খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

গণমাধ্যমের মুখোমুখি জেনারেল শফিউদ্দিন, যুগোপযোগী চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগোতে চান বিওকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ
গণমাধ্যমের মুখোমুখি জেনারেল শফিউদ্দিন, যুগোপযোগী চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগোতে চান বিওকে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

দলগত কাজে বিশ্বাস করেন বলেই কীনা সমন্বিত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে চান। আগের চেয়ে ভালো করতে চান। উপহার দিতে চান দৃশ্যমান কিছু। হুটহাট নয়, নির্বাহী কমিটির সভা করেই নির্ধারণ করতে চান ‘অ্যাকশন প্ল্যান’। নিজের ভাবনা-চিন্তার অগ্রভাগেই রাখতে চান অলিম্পিককে। পদক জয়ের সুযোগ আছে এমন ইভেন্টগুলো বাছাই করে দিতে চান বাড়তি গুরুত্ব।

আরও পড়ুনঃ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অপার দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা-কৃতজ্ঞতা সেনাপ্রধানের

কেবলই তাই নয়, ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ অলিম্পিকের মতো বড় প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেতে কী কী করা প্রয়োজন এসবও যেন গেঁথে নিয়েছেন নিজের হৃদয়-মস্তিষ্কে। এই বিশ্ব আসরে পদক জয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গেমসে বাড়াতে চান পদকের সংখ্যা। গ্রহণ করতে চান যুগোপযোগী চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুনঃ ‘ক্রীড়াবীদ’ সেনাপ্রধানের ‘সোনালী অধ্যায়’, অলিম্পিকের নেতৃত্বেও কাজে লাগাতে চান ‘অভিজ্ঞতা’

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) ১৬ তম সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার গ্রহণ করে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েই যেন নিজের বাস্তবিক স্বপ্ন, পরিকল্পনা ও লক্ষ্যই মোটা দাগে নিজের জবানীতে তুলে আনলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। নিজ নেতৃত্বাধীন এসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য পথযাত্রায় তিনি সংযোজন করতে চান নতুন প্রাণাবেগের।

এদিন নতুন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হওয়ার পর বিওএ সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। লক্ষ্যপূরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘আশীর্বাদ’ এবং নিজেদের ‘ইচ্ছা’কে এক সুতোয় গেঁথে বিশ্ব পরিমন্ডলে লাল-সবুজের পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ানোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে চান অলিম্পিক এসোসিয়েশনের চির স্বপ্নবাজ এই সভাপতি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই সব সময় নতুন নতুন কনসেপ্টে বিশ্বাসী জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বরাবরই নিজেকে একজন ‘চেঞ্জ মেকার’ হিসেবে প্রমাণ করেছেন। ফলে শতবর্ষীর পুরনো মন্ত্র ‘হার জিত বড় নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা’ এর বদলে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় দীর্ঘমেয়াদি ছকে খুলে দিতে চান সাফল্যের দরজা। যারপরেনাই তার হাত ধরেই জ্বলতে শুরু করেছে আশার প্রদীপ।

এই পরিচিতি সভায় বিওএ’র নতুন সভাপতিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা ও সহ-সভাপতি মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি।

ভাগ্যবান মনে করেন নিজেকে, কৃতজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি
মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আর শতাব্দীর মহানায়ক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আনন্দ উচ্ছ্বাসের অবগাহনে জেনারেল শফিউদ্দিন দায়িত্ব নিয়েছেন বিওএ’র সভাপতি হিসেবে। এ কারণেই নিজেকে ‘ভাগ্যবান’ মনে করেন।

সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার ওপরে আস্থা রাখার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি যে আস্থা আমার ওপর রেখেছেন আমি তার প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করবো।’

নতুন মাত্রায় উপস্থাপন প্রধানমন্ত্রীর ক্রীড়ানুরাগকে
প্রধানমন্ত্রীর ক্রীড়ানুরাগকে নতুন মাত্রায় উপস্থাপন করে সেনাপ্রধান বলেন, আমি ও শাহেদ (বিওএ মহাসচিব) ভাই দীর্ঘক্ষণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি ক্রীড়াকে খুবই ভালোবাসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বলেছেন, তোমাদের কি কি লাগবে? তিনি সেগুলো আমাদের দেবেন। যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদ আছে, আমাদের ইচ্ছাও আছে। ইনশাআল্লাহ কিছু করতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস রয়েছে।’

নিজ সহকর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা
দায়িত্ব নিয়েই নির্বাহী কমিটির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি সভায় মিলিত হন বিওএ সভাপতি। এই কমিটির সবার দক্ষতার প্রশংসা করেন। এগিয়েও যেতে চান এই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়ে।

বলছিলেন এমন ‘যে কমিটি আমরা গঠন করেছি, সবাই যার যার জায়গায় একজন করে বিশেষজ্ঞ। তাদের সমন্বিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সাধারণ লক্ষ্য রেখেছি। যা আগের চেয়ে ভালো করার তাগিদ। ইনশাআল্লাহ আপনাদের সবার সহযোগিতা পেলে আগের চেয়ে আমরা ভালো করতে পারবো। আমাদের উদ্দেশ্য থাকবে যে দৃশ্যমান কিছু দেওয়া। এই কমিটি আগের চেয়ে ভালো করেছে, তাই বিভিন্ন ক্রীড়া ক্ষেত্রে ভালো ফল এসেছে।’

নিজের দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কে বলেন ‘আমি তো কেবল মাত্র দায়িত্ব নিলাম। আমাদের প্রথম পরিচিত সভায় আমরা একমত হয়েছি যে, শিগগিরিই আমরা এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা করবো। সেখানেই অ্যাকশন প্ল্যান হবে। তখন আমি আপনাদের একটি পরিষ্কার ধারণা দিতে পারবো কিভাবে আমরা পূর্বের চেয়ে ভালো অর্জন করতে সক্ষম হবো।’

অলিম্পিক ভিলেজ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ফিজিক্যাল একটি প্রজেক্ট হয়ে থাকলে তা হবে।

লক্ষ্য বহুদূর, বিশ্বাস করেন অর্জনে
দেশের খেলাধুলাতে যেখানে সম্ভাবনা আছে, সেখানে বেশি জোর দেওয়ার কথা বললেন বিওএ সভাপতি জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তার ভাষ্য হচ্ছে – ‘আমাদের যেসব সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র আছে, সেসব জায়গায় বেশি করে বিনিয়োগ করবো। বিভিন্ন গেমসে লক্ষ্য রাখছি যেন পদকের সংখ্যা বাড়াতে পারি। এটাই হবে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জন। অন্যথায় আপনি কাজ কেমন করেছেন, তা বিচার করতে পারবেন না। আমরা ফোকাস করছি কোন কোন জায়গায় পদক বাড়ানো যায়।’

অলিম্পিকে পদক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। স্বভাবতই আমি অলিম্পিক নিয়েই ভাববো। সেটা না ভেবে আমার কোনও উপায় নেই। আমরা এচিভেবল গোলে বিশ্বাস করি। আমাদের লক্ষ্য থাকতে হবে অনেক দূর। আজকে যদি আমি চাঁদে যাওয়ার চিন্তা করি, আজ হয়তো পারবো না। কিন্তু লক্ষ্য থাকা ভাল। টার্গেট হবে যেটা মডারেটলি চ্যালেঞ্জিং। হতাশা এসে যায় এমন চ্যালেঞ্জ নেওয়া ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, ‘কালকেই আমি অলিম্পিকে ১০০ মিটারে স্বর্ণ জিতবো, সেটা আবার বেশি হয়ে যাবে। আমরা পারবো না। অলিম্পিকে ভাল করার জন্য সাফ গেমস ও এশিয়ান গেমসে ভাল করতে হবে। এগুলো বড় জায়গায় যাওয়ার একটা স্টেপ মাত্র।’

কালের আলো/এমএএএমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি