খুঁজুন
                               
, ,
           

দুর্গম কয়রায় বিনামূল্যে চিকিৎসা, ভাসমান হাসপাতালে রোগীর ঢল

কয়রা(খুলনা)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
দুর্গম কয়রায় বিনামূল্যে চিকিৎসা, ভাসমান হাসপাতালে রোগীর ঢল

খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে ‘কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ’ ভাসমান হাসপাতাল। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে শত শত মানুষ চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিনামূল্যের ওষুধ নিতে হাসপাতালটিতে ভিড় করছেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়নি গ্রামে শাকবাড়িয়া নদীতে নোঙর করা হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই রোগীদের দীর্ঘ সারি। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, আবার কেউ একাই চিকিৎসা নিতে এসেছেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের সামনে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালটিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিদিনই কয়রার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে মানুষ আসছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এ সেবা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

কয়রা সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামের জাহানারা পারভীন পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তিনি জানান, এখানে ভালো চিকিৎসা দেওয়া হয় শুনেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এসেছেন।

বাগালী ইউনিয়নের বামিয়া গ্রামের বয়স্ক রোগী লতিকা ঘোড়ামীও চিকিৎসা নিতে এসেছেন। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও পেয়েছেন তিনি।

হাসপাতালটিতে সাধারণ রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি দাঁত ও চোখের চিকিৎসা, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ১৭০ থেকে ১৮০ জন রোগী এখানে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। গত ১৫ জুলাই মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়নি গ্রামে হাসপাতালটি নোঙর করা হয়। একজন মেডিকেল অফিসার, দুজন সহকারী, চারজন টেকনোলজিস্ট, একজন ফার্মাসিস্টসহ মোট ২২ জন কর্মী হাসপাতালে কাজ করছেন।

ফ্রেন্ডশিপের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফিরোজ আক্তার বলেন, হাসপাতালটি এলাকায় তিন থেকে চার মাস অবস্থান করবে। এ সময়ে কয়রার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কয়রার দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য উপজেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। যাতায়াতের সমস্যার কারণে অনেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হন। এসব মানুষের কথা বিবেচনা করেই ভাসমান হাসপাতালের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী বলেন, উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় কয়রার অনেক মানুষের নিয়মিত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে কয়েক মাসের জন্য হলেও ভাসমান হাসপাতালের সেবা স্থানীয়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালটি আরও কিছুদিন এলাকায় থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের আরও মানুষ চিকিৎসার আওতায় আসবেন বলে আশা করেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. তিতুমীর বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণে সরকার ‘পুনরুদ্ধার, পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পুনর্গঠন’—এই তিন ‘আর’ কৌশলের ভিত্তিতে নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্পের বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে একটি প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।

সম্মেলনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তর এবং সম্ভাবনাময় দেশীয় স্টার্টআপের জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগ তৈরিতেও প্রবাসী পেশাজীবীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ড. তিতুমীর।

তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত যোগাযোগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত সাফল্যকে বাংলাদেশের জন্য সম্মিলিত সম্ভাবনায় রূপান্তরের আহ্বান জানান তিনি।

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের সভাপতি প্রকৌশলী মনির জামানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ডেবি ডিঙ্গেল ও মিশিগান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মেগান ক্যাভানাহ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও স্থপতিরা সম্মেলনে অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-লুট: ৯ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২ ট্রাক মালামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-লুট: ৯ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২ ট্রাক মালামাল

রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ডিএমপি জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই রাতে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রবেশ করেন। তারা দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ থেকে মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যান।

লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

১৯৭৪ সাল থেকে সেবা

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি ১৯৭৪ সালে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের মাতৃ ও শিশুসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের টিকাদান, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল।

হামলার ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির কার্যক্রম ও অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বছরের পর বছর সংস্কার নেই, ঝুঁকিপূর্ণ মাধবপুরের সেতু

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
বছরের পর বছর সংস্কার নেই, ঝুঁকিপূর্ণ মাধবপুরের সেতু

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া খালের ওপর নির্মিত পুরোনো সেতুটি দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুটির বিভিন্ন পিলার ও বিমের কংক্রিট খসে পড়ে লোহার রড বেরিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন উন্মুক্ত থাকায় রডগুলোতে মরিচা ধরেছে। এতে সেতুটি দিয়ে চলাচলকারী শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক ও পথচারীদের মধ্যে দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি সেতুটি ঘুরে দেখা যায়, একাধিক পিলার ও বিমের সিমেন্টের আস্তরণ খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও পিলারের লোহার রড পুরোপুরি বেরিয়ে গেছে। বিশেষ করে সেতুর নিচের অংশের রডে ব্যাপক মরিচা ধরেছে। বিভিন্ন স্থানে কংক্রিট ভেঙে পড়ায় সেতুটির কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিকসহ শত শত মানুষ চলাচল করেন। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সেতুটি কেঁপে ওঠে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

হরিশ্যামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশীদ বলেন, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সেতু কেঁপে ওঠে। দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে আগেই সেতুটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

তিনি দ্রুত সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুরোনো সেতুটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর যথাযথ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সেতুটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির আগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের মতে, তাৎক্ষণিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ সংস্কারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য পুরোনো সেতুর স্থলে নতুন সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।

মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. শামস্ জাবেদ বলেন, তিনি কিছুদিন আগে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তাই সেতুটির আগের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেতুটির বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি