খুঁজুন
                               
, ,
           

বঙ্গবন্ধু ম্যারাথনে ছন্দ-গতির সকাল, জীবনের জয়গানে দৌড়বিদরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
বঙ্গবন্ধু ম্যারাথনে ছন্দ-গতির সকাল, জীবনের জয়গানে দৌড়বিদরা

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

ঘন কুয়াশার ধবল চাদরে নিমগ্ন চারপাশ। হিমশীতল অনুভূতি। মাঘের শীত আর কুয়াশার আড়মোড়া ভেঙে তখনও জেগে ওঠেনি ইট-পাথরের যান্ত্রিক রাজধানী। আলস্যের চাদর অবমুক্ত করে কুয়াশার ধূম্রজাল চিরে এ সময়টিতে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার যেন হয়ে ওঠলো যেন ঘুমন্ত নগরীকে জাগিয়ে তোলা সাইরেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) ঘড়িতে তখন ভোর সাড়ে ৫ টা। জোড়া জোড়ায় পা পড়তে শুরু করে নগরীর পথে।

এক পা দু পা করে সামনের দিকে এগোতে থাকেন দেশ-বিদেশের ২ হাজার ১৬৩ জন দৌড়বিদ। শীতের সকাল ভিন্নরকম, বৈচিত্র্যময় এক রূপেই তারা ধরা দিলেন তাঁরা। কোন আলসতা নেই। শীতল হাওয়াকে উবে দিয়ে কুয়াশার চাদর পেরিয়ে ছন্দ আর গতিময়তায় তাঁরা ছুটে চললেন ৩০০ ফিট সড়কে। সবার গন্তব্য কাঞ্চন ব্রিজের আগ পর্যন্ত। আবার একই সড়কে ফিরলেন বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে। সবশেষে কেউ হন প্রথম, কেউ আবার শেষ। কোন রূপকথার রাজ্য নয়। সম্মিলিত দেশ-বিদেশের দৌড়বিদদের জীবন্ত এক ছবি। বিশালতার উপমায় যেখানে সমস্বরে সবাই গেয়ে উঠলেন জীবনের জয়গান। এমন সফল রূপায়নে শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২৩’।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২৩’ আয়োজন ও সম্পন্ন করে সক্ষমতার জ্যোতির্বলয়ে নিজেদের মেলে ধরেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধু স্মরণে বাঙালি জাতিসত্ত্বা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপনের পাশাপাশি যুবাদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে আত্মার স্পন্দনে স্মৃতিরেখায় নিজেদের উদ্ভাসিত করলেন আপন আলোয়। ম্যারাথনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

ভোরের আলো ফুটার আগে শিশিরমাখা, শিরশিরে বাতাসে দেশ-বিদেশের দৌড়বিদদের একরাশ সজীব স্বপ্নের এক অনবদ্য মিলন মেলার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

ম্যারাথন শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথনের প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন পুরস্কার। এ সময় সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা ও ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী দৌড়বিদরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ফুল ম্যারাথনে এলিট দৌড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন কেনিয়ার স্ট্যানলি কিপ্রোটিস বেট এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ইথিওপিয়ার বাসাঙ্কি ইমোসি বিলো। ফুল ম্যারাথনে সাফ দৌড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের বাঙ্গরিয়া ভিক্রম বারাতসিন এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন নেপালের পুস্পা ভান্ডারি। এছাড়া হাফ ম্যারাথনে এলিট দৌঁড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন মরক্কোর আব্দিল আজিজ বাঘাজি এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন উগান্ডার রিস্পা চিরোপ। হাফ ম্যারাথনে সাফ দৌঁড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের অভিষেক পাল এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের রেশমা দত্ত কিভেত। ফুল ম্যারাথনে বাংলাদেশি দৌড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন মো. আল আমিন এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন পাপিয়া খাতুন। হাফ ম্যারাথনে বাংলাদেশি দৌড়বিদদের মধ্যে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন এম এলাহি সরদার এবং মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন সুস্মিতা ঘোষ।

আইএসপিআর’র তথ্য মতে, ফুল ম্যারাথন এবং হাফ ম্যারাথনে মোট ২ হাজার ১৬৩ জন দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন। ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী এলিট দৌড়বিদদের মধ্যে ফুল এবং হাফ ম্যারাথনে ২১ জন পুরুষ এবং ১৭ জন মহিলা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া সাফ দৌঁড়বিদদের মধ্যে ফুল এবং হাফ ম্যারাথনে ২৩ জন পুরুষ এবং ২০ জন মহিলা অংশগ্রহণ করেন। এ ম্যারাথনে কেনিয়া, ইথিওপিয়া, মরক্কো, ইউক্রেন, রুয়ান্ডা, লিথুনিয়া এবং উগান্ডা থেকে ৩৮ জন এলিট দৌড়বিদ এবং ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল ও মালদ্বীপ থেকে ৪৩ জন সাফ দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ফুল ম্যারাথনে ৫৩২ জন এবং হাফ ম্যারাথনে ১ হাজার ৫৫০ জন দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া ম্যারাথনে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, জাপান, নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়ে’র দৌড়বিদরাও অংশগ্রহণ করেন।

ইতিহাসের মহানায়কে শ্রদ্ধা, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সেনাপ্রধানের
পূর্ব আকাশে সূর্য উঁকি দিয়ে জানান দিয়েছে। ঢেলে দিয়েছে মায়াবী রোদ। অপরিমেয় উচ্ছ্বাস-আনন্দের আবাহনে ম্যারাথন শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে ম্যারাথন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী বক্তব্যের শুরুতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একই সঙ্গে চলতি বছরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন আয়োজন এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২৩ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে সামাজিক এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেনাপ্রধান।

প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মরণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন আয়োজনের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২৩ এ অংশগ্রহণকারী সকল দেশি-বিদেশি দৌড়বিদ ও আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করার পেছনে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ম্যারাথন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

কালের আলো/এমএএএমকে

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি