খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সবার সহযোগিতায় দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে চান সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪, ৮:০০ অপরাহ্ণ
সবার সহযোগিতায় দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে চান সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দেশজুড়ে সংগঠিত হচ্ছে পুলিশ। থানায় থানায় জোরদার হচ্ছে পুলিশের কার্যক্রম। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও। পুরো কার্যক্রম নিজ চোখে দেখতে সেনাবাহিনীর ডিভিশন এরিয়াগুলো পরিদর্শন শুরু করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সোমবার (১২ আগস্ট) ৫৫ পদাতিক ডিভিশনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেন সেনাপ্রধান। তাঁর হিসাবে দেশের ৯০ শতাংশের ওপরে থানা ও রাজধানীর ৮৫ শতাংশ থানায় পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুলিশ সংগঠিত হওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে জড়িত অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। জানিয়ে দিয়েছেন সেনাবাহিনী কবে কখন সেনানিবাসে ফিরে যাবে সেই কথাও। বলেছেন, ‘পুলিশ ফোর্স যখন আবার সুন্দরভাবে তাদের কাজ শুরু করতে পারবে তখন আমরা সেনানিবাসে ফেরত যাবো।’ দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যেতে দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

পুলিশ ফোর্সকে বিভিন্ন থানায় কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রটেকশন দিচ্ছি
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, দেশে একটি উদ্ভুত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। অরাজক পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন হয়। ৫ তারিখ বা তাঁর পরবর্তী সময়টা আরও একটু ভিন্ন। সেখানে অনেক ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লুটপাট হয়েছে। অগ্নিসংযোগ হয়েছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশ ফোর্সের ওপরে আক্রমণ হয়েছে। পুলিশ ফোর্সের সংখ্যা ২ লক্ষ। এই একটা বড়সংখ্যক পুলিশ ফোর্স যখন ইন অ্যাকটিভ (অকার্যকর) ছিল তখন এটাকে কভার করা সেনাবাহিনীর জন্য দুরূহ হয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে আমরা সুন্দরভাবে আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। পুলিশ ফোর্সকে বিভিন্ন থানায় কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে তাদের প্রটেকশন দিচ্ছি, তারা কার্যক্রম শুরু করেছে।’

প্রধান উপদেষ্টাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফ
খুলনা ডিভিশনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও আত্মতুষ্টির কোন কারণ নেই জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের আরও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। পুলিশকে আরও সংগঠিত করতে হবে তাহলে আমরা নিশ্চিত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত যেতে পারবো। এজন্য আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশনগুলো ডেপ্লয় আছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। ইনশাআল্লাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পুলিশ ফোর্স যখন আবার সুন্দরভাবে তাদের কাজ শুরু করতে পারবে তখন আমরা সেনানিবাসে ফেরত যাবো। আজকে সকালেও প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার কাছ থেকে ব্রিফ নিয়েছেন। দেশের ৯০ শতাংশের ওপরে থানা ও রাজধানীর ৮৫ শতাংশ থানা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এ পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।’

দেশের ২০ জেলায় ৩০টি মাইনরিটি রিলেটেড অপরাধ
মাইনরিটি রিলেটেড (সংখ্যালঘু সংক্রান্ত) অপরাধ বিষয়ে নিজের স্টাডির কথা তুলে ধরেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ‘আমি স্টাডি করে দেখেছি দেশে ২০টি জেলায় ৩০টি মাইনরিটি রিলেটেড (সংখ্যালঘু সংক্রান্ত) অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ লুটপাট ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি। আমি আশা করি এই বিষয়গুলো নরমাল হয়ে যাবে। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুরোধ করবো তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তারা যেন কোন ধ্বংসাত্মক কাজ না করে। তাঁরা বুঝবেন জনগণের দাবি কী? যদি জনগণ অরক্ষিত থাকে, যদি অশান্তি বিরাজ করে আমি নিশ্চিত তারা সেই রাজনীতি করবেন না, সেটি জনগণের রাজনীতি হবে না। আমি নিশ্চিত সবাই আমাদের সাহায্য করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবশ্যই স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হবো। সেই উদ্দেশ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আসুন আমরা দেশকে সুশৃঙ্খল ও শান্তির পথে নিয়ে যাই।’

রাজনীতি থাকবে, রাজনীতি থাকতেই হবে
রাজধানী ঢাকায় ডাকাতির সুলুক সন্ধান করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘ডাকাতি হচ্ছে এর ৮০ পার্সেন্ট প্যানিক, ২০ পার্সেন্ট ফ্যাক্ট। মানুষের মধ্যে হানাহানি কমে আসছে। কমে আসলে এগুলো থাকবে না। অতীতেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে, এটি কাম্য না। রাজনীতি থাকবে। রাজনীতি থাকতেই হবে, মিটিং মিছিল হবে। কিন্তু ধ্বংসাত্মক কোন কার্যকলাপ আমরা চাই না। এটি কখনো দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক না। পুলিশকে আমরা সংগঠিত করে ফেলেছি। যারা যতো অপকর্ম করেছে তার জন্য অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এটি অবশ্যই দু:খজনক। পুলিশ সংগঠিত হলে তদন্ত করবে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিজিবি ও র‍্যাবও তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। আপনারা আমাদের সাহায্য করেন। সবাই মিলে দেশকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে যাবো। প্রেসক্লাব বা জনগণের টাকায় নির্মিত স্থাপনা পুড়িয়ে দিলে, ধ্বংস করে দিলে জনগণের ক্ষতি। সবাইকে এটি বুঝতে হবে।

এ সময় সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও যশোরের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ, খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার, কেএমপি কমিশনারসহ উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সেনাপ্রধান গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার গোপীনাথপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় আহত অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যদের দেখতে যশোর সিএমএইচ এ গমন করেন। এরপর তিনি খুলনায় অবস্থিত সেনাবাহিনী ক্যাম্পে মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সকল পদবির সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে