খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

৩৮ বছর আগের আবেগময় স্মৃতিতে সেনাপ্রধান,ধমনীতে বহমান ইস্ট বেঙ্গল’র রক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
৩৮ বছর আগের আবেগময় স্মৃতিতে সেনাপ্রধান,ধমনীতে বহমান ইস্ট বেঙ্গল’র রক্ত

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো :

‘সেই-যে আমার নানা রঙের দিনগুলি’-রবিঠাকুরের এই গানটিই সম্ভবত তাঁর কন্ঠে গুঞ্জরিত হচ্ছিল। আবেগ আর অকৃত্রিম ভালোবাসার পানসিতে চড়ে ফিরলেন ৩৮ বছর আগের স্মৃতিতে। সুখমাখা সেই স্বর্ণালী স্মৃতি আজও যেন জ্বলজ্বল। সময়ের অবিশ্রান্ত ধারায়, যাপিত জীবনের ব্যস্ততার ঘূর্ণিপাকের ভেতরেও নিজের বক্তব্যের শুরুতেই গভীর সেই অনুভবকেই মোটা দাগে নিজের জবানীতে উপস্থাপন করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুনঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘১৬তম কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হলেন সেনাপ্রধান

অবারিত আনন্দের ফল্গুধারায় উচ্ছ্বসিত কন্ঠেই উচ্চারণ করলেন-‘আজ থেকে ৩৮ বছর আগে, আমি সেনাবাহিনীর এই রেজিমেন্টে একজন গর্বিত সৈনিক হিসেবে জন্ম লাভ করি। আজকে আপনাদের ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হওয়ার দূর্লভ সুযোগ পেলাম, যা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। আর তাই আমি আজ অত্যন্ত আনন্দিত ও বিমোহিত।’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মূল চালিকাশক্তি এবং প্রাচীনতম, ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১৬তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার পর বুধবার (০৩ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের শহীদ এম আর চৌধুরী প্যারেড গ্রাউন্ডে এমনটিই বলছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

নজরকাড়া এই অভিষেক অনুষ্ঠানে নিজের সৈনিক জীবনের প্রারম্ভিক অনন্য মুহুর্তের কথা বলতে গিয়ে এমনই বর্ণিল এক মায়াজালেই নিজেকে যেন আচ্ছন্ন করলেন এই চারতারকা জেনারেল।

স্মৃতির পথ ধরেই খানিক সময়ের জন্য নিজেকে সমর্পণ করলেন হারানো সেই সময়ের সীমারেখায়। বাস্তবতার স্পর্শে অন্তরের গভীরে লুকিয়ে থাকা সেকালকে বেঁধে দিলেন একালের সঙ্গে; এক অসাধারণ মায়ার মিতালীতে।

বলতে থাকলেন- ‘আজকের অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আরো গভীরভাবে আমি এই রেজিমেন্টের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারলাম। আমার সেনাবাহিনীর চাকুরি জীবন শুরু হয় এই ঐতিহ্যবাহী রেজিমেন্টে, তাই ইস্ট বেঙ্গল এর রক্ত আমার ধমনীতে বহমান।

চাকুরী জীবনে আমি সর্বদাই আমার পল্টন, ব্রিগেড ও ডিভিশনের উন্নয়ন ও উন্নতির জন্য কাজ করে গিয়েছি।

আর এখন কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ায় আমার সার্বক্ষণিক ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা হবে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর সকল সদস্যকে নিয়ে রেজিমেন্টের উন্নয়ন ও নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য নিজেদেরকে   প্রস্তুত করা।’

বঙ্গবন্ধু ও ৩০ লক্ষ শহীদদের স্মরণ; প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহেই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন
নিজের বক্তব্যের পরতে পরতে সেনাপ্রধান স্মরণ করলেন বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অবিস্মরণীয় মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লক্ষ শহীদদের।

গর্বভরে উচ্চারণ করলেন, আত্মোৎসর্গকারী সেই শহীদদের মধ্যে গৌরবময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১২ হাজার ৮৩৩ জন সদস্যদের। যার মধ্যে  দু’জন বীরশ্রেষ্ঠসহ ২৩১ জন খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

কৃতজ্ঞচিত্তে উপস্থাপন করলেন সতের কোটি বাঙালির আশার বাতিঘর, বিশ্বনেতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। সরকারপ্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আগ্রহ এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভূতপূর্ব আধুনিকায়ন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।’

স্মৃতির বাতায়নে বসে মুহুর্তেই ফিরে যান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঐশ্বর্যময় ৭৪ বছরের পথচলার ইতিহাসে। আবির মাখা সোনালী সময়ের স্বপ্নসারথীদের হৃদমাঝে তুলে এনে বলেন, ‘অভিষেক প্যারেডের মাধ্যমে আমাকে কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে বরণ করার এই তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্তে আমি গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র প্রতিষ্ঠাতা মেজর এম এ গণি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে।

আমি আরও স্মরণ করছি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূতপূর্ব সকল কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার্সসহ সকল প্রাক্তন সদস্যদের, যাদের দূরদর্শিতা, নিরলস পরিশ্রম ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই রেজিমেন্ট আজ সুদৃঢ় ভিত্তির উপর অধিষ্ঠিত হয়েছে।’

‘এই রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠার ৭৪ বছরে কঠোর পরিশ্রম, সময়োপযোগী পরিকল্পনা এবং দেশপ্রেমের দৃঢ় অঙ্গীকারের মাধ্যমে আজকের এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে আসীন হয়েছে। সৌম্য, শক্তি, ক্ষিপ্রতা এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত এই রেজিমেন্ট উৎকর্ষতার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৯ সালে ‘জাতীয় পতাকা’ লাভের দুর্লভ সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে’ যোগ করেন জেনারেল শফিউদ্দিন।

গড়তে চান উদ্যমী পদাতিক বাহিনী
সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পদাতিক রেজিমেন্ট আমাদের সেনাবাহিনীর মূল চালিকা শক্তি। সেনাবাহিনীর ইতিহাস যত সুদীর্ঘ, এই রেজিমেন্টের ইতিহাসও ততো পুরনো। যে কোন সেনাবাহিনীতে পদাতিক রেজিমেন্টই যুদ্ধের মূল বিজয় অর্জনকারী। আর তাই এই রেজিমেন্টের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সাথে সেনাবাহিনীর উন্নয়নও সরাসরিভাবে সম্পৃক্ত।

তাই কর্ণেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে আমার সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা থাকবে পদাতিক রেজিমেন্টের চলমান আধুনিকায়ন ব্যবস্থাকে আরো বেগবান করা এবং নতুন সামরিক সরঞ্জাম সংযোজিত করে আরো উদ্যমী পদাতিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা।

আমার উপর অর্পিত এই পবিত্র দায়িত্ব পালনকালে রেজিমেন্টের জন্য কল্যাণকর যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণে আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। সেজন্য রেজিমেন্টের অগ্রযাত্রাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে