খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারের দৃঢ় ভূমিকায় অনুপ্রাণিত সেনাবাহিনী, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার শপথ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২২, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
সরকারের দৃঢ় ভূমিকায় অনুপ্রাণিত সেনাবাহিনী, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার শপথ সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মুন্সীয়ানায় দেশের অসামান্য অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকটি পালক। মুজিবশতবর্ষ ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশবাসীর জন্য আরও চারটি নতুন উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন: দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সওজ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাস্তবায়িত এই চারটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন: আন্ডারপাসসহ তিন প্রকল্পের হাইলাইটস

সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করতে সরকারের দৃঢ় ভূমিকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সব সময় অনুপ্রাণিত করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তোলারও দৃপ্ত শপথের কথাও উচ্চারণ করেছেন সেনাপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘দেশ ও জাতির উন্নয়নে এবং মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও স্বত:স্ফূর্তভাবে কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ।’

আরও পড়ুন: পাহাড়ের পদ্মাসেতু, খুলে দিলো সম্ভাবনার দূয়ার

বুধবার (১২ জানুয়ারি) গণভবনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত ঢাকা-এয়ারপোর্ট মহাসড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল ও কলেজ সংলগ্ন পথচারী আন্ডারপাস, সিলেট শহর বাইপাস-গ্যারিসন লিংক ৪ লেন মহাসড়ক, বালুখালী (কক্সবাজার)-ঘুনধুম (বান্দরবান) সীমান্ত সংযোগ সড়ক এবং রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচরে চেংগী নদীর উপর ৫০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের এমন মূল্যায়ন উপস্থাপন করেন সেনাপ্রধান।

প্রধামন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো.নজরুল ইসলাম প্রকল্প বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্যচিত্র তুলে ধরেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ নিজের বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান স্বাধীনতার রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন দেশ।’

তিনি স্মরণ করেন স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদদেরও। এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, ‘যাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। আমি স্মরণ করছি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সকল শহীদদের, যারা শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের প্রয়োজনে দেশ-বিদেশে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা নিজেরাই তৈরি করেছি পদ্মাসেতু
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্ব ও সময়োচিত দিকনির্দেশনায় ঢাকা মহানগরীসহ সমগ্র দেশে ভৌত অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অসামান্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজ আমরা পদ্মাসেতু নিজেরাই তৈরি করেছি। এসব উন্নয়ন কর্মকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হবার সুযোগ দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘বালুখালী (কক্সবাজার)-ঘুনধুম (বান্দরবান) সীমান্ত সংযোগ সড়ক’, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কে শহিদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন আন্ডারপাস’, ‘সিলেট শহর বাইপাস-গ্যারিসন লিংক ৪ লেন মহাসড়ক’ এবং ‘রাঙ্গামাটি জেলার নারিয়ারচরে চেংগী নদীর ওপর ৫শ’ মিটার দীর্ঘ সেতু’- এই চারটি প্রকল্প নির্মাণে সার্বিকভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষভাবে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স সর্বোচ্চ দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে পেরেছে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

তারা সকল প্রতিকূলতা দূর করে গুণগতমান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পসমূহের কাজ শেষ করেছে। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করতে সরকারের দৃঢ় ভূমিকা সর্বদা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার ঐকান্তিক আগ্রহ এবং সকল মন্ত্রণালয়ের সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলসমূহের আপামর জনসাধারণের আন্তরিক সহযোগিতায় উল্লেখিত প্রকল্পসমূহ কাঙ্খিত সময়ের পূর্বে সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পসমূহ সফলতা ও দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়নে আমি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী, সচিব ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চীফ ও ২৪ ও ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের সকল সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রীর, দিকনির্দেশনা সেনাপ্রধানের
প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক অনুপ্রেরণায় এবং সেনাপ্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এই চারটি প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ডেলিকেটেড পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করেছে বলে জানান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চিফ মেজর জেনারেল ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান।

নিজের স্বাগত বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নে অনেক চ্যালেঞ্জ বা প্রতিকূলতা ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনীর প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকুন্ঠ আস্থা এবং জাতির যে ভরসা তাতে করে চ্যালেঞ্জ কোন শব্দ আছে বলে আমরা মনে করি না। আমাদের ওপর অর্পিত যে কোন দায়িত্ব আমরা করতে পারছি এবং করবো এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে যে কোন ত্যাগ স্বীকার করার জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি।

সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চিফ বলেন, আন্ত:সংস্থার সমন্বয়ের নিরিখে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনীর পারস্পারিক সহযোগিতা নি:সন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক। সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য সন্মানিত সেনাবাহিনী প্রধানকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর অবিচল আস্থা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমানের প্রত্যয় পুনরায় উচ্চারণ করেন তিনি।

কালের আলো/এমএএএমকে

সবজির দামে আগুন, স্বস্তি মাছ-মুরগির বাজারে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
সবজির দামে আগুন, স্বস্তি মাছ-মুরগির বাজারে

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও চড়েছে সবজির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রীষ্মকালীন প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও দামে তার প্রভাব পড়েনি। ফলে বাড়তি দামে সবজি কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। তবে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে মাছ ও মুরগির বাজারে। অধিকাংশ মাছ ও মুরগি আগের সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে কেজিতে ১০ টাকা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তালতলা ও আগারগাঁও এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে বর্তমানে বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ২০ টাকা বেশি। টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁকরোল ও ঝিঙা মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি।

এ ছাড়া পেঁপে ও আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কচুর লতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। বটবটি ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে এক হালি লেবু কিনতে গুনতে হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। দেশি ধনেপাতা কেজি ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা হালি ৪০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং ক্যাপসিকাম কেজি ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাকের বাজারেও খুব একটা স্বস্তি নেই। লাল শাকের আঁটি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৫০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মুরগির বাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। সোনালি কক মুরগি কেজি ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৮০ টাকায় নেমেছে।

মাছের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮৯০ থেকে ২০০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্য মাছের মধ্যে চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, রুই ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি।

এ ছাড়া পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা, কৈ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা এবং বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা এবং পাঁচমিশালি মাছ ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে এক ডজন লাল ডিম ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকা।

সব মিলিয়ে রাজধানীর বাজারে মাছ, মাংস ও মুরগির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা না থাকলেও সবজির বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে মৌসুমি সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও দাম বাড়ায় বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েকটি সবজির দাম ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের দৈনন্দিন বাজার খরচও বেড়ে গেছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় সারাদেশে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বার্থে বিশেষ এই অভিযান নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

অভিযানের আওতায় ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পাবনা-টেকনাফ-কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে ৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
পাবনা-টেকনাফ-কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে ৬ শিশুর মৃত্যু

দেশের তিন জেলায় পানিতে ডুবে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পাবনা, কক্সবাজার ও নেত্রকোনায় পৃথক এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পাবনায় তিন শিশু, কক্সবাজারের টেকনাফে দুই শিশু এবং নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

পাবনায় তিন শিশু

পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের নবীন বাজার এলাকার দাশপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশের মাঠে জমে থাকা বর্ষার পানিতে গোসল করতে গিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো—দাশপাড়া গ্রামের শিমুল মল্লিকের মেয়ে সুমি খাতুন (৭) এবং একই গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে খালিদ হোসেন (৮) ও মেয়ে আফিয়া খাতুন (৬)। তারা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে শিশুরা মাঠের জমে থাকা পানিতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে একজন পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাকি দুজনও পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তিন শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তাদের মৃত্যু হয়।

টেকনাফে নাফ নদীতে দুই শিশু

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেটিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো—শাহপরীরদ্বীপ উত্তরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ নিশান (১২) ও কেফায়েত উল্লাহর ছেলে আরজিন (১০)।

তারা গোসল করতে নেমে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে ও পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর দুপুর ২টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়। আরজিনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। নিশানকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কলমাকান্দায় শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পুকুরের পানিতে ডুবে আব্দুল্লাহ নামে সাড়ে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার চিনাহালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ ওই এলাকার কাজল মিয়ার ছেলে। পরিবারের লোকজনের অজান্তে খেলতে গিয়ে সে পুকুরে পড়ে যায়। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পৃথক এসব দুর্ঘটনায় তিন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি