খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সবার সহযোগিতায় দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে চান সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪, ৮:০০ অপরাহ্ণ
সবার সহযোগিতায় দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে চান সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দেশজুড়ে সংগঠিত হচ্ছে পুলিশ। থানায় থানায় জোরদার হচ্ছে পুলিশের কার্যক্রম। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও। পুরো কার্যক্রম নিজ চোখে দেখতে সেনাবাহিনীর ডিভিশন এরিয়াগুলো পরিদর্শন শুরু করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সোমবার (১২ আগস্ট) ৫৫ পদাতিক ডিভিশনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেন সেনাপ্রধান। তাঁর হিসাবে দেশের ৯০ শতাংশের ওপরে থানা ও রাজধানীর ৮৫ শতাংশ থানায় পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুলিশ সংগঠিত হওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে জড়িত অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। জানিয়ে দিয়েছেন সেনাবাহিনী কবে কখন সেনানিবাসে ফিরে যাবে সেই কথাও। বলেছেন, ‘পুলিশ ফোর্স যখন আবার সুন্দরভাবে তাদের কাজ শুরু করতে পারবে তখন আমরা সেনানিবাসে ফেরত যাবো।’ দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

পুলিশ ফোর্সকে বিভিন্ন থানায় কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রটেকশন দিচ্ছি
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, দেশে একটি উদ্ভুত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। অরাজক পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন হয়। ৫ তারিখ বা তাঁর পরবর্তী সময়টা আরও একটু ভিন্ন। সেখানে অনেক ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লুটপাট হয়েছে। অগ্নিসংযোগ হয়েছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশ ফোর্সের ওপরে আক্রমণ হয়েছে। পুলিশ ফোর্সের সংখ্যা ২ লক্ষ। এই একটা বড়সংখ্যক পুলিশ ফোর্স যখন ইন অ্যাকটিভ (অকার্যকর) ছিল তখন এটাকে কভার করা সেনাবাহিনীর জন্য দুরূহ হয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে আমরা সুন্দরভাবে আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। পুলিশ ফোর্সকে বিভিন্ন থানায় কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে তাদের প্রটেকশন দিচ্ছি, তারা কার্যক্রম শুরু করেছে।’

প্রধান উপদেষ্টাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফ
খুলনা ডিভিশনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও আত্মতুষ্টির কোন কারণ নেই জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের আরও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। পুলিশকে আরও সংগঠিত করতে হবে তাহলে আমরা নিশ্চিত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত যেতে পারবো। এজন্য আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশনগুলো ডেপ্লয় আছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। ইনশাআল্লাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পুলিশ ফোর্স যখন আবার সুন্দরভাবে তাদের কাজ শুরু করতে পারবে তখন আমরা সেনানিবাসে ফেরত যাবো। আজকে সকালেও প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার কাছ থেকে ব্রিফ নিয়েছেন। দেশের ৯০ শতাংশের ওপরে থানা ও রাজধানীর ৮৫ শতাংশ থানা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এ পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।’

দেশের ২০ জেলায় ৩০টি মাইনরিটি রিলেটেড অপরাধ
মাইনরিটি রিলেটেড (সংখ্যালঘু সংক্রান্ত) অপরাধ বিষয়ে নিজের স্টাডির কথা তুলে ধরেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ‘আমি স্টাডি করে দেখেছি দেশে ২০টি জেলায় ৩০টি মাইনরিটি রিলেটেড (সংখ্যালঘু সংক্রান্ত) অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ লুটপাট ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি। আমি আশা করি এই বিষয়গুলো নরমাল হয়ে যাবে। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুরোধ করবো তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তারা যেন কোন ধ্বংসাত্মক কাজ না করে। তাঁরা বুঝবেন জনগণের দাবি কী? যদি জনগণ অরক্ষিত থাকে, যদি অশান্তি বিরাজ করে আমি নিশ্চিত তারা সেই রাজনীতি করবেন না, সেটি জনগণের রাজনীতি হবে না। আমি নিশ্চিত সবাই আমাদের সাহায্য করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবশ্যই স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হবো। সেই উদ্দেশ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আসুন আমরা দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যাই।’

রাজনীতি থাকবে, রাজনীতি থাকতেই হবে
রাজধানী ঢাকায় ডাকাতির সুলুক সন্ধান করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘ডাকাতি হচ্ছে এর ৮০ পার্সেন্ট প্যানিক, ২০ পার্সেন্ট ফ্যাক্ট। মানুষের মধ্যে হানাহানি কমে আসছে। কমে আসলে এগুলো থাকবে না। অতীতেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে, এটি কাম্য না। রাজনীতি থাকবে। রাজনীতি থাকতেই হবে, মিটিং মিছিল হবে। কিন্তু ধ্বংসাত্মক কোন কার্যকলাপ আমরা চাই না। এটি কখনো দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক না। পুলিশকে আমরা সংগঠিত করে ফেলেছি। যারা যতো অপকর্ম করেছে তার জন্য অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এটি অবশ্যই দু:খজনক। পুলিশ সংগঠিত হলে তদন্ত করবে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিজিবি ও র‍্যাবও তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। আপনারা আমাদের সাহায্য করেন। সবাই মিলে দেশকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে যাবো। প্রেসক্লাব বা জনগণের টাকায় নির্মিত স্থাপনা পুড়িয়ে দিলে, ধ্বংস করে দিলে জনগণের ক্ষতি। সবাইকে এটি বুঝতে হবে।

এ সময় সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও যশোরের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ, খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার, কেএমপি কমিশনারসহ উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সেনাপ্রধান গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার গোপীনাথপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় আহত অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যদের দেখতে যশোর সিএমএইচ এ গমন করেন। এরপর তিনি খুলনায় অবস্থিত সেনাবাহিনী ক্যাম্পে মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সকল পদবির সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে

রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

রাজধানীতে বিদ্যুতের লোড কমাতে সব বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও নির্মাণ সরঞ্জাম বিষয়ক বিআইআইডি এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের ব্যাকআপ ব্যবস্থা তৈরি করতে সোলার পাওয়ারকে সহজলভ্য করা হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যে সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের অভাবে দেশে এখন পর্যন্ত ব্যাপকভাবে সোলার ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সোলার ও উইন্ড এনার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। বর্তমানে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি।

কালের আলো/এসএকে