খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রশিক্ষণ-বিপণন সুবিধা বাড়ালে কুটির শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়বে: গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
প্রশিক্ষণ-বিপণন সুবিধা বাড়ালে কুটির শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়বে: গয়েশ্বর

সঠিক প্রশিক্ষণ, প্রচার ও বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তৈরি পোশাক খাতের চেয়েও কুটির ও হস্তশিল্পে বেশি আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের কারিগরদের জন্মগত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তৈরি দেশীয় পণ্যের মান ও সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষকে আরও স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না, সেই পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচার এবং বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। বিপণন ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে কুটির শিল্পের বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়বে।

দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে গয়েশ্বর বলেন, জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটার মতো পণ্যের চাহিদা এখনো রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের মধ্যেও মানুষ ঐতিহ্য ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনযাত্রার দিকে ফিরছে।

কুটির শিল্পে নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া অনেক নারী ঘরে বসেই এসব কাজ করে আয় করছেন। এতে তারা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করছেন।

অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক জটিলতা ও ফাইল আটকে রাখার সংস্কৃতির সমালোচনা করেন গয়েশ্বর। সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফাইল আটকে না রেখে দ্রুত কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে।

বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দূষণের বড় একটি অংশ উন্নত দেশগুলোর কারণে হলেও উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর ওপর বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের দায় ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তব অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। এ সময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস নাসের খান ও অতিরিক্ত সচিব নুরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিসিক ভবনে আয়োজিত ‘শরৎমেলা’ চলবে আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলায় শতাধিক স্টলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯০ শিশু। এ ছাড়া ১০২ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে একজন ও সিলেটে একজন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪০ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৯৩ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১০ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২০ জনে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৩১৩ জন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, দীপু মনিসহ ১১ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ১১ আসামির মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা।

মামলায় মোট ৪১ আসামির মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৩০ জন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মৃণাল কান্তি দাস ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের তালিকায় সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার ও সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ আরও অনেকে রয়েছেন।

বুধবারের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (শিডিউল ওয়ান অব দ্য রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬)-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বরকে প্রতি বছর সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি