খুঁজুন
                               
, ,
           

বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে: জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে: জাহেদ উর রহমান

নতুন জাতীয় বেতনস্কেল কার্যকর হলে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে নতুন পে-স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন পে-স্কেলের কারণে বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতনস্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে নতুন স্কেলের কাছাকাছি চলে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

‘নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে’—এমন তথ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এতে সবার বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা তৈরি হতে পারে। বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী ইতোমধ্যে নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে নতুন স্কেলের কাছাকাছি বেতন পাচ্ছেন।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার নীতিগত বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। গড়ে পাঁচজন সদস্য হিসেবে প্রায় দুই কোটি মানুষ এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস ও টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিদ্যুতের সংকট কমে এলে বিনিয়োগ বাড়বে। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগও কমে আসবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সমন্বিত ও দক্ষ জনসেবাই ডিজিটাল রূপান্তরের মূল লক্ষ্য: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
সমন্বিত ও দক্ষ জনসেবাই ডিজিটাল রূপান্তরের মূল লক্ষ্য: আইসিটি মন্ত্রী

ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো বা সরকারি সেবা ডিজিটাল করা নয় বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সমন্বিত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করে উন্নত জনসেবা নিশ্চিত করা বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘ই-ইফেকটিভ ই-গভারমেন্টস: এসেলারটিং ই-গভারমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় ডেটা গভর্ন্যান্স, ডিজিটাল রূপান্তর এবং ন্যাশনাল রিসপনসিবল ডেটা এক্সচেঞ্জ (এনআরডিইএক্স) প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এ সেমিনারের আয়োজন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। ই-গভর্ন্যান্স একাডেমির (ইজিএ) সহযোগিতায় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের Global Gateway Initiative-এর অর্থায়নে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের আলাদা আলাদা ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকলেই ডিজিটাল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। একই তথ্য নাগরিকের কাছ থেকে বারবার সংগ্রহ এবং একই ধরনের প্রযুক্তি সক্ষমতা একাধিক প্রতিষ্ঠানে তৈরি না করে Common Capability, Interoperability ও National Data Exchange ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছে। নাগরিকদের কাছ থেকে একই তথ্য বারবার না নিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও অনুমোদিত উপায়ে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, Interoperability শুধু প্রযুক্তিগত বিষয় নয়। এর সঙ্গে সুশাসন, অভিন্ন মানদণ্ড, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিষয়ও জড়িত। তাই একই ধরনের ডিজিটাল ব্যবস্থা বারবার তৈরি না করে অভিন্ন অবকাঠামো ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, দায়িত্বশীলতা ও সুস্পষ্ট নীতিমালা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রকল্পে পুনরাবৃত্তি কমিয়ে যৌথভাবে ব্যবহারযোগ্য জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নাগরিকের কাছে সরকার কোনো বিচ্ছিন্ন মন্ত্রণালয় বা ডেটাবেজের সমষ্টি নয়, বরং একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। এ কারণে সরকারি ডিজিটাল ব্যবস্থাগুলোকে Connected Ecosystem হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা সরকারি সেবায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি নাগরিকের আস্থাও বৃদ্ধি করবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ডেটা ব্যবস্থাপনা, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং নিরাপদ তথ্য বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আইন ও নীতিমালা, নিরাপদ কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি এবং ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার কাজ করবে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো, নিরাপদ ডেটা বিনিময় ও উন্মুক্ত API নিশ্চিত করে তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ খাতে প্রতি বছর ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সঠিক নীতি, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে সমন্বিত ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সরকারের ক্ষেত্রে ডেটার মালিকানা, দায়িত্বশীলতা ও আস্থা এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি দলের হেড অব ইউনিট ও হেড অব কো-অপারেশন মাইকেল ক্রেইজা, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ও e-ffective e-governance প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিক, e-Governance Academy Management Board-এর সদস্য ইনগ্রিড টুনেকুর্গ, eGA-এর Head of Digital Architecture and Solutions Competence Centre আরভো অট, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব ফারাহ শাম্মী এনডিসি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

সম্প্রতি প্রবাস ফেরত যাত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার হন বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্ত। এ ঘটনার পর তাদেরকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক শিবলী সাদিক শিবলু বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান লিপকন গতকাল এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে কোনরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে বিদেশ ফেরত এক যাত্রী ২০০ গ্রাম স্বর্ণ এনেছিলেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস ১০০ গ্রাম আটকে দেয়। পরে বাকি ১০০ গ্রাম নিয়ে তিনি তার গ্রামের বাড়িতে মাইক্রোযোগে যাচ্ছিলেন। পথে বিমানবন্দর সড়কের বলাকা ভবনের সামনে তাদের গাড়ি আটকে দেয় শান্ত ও রউফ এবং রিপনের লোকজন। তারা যাত্রীর কাছ থেকে জোর করে সেই ১০০ গ্রাম স্বর্ণ ছিনতাই করে নেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিমানবন্দর থানায় পাঁচ জনের নামে একটি ছিনতাই মামলা করেন। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সন্ধানী বার্তা/আরডি/এমডিএইচ

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: তারেক রহমান

প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সাক্ষাৎ করতে গেলে সরকারপ্রধান এ কথা বলেন।

সাক্ষাতে তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি। এ সময় আমাদের দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।’

তারেক রহমান বলেন, তার সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

আইপিইউ সেক্রেটারি বলেন, আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।

সাক্ষাতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ বলেন, তারা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ