খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

অত্যাধুনিক মিসাইল যুগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বহি:শত্রুর আক্রমণ রুখে দিতে আরও আত্মবিশ্বাসী সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
অত্যাধুনিক মিসাইল যুগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বহি:শত্রুর আক্রমণ রুখে দিতে আরও আত্মবিশ্বাসী সেনাপ্রধান

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

উন্নয়ন অবকাঠামোয় প্রতিনিয়ত দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে লাল-সবুজের চিত্রপটে আঁকা বাংলাদেশ। দূরদৃষ্টি ও তীক্ষ বুদ্ধিমত্তায় অবিচল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুমাত্রিক নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ সামাল দিতে প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সংযোজন করে চলেছেন আধুনিক সমর সরঞ্জাম। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুগোপযোগী সামরিক সক্ষমতা তৈরিতে তুরস্ক থেকে কিনেছেন টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট মিসাইল সিস্টেম (এমএলআরএস)।

মাত্র ৪ মিনিটে ১২০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রটির মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টেকনাফের শিলখালী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ফায়ারিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। সশরীরে উপস্থিত থেকে সেনাবাহিনীতে নব সংযোজিত টাইগার এমএলআরএস’র যৌথ জাহাজীকরণোত্তর ও স্থানীয় প্রশিক্ষণোত্তর ফায়ারিং অবলোকন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মিসাইল যুগে প্রবেশের মাধ্যমে দেশপ্রেমী সেনাবাহিনীর সামরিক সক্ষমতায় যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। মিসাইল লঞ্চারগুলো একই সঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বহি:শত্রুর আক্রমণ রুখে দিতে মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বিশেষ দিনটিতে চাকচিক্যে মোড়ানো আলোক ঝলকানো উৎসব নয় একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত সেনাবাহিনীকে সক্ষমতার নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রণীত ফোর্সেস গোল-২০৩০ বাস্তবায়নে পদে পদে সাফল্যের চিহ্ন রেখে নিজেদের টেকসই আভিযানিক সক্ষমতার মূলমন্ত্রকে বাস্তবে রূপ দিতে উজ্জীবিত করেছেন সেনা সদস্যদের। গতিশীল নেতৃত্বের দক্ষতায় নতুন সম্ভাবনায়
আলোর দিশা ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রত্যেকের চোখে।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাগত দক্ষতার উৎকর্ষতা সাধন ও যুগোপযোগী আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী আন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় প্রণীত ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে ১২০ কিলোমিটার রেঞ্জের ক্ষমতা সম্পন্ন টাইগার এমএলআরএস’র ফায়ারিং অনুষ্ঠিত হলো। যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।’

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি)। ঘড়ির কাঁটা তখন বেলা ১১ টার ঘর পেরিয়েছে। সবার চোখ শিলখালী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে। চলছে সেনাবহরে যুক্ত নতুন টাইগার মিসাইল সিস্টেমের সফল ফায়ারিং। বিকট শব্দে টিউব থেকে ছুটে যাচ্ছে মিসাইল। মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যে ১২০ কিলোমিটার রেঞ্চে গিয়ে আঘাত হানছে। মিনিট দশেক পরই টিউব থেকে ছোড়া হয় দ্বিতীয় মিসাইল। সাগরের সামনে বিশাল বালিয়াড়িতে রাখা ৩০ টন ওজনের ট্রাক ও রকেট লঞ্চার। যার উপর রয়েছে দু’টি টিউব। প্রতিটি টিউবে লোড করা হয়েছে টাইগার এমএলআরএস। কয়েক দফার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঘন্টাব্যাপী এ সফল ফায়ারিং কার্যক্রম চলে।

ফোর্সেস গোল অর্জনে আধুনিকায়নের অগ্রযাত্রায় সেনাবাহিনী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত ‘প্রতিরক্ষা নীতি’র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করেন। ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে এ ‘প্রতিরক্ষা নীতি’ প্রণয়ন করেন। এরপর থেকেই ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নে পুরোদমে মনোনিবেশ করে সরকার। লক্ষ্যপূরণে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও সরঞ্জামের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত শক্তিশালী ও আধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। আশার কথা হচ্ছে-সামরিক শক্তি-সামর্থ্যরে দিক থেকে গত বছরের তুলনায় ৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।

সেনাবাহিনীতে নব সংযোজিত টাইগার এমএলআরএস’র যৌথ জাহাজীকরণোত্তর ও স্থানীয় প্রশিক্ষণোত্তর ফায়ারিং অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে বলেছেন, ‘আমাদের ফোর্সেস গোল অর্জনের জন্য এটি আমাদের সক্ষমতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলো। আমরা আধুনিকায়নের পথে অনেক দূর এগিয়ে গেলাম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা যে অর্জনের মাধ্যমে এই পর্যন্ত এসেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা পরের ধাপেও পৌঁছাতে পারবো। আমাদের ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর সঠিক বাস্তবায়ন ইনশাআল্লাহ আমরা সঠিক সময়েই করতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই ফোর্সেস গোল-২০৩০ অ্যাপ্রুভ করেছেন। এটি বাস্তবায়নের জন্য যত প্রকার রিসোর্স ও সহযোগিতা দরকার হচ্ছে সেটি আমরা পাচ্ছি। আজকে মিসাইলযুগে প্রবেশ করাতে সেনাবাহিনীর মনোবল অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু সেনাবাহিনী নয় সামরিক বাহিনীর মনোবল বৃদ্ধিতে অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। যেমন বাংলাদেশ নেভিতে যখন সাবমেরিন যুক্ত হয়েছে তখন আমাদের তখন আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। সামরিক সক্ষমতা যখন বাড়ে তখন সামরিক বাহিনীর যেকোন কারও কাছে সেটি ভালো লাগে। বাংলাদেশের জনগণ দে অলসো প্রাউড অব দেয়ার মিলিটারি। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ওই সক্ষমতার জায়গায় দেখতে চায় যেখানে আমরা আমাদের প্রদত্ত দায়িত্ব অর্থাৎ মাতৃভূমিকে সঠিকভাবে বহি:শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারবো।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান, ৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও সাভারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক প্রমুখ।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

কাতালানিয়ার ঐতিহাসিক ক্লাব ইউই কর্নেল্লার মালিকানা কিনেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্নেল্লা ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বার্সেলোনার সঙ্গে নিজের আজীবন আত্মিক সম্পর্ক এবং স্থানীয় প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই লিওনেল মেসির এই নতুন উদ্যোগ।

১৯৫১ সালে প্রতি প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবটি স্প্যানিশ প্রতিভা অন্বেষণের অন্যতম বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। মজার ব্যাপার হলো বর্তমান ও সাবেক অনেক সতীর্থই এই ক্লাবের একাডেমি থেকে উঠে এসেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জর্দি আলবা, জাভি পুয়াদো, ডেভিড রায়া এবং জেরার্ড মার্টিনের মতো তারকা ফুটবলাররা।

ফুটবলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করার আগ্রহ সবসময় ছিল লিওনেল মেসি। গত ডিসেম্বরে মিয়ামিতে অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে মেসি কাপ আয়োজন করে তিনি এর প্রমাণও দিয়েছিলেন। এবার সরাসরি একটি ক্লাব কিনে নেওয়ার মাধ্যমে সেই লক্ষ্যকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার।

মেসির এই প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্যই হলো স্থায়িত্ব এবং উচ্চাশার সমন্বয়ে শিকড়ের সাথে সংযোগ রেখে ক্লাবটিকে আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া।

মালিকানায় মেসির আগমনে ইউই কর্নেল্লো তাদের ইতিহাসে এক নতুন যুগে পদার্পণ করল। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মেসির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং কৌশলগত দূরদর্শিতা ক্লাবটির ক্রীড়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটাবে।

কালের আলো/এসএকে

চুক্তির সময় আমিও ইসলামাবাদে যেতে পারি: ট্রাম্প 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চুক্তির সময় আমিও ইসলামাবাদে যেতে পারি: ট্রাম্প 

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তা স্বাক্ষরের জন্য ইসলামাবাদে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকাল এ কথা বলেন ট্রাম্প। লাস ভেগাস সফরে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে ওঠার আগে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’

চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানে যেতে পারেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, যদি ইসলামাবাদে চুক্তি স্বাক্ষর হয়, তাহলে আমি যেতে পারি।’

চুক্তির বিষয়ে গত সপ্তাহান্তে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স একটি মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামাবাদে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে তিনি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ফিরে আসেন।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

শিশুর মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, গণপিটুনিতে নিহত ২

মানিকগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
শিশুর মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, গণপিটুনিতে নিহত ২

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৮ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে দুইজন নিহত হয়েছেন এবং আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই এলাকার বাসিন্দা দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত প্রায় ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের ধারণা, স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে পান্নু মিয়া (৩৮) ও মোহাম্মদ রনি (২৪) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাটিপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গণপিটুনির শিকার দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের মারধরের পর পানিতে ফেলে রাখা হয়। আহত নাজমুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বনপারিল এলাকা থেকে একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় স্থানীয়রা কয়েকজনকে গণপিটুনি দিয়েছে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিকেলে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর রাতে তার মরদেহ ভুট্টাক্ষেতে পাওয়া যায়। পরে সন্দেহভাজন তিনজনকে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় জনতা, এতে দুইজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হন।

কালের আলো/এসআর/এএএন