খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবিক বিপর্যয়ে দুর্গতদের পাশে নৌবাহিনী; বিশেষায়িত বোটে পানিবন্দিদের সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
মানবিক বিপর্যয়ে দুর্গতদের পাশে নৌবাহিনী; বিশেষায়িত বোটে পানিবন্দিদের সরিয়ে নিচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার সঙ্গে লড়াই করছে দেশ। পানিতে নিমজ্জিত দেশের ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুরসহ ১১ জেলা। পানিবন্দী মানুষের হাহাকারে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো দেশ। যতই সময় গড়াচ্ছে, বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকুও বিলীন হওয়ার উপক্রম যেন! এরই মধ্যে ডুবে গেছে বাড়িঘর ও স্থাপনা। বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় ছাদে আশ্রয় নিচ্ছেন বহু দুর্গত মানুষ। এই মানবিক বিপর্যয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। রাত-দিন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশেষায়িত কন্টিনজেন্ট।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সার্বক্ষণিক তদারকিতে মোতায়েনকৃত কন্টিনজেন্টের সদস্যরা পানিবন্দি অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষকে বিশেষায়িত বোটের মাধ্যমে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে চলছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বয়োবৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জীবন রক্ষায়। পাশাপাশি এসব মানুষের দিকে তাঁরা বাড়িয়ে দিয়েছে সহানুভূতি ও সহমর্মিতার হাত।

শুধু তাই নয়, প্লাবিত এলাকাসমূহে জানমালের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়ন রয়েছে নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। এছাড়াও নৌবাহিনী চিকিৎসক দল পানিবন্দি এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তায় বিশেষ মেডিকেল টিম, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, স্যালাইন ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার সুমহান দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চলমান দুর্যোগেও নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুশৃঙ্খল ও সুচারুরূপে পালন করে চলেছে গৌরবদীপ্ত এই বাহিনীটির সদস্যরা। বন্যার্তদের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে দুর্গত এলাকাসমূহে ইতোমধ্যে আরও ৭ হাজার লিটার জীবন রক্ষাকারী বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে বন্যা দুর্গত এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা ও ঢাকা নৌঅঞ্চল থেকে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ করেছে বিশেষায়িত স্পিড বোট ও অন্যান্য উদ্ধার সরঞ্জামাদি। চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল থেকে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপন করতে যোগাযোগ সরঞ্জাম, ওয়াকি-টকি নিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন নৌবাহিনীর আরেকটি দল।

একই সূত্র জানায়, বানভাসীদের সাহায্যের জন্য বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে উদাত্ত আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘ। নৌবাহিনী যে কোন রকমের সহযোগিতা (অর্থ, খাদ্য, চিকিৎসা) সংগ্রহ করে বন্যার্তদের নিকট পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করছে। বন্যার্তদের নিকট খাদ্য সামগ্রী প্রেরণের জন্য যানবাহন সহায়তা দিতেও প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সার্বিকভাবে দেশের এই বিশেষ দুর্যোগকালীন সময়ে নৌবাহিনী সর্বাত্মক চেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের কষ্ট ও দুর্ভোগ লাঘবের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থেই দেশের জনগণের আশা- আকাঙ্খার মূর্ত প্রতীক হিসেবে নিজেদের মেলে ধরতে অহর্নিশ কাজ করে চলেছেন। পরিচয় দিয়েছেন নিজেদের মানবিক ও মনুষ্যত্ববোধের।

কালের আলো/এমএএএমকে

দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে থাকেন, ততদিন তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যাবে না। তবে দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই আগের ও পরের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন বিষয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি আছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ তার পদে থাকাকালীন সময়ে কোনো লিগ্যাল ইস্যু ফেস করবেন না, রাষ্ট্রপতি যতদিন পদে আছেন।

কিন্তু যখন তিনি পদে নেই, তখন আগে করা কোনো বিষয়ে বা পরে কোনো কিছু থেকে থাকলে সেগুলোর জন্য নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এটা আমি বর্তমান কোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে বলছি না, এটি যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই সাধারণ নিয়ম।

যেমন প্রধানমন্ত্রী বা যেকোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মামলা করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে আছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যায় না। তবে রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলে তা করা যাবে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, কোর্ট সরকার নয়। কোর্ট স্বাধীন এবং আইসিটি বা সব কোর্টই স্বাধীনভাবে কাজ করে। জনগণ বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা আদালতে যেতে পারেন। সরকার কখনো কখনো কোনো মামলায় পক্ষ হয়।

তিনি বলেন, আদালতের সামনে সরকার একটি পক্ষ মাত্র। আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। সরকারের বিরুদ্ধে অনেক রিট হয় এবং অসংখ্য রিটে সরকার উচ্চ আদালতে পরাজিত হয়। সরকার কিছু করছে না-এটুকু আমি নিশ্চিত করতে পারি। আদালত স্বাধীনভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইতিহাস গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস। টেস্ট ক্রিকেটের তথ্য–উপাত্ত সংরক্ষণ শুরুর পর প্রথম বোলার হিসেবে টানা পাঁচ ওভারে মেডেন রেখে প্রতি ওভারেই একটি করে উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি।

তৃতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। মধ্যাহ্নবিরতির কিছু আগে ৬৩ ওভারে দলটির স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪৪। তখন পর্যন্ত গ্রিভসের বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৬ ওভারে ২৭ রান, কোনো উইকেট নয়। এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই ক্যারিবীয় পেসার।

৬৪, ৬৬, ৬৮, ৭০ ও ৭২তম ওভারে টানা পাঁচ মেডেন ওভার করেন গ্রিভস। অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিটি ওভারেই তুলে নেন একটি করে উইকেট। তাঁর শিকার হন সেঞ্চুরিয়ান শান মাসুদ (১০৯), আমের জামাল, আলী উসমান, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং মোহাম্মদ আব্বাস। মধ্যাহ্নবিরতির পর প্রথম ওভারেই আব্বাসকে ফিরিয়ে ইনিংসে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।

গ্রিভসের দুর্দান্ত স্পেলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করায় স্বাগতিকরা ২৯ রানের লিড পায়।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজও। পাকিস্তানের পেসারদের দাপটে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৬ রান। একসময় ৯৩ রানেই ৭ উইকেট হারালেও কেমার রোচ ও শামার জোসেফের অবিচ্ছিন্ন ৩৩ রানের জুটিতে দিন শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫৫ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামবে তারা।

দিন শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গ্রিভস বলেন, “বল কিছুটা সুইং করছিল এবং আমি তার সুবিধা নিতে পেরেছি। যখনই আমাকে বোলিংয়ে আনা হয়, দলের প্রত্যাশা থাকে কঠিন পরিস্থিতিতে যেন আমি অবদান রাখতে পারি। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। তবে ম্যাচে এখনো আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”

এদিকে গ্রিভসের ঐতিহাসিক স্পেলের পরও একটি সিদ্ধান্ত বিস্ময় তৈরি করেছে। ৭২তম ওভারে নিজের পঞ্চম উইকেট নেওয়ার পর তাঁকে আর টানা বোলিং করানো হয়নি। পরের ওভারে কেমার রোচ বল করার পর ৭৪তম ওভারে অধিনায়ক রোস্টন চেজ গ্রিভসকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে জেইডেন সিলসকে বোলিংয়ে আনেন।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৫ রানে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের ফল এখনো খোলা। তবে গ্রিভসের টানা পাঁচ মেডেন ওভারে পাঁচ উইকেট নেওয়ার অনন্য কীর্তি ইতোমধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জেন-জি’কে ‘জেনারেশন গাটার’ মন্তব্যে বিতর্কে কঙ্গনা রানাউত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
জেন-জি’কে ‘জেনারেশন গাটার’ মন্তব্যে বিতর্কে কঙ্গনা রানাউত

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলন নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। আন্দোলনকারীদের ভাষা, আচরণ ও জীবনধারা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে তিনি তাদের ‘জেনারেশন গাটার’ (নর্দমার প্রজন্ম) বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা।

দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৭ দিনের আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। আন্দোলনের সময় তরুণদের বিভিন্ন স্লোগান, পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে কিছু স্লোগান ও ভাষা নিয়ে সমালোচনাও হয়।

এই প্রেক্ষাপটে কঙ্গনা রানাউত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি জীবনে একসঙ্গে এত ‘নোংরা’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ ভাষা কখনো দেখেননি। তাঁর দাবি, আন্দোলনকারীদের ভিডিও ও পোস্ট ‘বমি আসার মতো’ এবং সেগুলো দেখে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন। এমনকি তিনি ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর প্রয়োজন অনুভব করছেন বলেও মন্তব্য করেন।

আন্দোলনকারীদের নিজেদের ‘তেলাপোকা’ হিসেবে উপস্থাপনেরও সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তাঁর ভাষ্য, ভারত বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দেশ, অথচ আন্দোলনকারীরা নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করছেন, যা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এ ছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণীদের উদ্দেশে কঙ্গনা বলেন, তথাকথিত পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে তারা ‘কলুষিত’ হয়ে পড়েছে। তাঁর দাবি, তাদের অনেকেই সমাজের জন্য ইতিবাচক কোনো অবদান রাখতে পারবে না। জেন-জি প্রজন্মকে ‘জেনারেশন গাটার’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই প্রজন্মের একটি অংশের আচরণ সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

কঙ্গনার এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা ভাই জগতাপ। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় তরুণ-তরুণীদের ওপর যে ধরনের নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার হয়েছে, একজন নারী হয়েও সে বিষয়ে কঙ্গনার কোনো সহানুভূতি না থাকা বিস্ময়কর।

অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) নেতা ওয়ারিস পাঠানও কঙ্গনার ভাষার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন সাংসদের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং জেন-জি প্রজন্মের কাছে কঙ্গনার ক্ষমা চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, দলের সাংসদরা তরুণদের সম্পর্কে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে নজর দিতে।

কঙ্গনার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একদিকে তাঁর সমর্থকেরা বক্তব্যকে ‘স্পষ্টভাষিতা’ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে সমালোচকেরা এটিকে তরুণ প্রজন্মকে অপমান করার শামিল বলে মন্তব্য করছেন।

কালের আলো/এসএ