রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অননুমোদিত চার্জিং পয়েন্ট। বর্তমানে ঢাকায় আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, প্রতিটি অটোরিকশা চার্জে দৈনিক ৮ থেকে ১২ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। সে হিসাবে সর্বনিম্ন হিসাবেও এসব যান চার্জ দিতে প্রতিদিন প্রায় ৯৬ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ প্রয়োজন, যার মূল্য প্রায় ৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।
এই বিপুল বিদ্যুৎ ব্যবহারের বড় অংশ হচ্ছে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশনের বাইরে। রাজধানীতে প্রায় ৪৮ হাজার অবৈধ চার্জিং স্টেশন রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসবের অনেকগুলো গড়ে উঠেছে আবাসিক এলাকা, সরু গলি ও টিনশেড গ্যারেজে। কোথাও আবাসিক মিটারের সংযোগে বাণিজ্যিকভাবে রিকশা চার্জ দেওয়া হচ্ছে, কোথাও আবার বিদ্যুতের মূল লাইন থেকে সরাসরি সংযোগ নেওয়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে।
- ঢাকায় ১০–১২ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা
- ৪৮ হাজার অবৈধ চার্জিং স্টেশন
- আবাসিক মিটারে বাণিজ্য
- অভিযানের পরও থামছে না অনিয়ম
রাজধানীর মুগদা, মান্ডা, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর ও রায়েরবাজারের কয়েকটি গ্যারেজ ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। কয়েকটি গ্যারেজে বৈদ্যুতিক যান চার্জিংয়ের জন্য আলাদা মিটার থাকলেও তা ব্যবহার না করে আবাসিক সংযোগে রিকশা চার্জ দেওয়ার তথ্য মিলেছে। তেজগাঁওয়ে বিদ্যুতের মূল লাইন থেকে সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে।
অটোরিকশার এই অনিয়ন্ত্রিত চার্জিং শুধু বিদ্যুৎ চুরি ও রাজস্ব ক্ষতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ব্যাটারি চার্জ দেওয়ায় স্থানীয় ট্রান্সফরমার ও বিতরণ লাইনে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি এসব গ্যারেজকে ঘিরে মাদক কেনাবেচা, সেবন, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ফলে স্বল্প দূরত্বে কম ভাড়ার জনপ্রিয় বাহনটি এখন নগরের বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ তৈরি করেছে।
১২ লাখ অটোরিকশা, নেই নির্ভরযোগ্য হিসাব
রাজধানীতে ঠিক কতটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে, তার হালনাগাদ ও নির্ভুল সরকারি পরিসংখ্যান নেই। বিআরটিএর হিসাব উদ্ধৃত করে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশে ৬০ লাখের বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় চলছে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লাখ। তবে কোন এলাকায় কতটি রিকশা চলছে, কতটি গ্যারেজে চার্জ হচ্ছে, কতটি নিবন্ধিত বা বৈধ—এসব তথ্য এক জায়গায় নেই।
ফলে যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত রুট ঠিক করা কিংবা চার্জিং অবকাঠামোর প্রয়োজন নির্ধারণ—কোনোটিই নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা যাচ্ছে না। ঢাকা মহানগর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতারা দাবি করছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাজধানীতে অটোরিকশার সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। তাঁদের হিসাবে, আগে সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ রিকশা থাকলেও এখন তা ১০ থেকে ১২ লাখে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিদিন ৯৬ লাখ ইউনিটের হিসাব
বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জে দৈনিক ৮ থেকে ১২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ১২ লাখ রিকশার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৮ ইউনিট ধরলেও প্রতিদিন প্রয়োজন প্রায় ৯৬ লাখ ইউনিট। এর মূল্য প্রায় ৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এটি মোট সম্ভাব্য ব্যবহারের হিসাব; এর সবটাই যে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এমন দাবি করার সুযোগ নেই। তবে বৈধ ও অবৈধ—দুই ধরনের চার্জিং মিলিয়ে এই বিপুল চাহিদা যে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি করছে, তা স্পষ্ট।
জাতীয় সংসদে দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন চাকার যান দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করছে। অবৈধ ও অনানুষ্ঠানিকভাবে চার্জ দেওয়ার কারণে সরকারের বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
বৈধ স্টেশন ৩,৩০০, অবৈধ প্রায় ৪৮ হাজার
চার্জিং ব্যবস্থার চিত্রে সবচেয়ে বড় অসামঞ্জস্য দেখা যায় অনুমোদিত ও অননুমোদিত স্টেশনের সংখ্যায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, রাজধানীতে প্রায় ৪৮ হাজার অবৈধ চার্জিং স্টেশন চলছে। বিপরীতে সারা দেশে বৈধ চার্জিং স্টেশনের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৩০০।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গ্যারেজ ব্যবসার সঙ্গে চার্জিং ব্যবসা একীভূত হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে গ্যারেজে রিকশা রাখার পাশাপাশি সেখানেই ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হচ্ছে। ফলে আলাদা চার্জিং অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা এড়িয়ে আবাসিক বা অন্য ধরনের সংযোগ ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
মুগদা, মান্ডা ও তেজগাঁওয়ের কয়েকটি গ্যারেজে দেখা গেছে, বৈদ্যুতিক যান চার্জিংয়ের জন্য পৃথক মিটার থাকলেও মালিকেরা আবাসিক সংযোগে বেশি রিকশা চার্জ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এতে অনুমোদিত বাণিজ্যিক ব্যবহারের তুলনায় কম খরচে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।
মিটার আছে, ব্যবহার নেই
মান্ডা এলাকার এক গ্যারেজ মালিক জানান, বিদ্যুতের বিল বাড়ার আগে তাঁর গ্যারেজে ৩০ থেকে ৩৫টি রিকশা চার্জ হতো। তখন মাসে বিদ্যুৎ বিল আসত ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। পরে রিকশার সংখ্যা কমিয়ে প্রায় ২০টি করা হলেও মাসিক খরচ দাঁড়িয়েছে ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা। গ্যারেজে কোন মিটার কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে চাননি।
লালবাগের আরেক গ্যারেজ মালিকের ভাষ্য, আগে ১৬৫টি রিকশা চার্জে মাসে প্রায় ২ লাখ টাকা বিদ্যুৎ খরচ হতো। এখন রিকশা কমে ৭০টিতে দাঁড়ালেও বিল আসে প্রায় ৮০ হাজার টাকা। গ্যারেজ মালিকদের দেওয়া এসব হিসাব বিচ্ছিন্ন। তবে এগুলো থেকে মিটারভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার ও প্রকৃত চার্জিংয়ের মধ্যে সমন্বিত নজরদারির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।
কোথাও হুক, কোথাও আবাসিক লাইন
সম্প্রতি তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চার্জিংয়ের ঘটনা পাওয়া গেছে। তেজগাঁওয়ে বিদ্যুতের মূল লাইন থেকে সরাসরি সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। মোহাম্মদপুরের একটি আবাসিক এলাকায় টিনশেড গ্যারেজে প্রায় ৩০টি রিকশা আবাসিক সংযোগ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।
রায়েরবাজার বালুরমাঠ এলাকায় সেপ্টেম্বর মাসে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, র্যাব ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথ অভিযান চালান। ছয়টি গ্যারেজের মধ্যে চারটিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায় এবং সেগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, ঢাকা উদ্যান, বসিলা, বেড়িবাঁধ, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর, মিরপুর, পল্লবী, উত্তরা, বাড্ডা, নতুনবাজার, আফতাবনগর, মুগদা, মান্ডা ও যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশার গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গ্যারেজ ঘিরে বাড়ছে অপরাধের অভিযোগ
বিদ্যুৎ ব্যবহারের অনিয়মের পাশাপাশি গ্যারেজগুলোকে ঘিরে অপরাধের অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ সূত্রের ভাষ্য, গ্যারেজকেন্দ্রিক মাদক কেনাবেচা ও সেবনের ঘটনা নতুন নয়। চুরি-ছিনতাইয়ের সঙ্গে এসব স্থানের যোগসূত্রও পাওয়া যায়। ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গ্যারেজকেন্দ্রিক মাদক মামলার সংখ্যা বেশি। এসব এলাকায় ভ্রাম্যমাণ অপরাধীদের আনাগোনাও থাকে। কেউ অপরাধ করার পর গ্যারেজে অবস্থান নিতে পারে সহজে। গ্যারেজগুলোর অবস্থানও এ ঝুঁকি বাড়ায়। অনেক গ্যারেজ আবাসিক ভবনের নিচে, টিনশেড ঘরে, দোকানের পাশে কিংবা সরু গলির ভেতরে। সেখানে রিকশা রাখা, চার্জ দেওয়া ও মানুষের যাতায়াত—সবকিছু একই জায়গায় হওয়ায় নিয়মিত নজরদারি কঠিন।
অগ্নিঝুঁকিও কম নয়
একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ফলে অগ্নিঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে সরু গলি বা আবাসিক ভবনের ভেতরে অপর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক অবকাঠামোয় একাধিক ব্যাটারি চার্জ হলে শর্টসার্কিট ও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকে। এর সঙ্গে রয়েছে পুরোনো সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি সংরক্ষণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের ঝুঁকি। ব্যবহৃত ব্যাটারি যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না হলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। অর্থাৎ একটি অনিয়ন্ত্রিত গ্যারেজে বিদ্যুৎ চুরি বা বিল ফাঁকির পাশাপাশি অগ্নি ও পরিবেশগত ঝুঁকিও জমা হচ্ছে।
অভিযান হচ্ছে, কিন্তু থামছে না
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক মাসে গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে শতাধিক অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নতুন করে যাতে এসব গ্যারেজে সংযোগ দেওয়া না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান জানান, কয়েক মাস ধরে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ সংযোগ, আবাসিক লাইনে বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ চুরির বিষয়গুলোতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে অভিযান-পরবর্তী পরিস্থিতিই এখন বড় প্রশ্ন। কোনো একটি গ্যারেজের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সেখানে আবার নতুন সংযোগ নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত নজরদারির আওতায় না থাকলে অনিয়ম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা কঠিন।
নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে গ্যারেজও
সরকার ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে রাজধানীকে আটটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় জোনভিত্তিক আলাদা রঙ, ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ও কিউআর কোড রাখার কথা রয়েছে। কিউআর কোডের মাধ্যমে মালিক ও চালকের তথ্য জানা যাবে। খসড়া নীতিতে নিবন্ধন, চালকের লাইসেন্স, নির্ধারিত রুট, অনুমোদিত নকশা, নিরাপদ যন্ত্রাংশ ও বৈধ চার্জিং স্টেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগ কার্যকর হলে রিকশার প্রকৃত সংখ্যা ও চলাচলের এলাকা সম্পর্কে একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার তৈরি হতে পারে। কিন্তু চার্জিং ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলে শুধু রিকশার নিবন্ধন দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটি অনুমোদিত গ্যারেজে কতটি রিকশা চার্জ হবে, কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে, কোন মিটারে সেই ব্যবহার রেকর্ড হচ্ছে এবং বিলের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—এসব তথ্যও নজরদারির আওতায় আনতে হবে।
প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থাপনা
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ঢাকার পরিবহনব্যবস্থার বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। স্বল্প দূরত্বে কম ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগের কারণে যাত্রীদের কাছে এর চাহিদা রয়েছে। একই সঙ্গে এই খাতে যুক্ত রয়েছে বিপুলসংখ্যক চালক ও মালিকের জীবিকা। তাই হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সমস্যাটি মূলত নিয়ন্ত্রণের। রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ, নিবন্ধন, রুট ব্যবস্থাপনা, গ্যারেজের অনুমোদন, চার্জিং স্টেশনের লাইসেন্স এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব—সবকিছুকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
কালের আলো/এমএসআই/এমকে
আপনার মতামত লিখুন
Array