খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

বিরল রোগসহ কয়েকটি বিশেষ চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ও এসব ওষুধ তৈরির সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে বাংলাদেশ, ভারতসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের জন্য শূন্য শতাংশ পণ্যভিত্তিক শুল্কের সুবিধা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের প্রকাশিত তালিকায় এসব দেশ ও অঞ্চলের নাম রয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ পণ্যভিত্তিক শুল্ক কার্যকরের প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে নির্দিষ্ট যোগ্য পণ্য এই শুল্কের আওতার বাইরে থাকবে।

যেসব ওষুধে শূন্য শুল্ক

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের নোটিশ অনুযায়ী, শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত নির্ধারিত ওষুধ। এর পাশাপাশি বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, কোষভিত্তিক চিকিৎসা, জিনভিত্তিক চিকিৎসা এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট (ADC) ধরনের ওষুধও এই সুবিধার আওতায় রয়েছে।

নির্দিষ্ট প্রাণী চিকিৎসার ওষুধও শূন্য শুল্কের সুবিধা পাবে। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

তালিকায় বাংলাদেশ-ভারতসহ ২০ দেশ

শূন্য শুল্কের সুবিধা পাওয়া দেশ ও অঞ্চলগুলো হলো—বাংলাদেশ, ভারত, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্কের সুবিধা পেতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তির বিষয়টিও ছাড় দেওয়ার ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১০০ শতাংশ শুল্কের আওতায় কোন ওষুধ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোর আওতায় নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিধান রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে এই শুল্ক ৩১ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে। অন্য যেসব কোম্পানি নতুন ব্যবস্থার আওতায় পড়বে, তাদের ক্ষেত্রে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে সাধারণ জেনেরিক ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির সংশ্লিষ্ট উপাদান এই শুল্কের আওতায় পড়ছে না বলে বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর নতুন শুল্ক কাঠামো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২ এপ্রিলের ঘোষণার ধারাবাহিকতায় পেটেন্ট করা ওষুধ, জীবপ্রযুক্তিতে তৈরি ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদানের আমদানিতে শুল্ক কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ উৎপাদন বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

নতুন নোটিশে ‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেল’ বলতে কী বোঝানো হবে, সেটিও আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রস্তুত ওষুধ, সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান এবং ওই উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামাল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পেটেন্টবিহীন প্রাণী চিকিৎসার পণ্যগুলোকে জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের সংজ্ঞার আওতায় স্পষ্টভাবে যুক্ত করা হয়েছে।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় একদিকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হচ্ছে, অন্যদিকে বিরল রোগ, বন্ধ্যত্ব, কোষ ও জিনভিত্তিক চিকিৎসাসহ কয়েকটি বিশেষ চিকিৎসায় ব্যবহৃত যোগ্য ওষুধ ও তাদের উপাদান ২০টি নির্দিষ্ট দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানির ক্ষেত্রে শূন্য শতাংশ শুল্কের সুবিধা পাচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) প্রকাশ করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এবারের তালিকায় বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে এবার মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ৮০১-১০০০ ব্যান্ডে নেই। দুটিই ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

৮০১-১০০০ ব্যান্ডে চার বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৮০১ থেকে ১০০০ ব্যান্ডে যৌথভাবে রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)।

এর পরের ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবিএটি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

THE-এর পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় পেজেও ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যান্ড দেখানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১২০১-১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

১২০০-এর পর আরও ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়

১২০১ থেকে ১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

১৪০১ থেকে ১৬০০ ব্যান্ডে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া ১৮০১ থেকে ২০০০ ব্যান্ডে রয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘রিপোর্টার’ তালিকায়

র‍্যাঙ্কিংয়ে অংশ নিলেও মূল র‍্যাঙ্ক পাওয়ার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাংলাদেশের আরও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল তালিকায় র‍্যাঙ্ক পায়নি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

THE-এর পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল র‍্যাঙ্কিংয়ের বাইরে ‘রিপোর্টার’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।

যে সূচকে মূল্যায়ন

টাইমস হায়ার এডুকেশনের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষাদান, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার মান, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। ২০২৭ সালের সংস্করণে নতুন ও আরও বিস্তারিত র‍্যাঙ্কিং ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

এবারের বৈশ্বিক তালিকায় যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় টানা ১১তমবারের মতো প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি।

কালের আলো/এসএ

কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

চলতি বছরের প্রথম আট মাসে কানাডা থেকে ৩৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়েছে।

কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)-এর ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

ফেরত পাঠানোর তালিকায় শীর্ষে ভারত

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলতি বছরে কানাডা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ হাজার ৮৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশভিত্তিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ভারতের—৪ হাজার ২২৭ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটির ২ হাজার ২৮২ জন নাগরিককে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬০১ জন, কলম্বিয়ার ৫৮০ জন, হাইতির ৫৩৫ জন এবং রোমানিয়ার ৪৩৩ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

প্রথম ছয় মাসে ২২৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর তথ্য ছিল। তখন দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে ছিল। আগস্ট শেষে বাংলাদেশি নাগরিক ফেরত পাঠানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ জনে।

আরও ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি অপসারণ প্রক্রিয়ায়

কানাডা থেকে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা বিদেশি নাগরিকদের তালিকাতেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ৫৩৬ জন বিদেশি নাগরিক অপসারণ প্রক্রিয়ায় ছিলেন।

এ তালিকায় ভারতের নাগরিক ১০ হাজার ২৯৫ জন এবং মেক্সিকোর ৬ হাজার ১০২ জন। বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ জন, যা দেশভিত্তিক তালিকায় অষ্টম অবস্থান।

সিবিএসএর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কানাডায় যাদের অপসারণের আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অপসারণ কার্যকর করা হয়। বিভিন্ন ধরনের রিমুভাল অর্ডারের মধ্যে ডিপোর্টেশন, ডিপারচার ও এক্সক্লুশন অর্ডার রয়েছে।

অভিবাসন আইন ভঙ্গ প্রধান কারণ

সিবিএসএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইন না মানার বিষয়টি অন্যতম প্রধান কারণ। আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন—এমন ১২ হাজার ৫ জনকে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া আশ্রয়প্রার্থী নন, এমন আরও ১ হাজার ৭৯৪ জনের ক্ষেত্রেও অভিবাসনসংক্রান্ত আইন ভঙ্গকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ৮৯৭ জন এবং ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে ৮৮ জনকে কানাডা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, দেশটির সীমান্ত ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় যাদের কানাডায় থাকার আইনগত অধিকার নেই, তাদের অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে সিবিএসএ ২২ হাজার ৫০০-এর বেশি অযোগ্য বা অননুমোদিত বিদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণ করেছিল।

কালের আলো/এসএ

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস অয়েলের নতুন দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়েছে বিইআরসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা। নতুন দাম কার্যকর হলে প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বেড়ে তা ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সায় দাঁড়াবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি