খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টার নেপথ্যে কারা?

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০২৪, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টার নেপথ্যে কারা?

সাম্প্রতিক সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে উত্তপ্ত দেশ। গত কয়েকদিনের সহিংসতার ঘটনার পর বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সরকারি নির্দেশে মাঠে নামে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক গর্বের সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনী। শান্তিপূর্ণভাবে সহিংসতা ঠেকানোর কাজের পাশাপাশি জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে বিশ্বজুড়ে নন্দিত, সুদক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুপ্রশিক্ষিত এই বাহিনী। কিন্তু সময় গড়াতেই পুরো ঘটনাপ্রবাহকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া দেশপ্রেমী এই বাহিনীটিকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অসত্য, মিথ্যা এবং অপপ্রচার চলে দেদারছে, নজিরবিহীনভাবে। নানারকম বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করা হয়।

গণতন্ত্র বিরোধী, স্বঘোষিত ‘অজ্ঞেয়বাদী’, মস্তিষ্ক বিকৃত গুটিকয়েক কথিত বিশ্লেষক, ফেসবুক-ইউটিউবার দেশের প্রতিটি দুর্যোগে-সঙ্কটে দেশপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সর্বোচ্চ পেশাদার মনোভাবসম্পন্ন সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। মূলত কুরুচিপূর্ণ গুজব ছড়ানো ও মিথ্যাচার এ চক্রটির পেশা ও নেশা। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনগণের স্বার্থে ও রাষ্ট্রের যেকোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে বলে জানিয়েছে আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। একই সঙ্গে রোববার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বার্থান্বেষী মহলের বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছে বলেও জানিয়েছে তিন বাহিনীর মুখপাত্র এ সংস্থা।

জানা যায়, মোতায়েনের পর থেকে রাজধানীসহ দেশের কোথাও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আগ্রাসী আচরণ করতে দেখা যায়নি। তবুও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে এক নম্বর পজিশনে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্তিকে বিতর্কিত করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন কল্পকাহিনীর মাধ্যমে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে কুৎসা রটিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে ডিজিটাল প্রচার মাধ্যমকে যাচ্ছেতাই কায়দায় ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেকটাই ‘পেইড এজেন্ট’ স্টাইলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে টার্গেট করে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খবর প্রকাশের মাধ্যমে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। সাধারণ বিবেক-বুদ্ধি ও যুক্তির প্রয়োগ করলেই অনুমান করা সম্ভব এসবের বিন্দুমাত্র গ্রহণযোগ্যতা ও সত্যতা নেই।

বাঙালি জাতির ঐক্য ও আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বরাবরই গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনী এখন অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে পেশাদার ও বিশ্বমানের। নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর নেতৃত্বে তাঁরা দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে আছেন। তাদের কোন রাজনৈতিক উচ্চভিলাষ নেই। কোন রকম বিভ্রান্তির প্রলোভনে তাঁরা গত দুই যুগে পা দেয়নি। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বে সেনাপ্রধানের ব্যক্তিত্ব ও ক্যারিশমা বড় ভূমিকা রেখেছে।

আইএসপিআর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, ‘দেশব্যাপী ক্রম অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে গত ২০ জুলাই ভোর থেকে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দ্রুত নৈরাজ্য প্রশমন করতে সাহায্য করে। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াসমূহে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য দেশে এবং বিদেশে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা বলে অনুমিত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সংবিধান সমুন্নত রেখে প্রচলিত আইনের আওতায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, দেশবাসীর জানমালের নিরাপত্তা ও জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

সম্প্রতি পৃথক পৃথকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে, শেরপুর ও নরসিংদী জেলায় মোতায়েকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পর্যবেক্ষণ করেন নরসিংদী জেলা কারাগারও। স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরাও কাজ করছেন বলে জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর স্বাভাবিক পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি পরিস্থিতির আরো উন্নতি করতে পারব।’ ওইদিন সেনাপ্রধান দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে আরও বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছেন।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, সেনাবাহিনীকে টার্গেট করে জলঘোলার সব আয়োজন চলছে। এখন তাঁরা বীরের জাতি বাঙালির আস্থার ঠিকানা সেনাবাহিনীকে ঘৃণ্য কায়দায় অপতথ্যের মাধ্যমে ঘায়েল করতে সব রকমের হীন অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের অটল মনোভাব প্রমাণ করেছে শেষ পর্যন্ত তাঁরা দেশের স্বার্থ বিরোধী যেকোন অপকৌশল রুখে দিতে প্রস্তুত।

বিশ্বের সব প্রান্তের দুর্গত, নিপীড়িত ও নিরীহ মানুষের সেবায় বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের হাত প্রসারিত। সংঘাতপূর্ণ ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েও তারা আর্তমানবতার সেবা করে চলেছেন। দেশে ও বিদেশে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে স্বীয় দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের জন্য সব মহলের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু চার দশকের বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সফল যাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি চিহ্নিত অপশক্তির সাম্প্রতিক দুরভিসন্ধিমূলক অবস্থানে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলছেন, প্রতিটি সেনা সদস্যের দক্ষতা ও বিচক্ষণতায় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে। সবার উচিত সুষ্ঠুভাবে তাদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা। বরাবরের মতো এবারও দীর্ঘ চার দশকের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সফল অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপতৎপরতা সফল হবে না। মনে রাখতে হবে আমাদের সেনাবাহিনী দেশমাতৃকার সম্মান আর গৌরবের প্রতীক। জনগণের পাশে থেকেই তাঁরা পালন করে যাবে সাহসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা।

কালের আলো/এমএএএমকে

মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করবে।

শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কারখানার সকল শ্রমিকের জন্য ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড’ কারখানায় এ ঘটনাটি ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা শ্রমিকরা ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, একটি ফ্লোরে হঠাৎই একে একে শ্রমিকরা বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। অনেকেই মেঝেতে পড়ে যান। ঘটনার পর কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শাহানাজ বেগম  নামে এক শ্রমিক জানান, কিছুদিন আগে একই ফ্লোরে লিজা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান। এবারও ওই ফ্লোরে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ শ্রমিক সুমি আক্তার বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করে।

এরপর পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা দেয়। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অসুস্থ শ্রমিকদের মাওনা চৌরাস্তার বিভিন্ন প্রাইভেট  হাসপাতাল গুলোতে  চিকিৎসা  দেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়  ৮০ থেকে ৯০ জন শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অনেকেই বাসায় চলে গেছেন।

তবে আরও অসুস্থ শ্রমিক আসছেন। গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন- মোমেনা (২৮), মিনু (২৬), সনিয়া (২১), কাকলি (৩০), মারুফা (৩০), রায়তুন নাহার (২৭) ও মামুন (৩২)।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম  বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রথমে কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরও অনেকে অসুস্থ হন। এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইঞা বলেন, ঘটনার পরপরই অসুস্থ শ্রমিকদের দেখতে হাসপাতালে যাই। অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরে এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দেয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

জাতীয় নির্বাচনের পর এই প্রথম আগামী ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর বরিশালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

তিনি বলেন, ১৩ জুলাই সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা দেবেন তারেক রহমান। গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি বরিশাল নগরে আসবেন। বরিশালে এসে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বেলসপার্ক, লেক কিংবা গ্র্যান্ড পার্কের আশপাশে এ কর্মসূচি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুপুরের পর বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বরিশাল নগর, জেলা দক্ষিণ ও উত্তর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, গৌরনদীতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর বিকেলে কর্মিসভায় জেলা ও মহানগর কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তারেক রহমান। বৃষ্টির জন্য ইনডোরে শিল্পকলায় সভাটি করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ এবং আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথাও রয়েছে।

বরিশালবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশালে ৬ লেন সড়ক, রেল লাইন, বরিশাল ভোলা সেতু, গ্যাস সরবরাহ, ইপিজেড— এসব দাবির কথা প্রধানমন্ত্রী জানেন। এরপরও বরিশালের জনগণের এসব প্রত্যাশার কথা সুযোগ অনুযায়ী তুলে ধরা হবে।

কালের আলো/এসএকে