেন এই শিল্পী। ব্যক্তিগত জীবনেও নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। তিনবার বিয়ে করলেও কোনো সম্পর্কই স্থায়ী হয়নি। তবে সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সন্তানদের প্রতিও দায়িত্বশীল থেকেছেন বলে জানা যায়।

কালের আলো/এসএ

২০ কোটি পারিশ্রমিক নয়, সিনেমার প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
২০ কোটি পারিশ্রমিক নয়, সিনেমার প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর

বলিউডে তারকাদের পারিশ্রমিক নেওয়ার প্রচলিত ধরনে পরিবর্তন আসছে। সিনেমায় অভিনয়ের বিনিময়ে এককালীন বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার পাশাপাশি এখন অনেক তারকাই সিনেমার লাভ, স্বত্বাধিকার ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অংশীদার হচ্ছেন। এবার সেই পথেই হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর।

‘শার্ক ট্যাংক ইন্ডিয়া’খ্যাত উদ্যোক্তা অশনির গ্রোভারের জীবন নিয়ে নির্মিতব্য বায়োপিকে তার স্ত্রী মাধুরী জৈন গ্রোভারের চরিত্রে অভিনয় করার কথা রয়েছে শ্রদ্ধার। সিনেমাটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন রাহুল মোদি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য শ্রদ্ধাকে প্রায় ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ খবর বলছে, এককালীন এই বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার পরিবর্তে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন অভিনেত্রী।

এ ক্ষেত্রে শুরুতে নির্দিষ্ট কোনো পারিশ্রমিক না-ও নিতে পারেন শ্রদ্ধা। পরিবর্তে সিনেমার স্বত্ব, ওটিটি বিক্রি ও বক্স অফিস থেকে অর্জিত লাভের একটি নির্দিষ্ট অংশ পাওয়ার সুযোগ থাকবে তার। সিনেমাটি ব্যবসাসফল হলে এই মডেলে শ্রদ্ধার আয় প্রস্তাবিত ২০ কোটি রুপির চেয়েও বেশি হতে পারে।

বলিউডে অবশ্য এ ধরনের ব্যবসায়িক মডেল একেবারে নতুন নয়। সম্প্রতি অক্ষয় কুমারও এমন কাঠামো থেকে লাভবান হয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় তুলনামূলক কম পারিশ্রমিক নিয়ে সিনেমাটির বড় একটি অংশের স্বত্ব নিজের ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নামে রেখেছিলেন তিনি। সিনেমাটি সফল হওয়ার পর লাভের অংশ হিসেবে তার আয় ৩৫ কোটি রুপির বেশি হয়েছে বলে জানা যায়।

অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি শাহরুখ খান, আমির খান, সালমান খান, অজয় দেবগন ও রণবীর সিংয়ের মতো শীর্ষ তারকারাও শুধু নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভর না করে সিনেমার লাভের অংশীদার হওয়ার মডেলের দিকে ঝুঁকছেন। এতে সিনেমা সফল হলে তারকাদের আয়ের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ার সুযোগ থাকে। একই সঙ্গে সিনেমা ব্যবসায় প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলে ঝুঁকির অংশও নিতে হয় তাদের।

এদিকে শ্রদ্ধা কাপুর বর্তমানে তার পরবর্তী সিনেমা ‘ইথা’র শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। জানা গেছে, সিনেমাটির জন্য তিনি ১২ থেকে ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।

তবে অশনীর গ্রোভারের বায়োপিকের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধা শেষ পর্যন্ত ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেবেন, নাকি প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়ে সিনেমার লাভের অংশীদার হবেন—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে অভিনেত্রীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই নজর এখন।

কালের আলো/এসএ