খুঁজুন
                               
, ,
           

জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা বেশি: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা বেশি: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধরন কিছুটা ভিন্ন এবং অতীতে এসব নির্বাচনে সহিংসতা বেশি দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের মাথায় রয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ বিষয়ে এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এসময় অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাচন কমিশন অনেক শিক্ষা পেয়েছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের নির্বাচনের তুলনায় আরও ভালো করার চেষ্টা থাকবে। নির্বাচন কমিশন যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, তার নিচে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই; বরং সম্ভব হলে সেই মান আরও উন্নত করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে দুর্গাপূজা, বর্ষাকাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা এবং স্কুলশিক্ষকদের প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।

সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকার নির্ধারণ করবে না। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হবে, তবে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, বিষয়টি অযথা বিলম্বিত করার মতো নয় এবং সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা নিয়ে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধরন কিছুটা ভিন্ন এবং অতীতে এসব নির্বাচনে সহিংসতা বেশি দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের মাথায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীকে যথাযথভাবে মোতায়েন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা প্রস্তুতি নিলেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। পুলিশসহ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব বাহিনী ও সংস্থার প্রস্তুতিও প্রয়োজন। নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সিইসি জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং সে অনুযায়ী কমিশন কাজ করছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে বন্ধ সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে বন্ধ সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করতে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি এসেছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে কীভাবে ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়েও প্রস্তাব এসেছে। এর মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্যে গতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের উদ্যোগে আগামী দিনে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে কাজ করে যেতে হবে বলেও যোগ করেন তিনি।

ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত সফল। এই খাতে ভারত জিপার, মেশিনারি, বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে তিনি গর্ব অনুভব করেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে পারে।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছয় বছর পর আবারও জুটি অপূর্ব-শার্লিন, ‘নীলপরী’তে থাকছে চমক

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ছয় বছর পর আবারও জুটি অপূর্ব-শার্লিন, ‘নীলপরী’তে থাকছে চমক

প্রায় ছয় বছর পর আবারও জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও শার্লিন ফারজানা। মাসরিকুল আলমের পরিচালনায় নতুন নাটক **‘নীলপরী’**তে দেখা যাবে তাঁদের। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জিন্দা পার্কে সম্প্রতি নাটকটির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা।

শুটিংয়ের ফাঁকে নাটকটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অপূর্ব জানান, ‘নীলপরী’তে দর্শকদের জন্য বেশ কিছু চমক থাকছে। তাঁর ভাষায়, গল্পটি ‘ক্যাচি’ এবং শুরুতে দর্শকদের আকৃষ্ট করার মতো নানা উপাদান থাকলেও একপর্যায়ে গল্প ভিন্ন দিকে মোড় নেবে।

অপূর্ব ও শার্লিন এর আগে ‘ভালোবাসার ফানুশ’ নাটকে জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবার একসঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত দুজনই।

অপূর্ব বলেন, পুরোনো সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করার আনন্দই আলাদা। শার্লিনের সঙ্গে আগে থেকেই তাঁদের অভিনয়ের বোঝাপড়া তৈরি থাকায় নতুন করে রসায়ন তৈরির চাপ নেই বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে শার্লিন জানান, অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতির অন্যতম কারণ ছিল কাজের সেই ভালো লাগাটি মিস করা। অপূর্বর সঙ্গে আবার কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, অপূর্ব সহশিল্পীর অভিনয়ের জায়গাগুলোও খেয়াল করেন এবং প্রয়োজন হলে আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করেন।

শুটিংয়ের সময় অপূর্বর কাছ থেকে কোনো ধরনের ‘সুপারস্টারসুলভ’ আচরণ বা আধিপত্য অনুভব করেননি বলেও জানান শার্লিন। জবাবে অপূর্ব বলেন, ‘আমি তো নিজেকে সুপারস্টার মনেই করি না, ডমিনেট কী করতে যাব!’

এদিকে অভিনয়ের পাশাপাশি অপূর্বর সংগীতচর্চারও প্রশংসা করেন শার্লিন। তিনি জানান, অপূর্ব শুধু ভালো গানই করেন না, গান লেখাতেও তাঁর দারুণ দক্ষতা রয়েছে।

ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে বড় পর্দায় দেখার অপেক্ষায় থাকা দর্শকদের জন্যও রয়েছে নতুন খবর। অপূর্ব জানান, বর্তমানে চারটি সিনেমার গল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। চারটি সিনেমার গল্পই ভিন্ন ধরনের। তবে চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সিনেমাগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানাতে চান না তিনি।

শাকিব খানের সঙ্গে ভবিষ্যতে একই সিনেমায় কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন অপূর্ব। জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রস্তাব পাননি। তবে সুযোগ এলে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী তিনি।

কালের আলো/এসএ

ক্রম নিয়ে টানাপোড়েন শেষে তালিকায় এক নম্বরে মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
ক্রম নিয়ে টানাপোড়েন শেষে তালিকায় এক নম্বরে মঈন খান

অবশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করা হয়েছে বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা। নতুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে মন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে রাখা হয়েছে। আর প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রয়েছেন প্রথম অবস্থানে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মন্ত্রীদের তালিকা এবং ১১টা ১৪ মিনিটে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়। নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার তিন দিন পর ওয়েবসাইটে এই পরিবর্তন আনা হলো।

তালিকার ক্রম নির্ধারণ নিয়ে জটিলতার কারণেই হালনাগাদে বিলম্ব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। ব্যক্তির জ্যেষ্ঠতা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব ও পরিধি বিবেচনায় নিয়ে তালিকার অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আবদুল মঈন খানকে এক নম্বরে রাখার পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রয়েছেন দুই নম্বরে। এরপর যথাক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নাম রয়েছে।

নতুন চার মন্ত্রীর মধ্যে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ১৪ নম্বরে, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১৮ নম্বরে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ২৬ নম্বরে রয়েছেন। নতুন চারজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় মোট মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে স্থান পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রয়েছেন তিন নম্বরে। নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার তালিকার ২৪ নম্বরে অবস্থান করছেন।

এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় চারজন নতুন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মঈন খান, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাচিং প্রু জেরী ও আন্দালিভ রহমান পার্থ। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার শূন্য পদে দায়িত্ব পান ড. আবদুল মঈন খান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি