খুঁজুন
                               
, ,
           

দক্ষতার ময়দানে তরুণ নেতৃত্ব, লড়াইয়ের প্রস্তুতির ডাক এলজিআরডি মন্ত্রীর

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
দক্ষতার ময়দানে তরুণ নেতৃত্ব, লড়াইয়ের প্রস্তুতির ডাক এলজিআরডি মন্ত্রীর

যে প্রজন্মের হাতে ভবিষ্যৎ, তাদের অপেক্ষায় বসে থাকার সুযোগ নেই। দেশের আগামী দিনের রূপরেখা কেবল নীতিনির্ধারকদের টেবিলে আঁকা হবে না; তার বড় অংশ নির্ধারিত হবে তরুণদের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধে। সেই বাস্তবতার কথাই মনে করিয়ে দিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তরুণদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন—একটি ভিন্ন ধরনের যুদ্ধে নামার জন্য। তার ভাষায়, ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার সময় তার।’

  • ক্লাসরুমের নেতৃত্ব এবার বাস্তবের ময়দানে
  • ডিগ্রির পাশাপাশি নেতৃত্ব ও দক্ষতার ওপর জোর
  • উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা

তবে এই যুদ্ধ অস্ত্রের নয়; উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণের। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করাই তরুণদের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের ‘গ্র্যাজুয়েশন সিরিমনি-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

যুদ্ধের অস্ত্র যখন জ্ঞান
ড.মঈন খানের বক্তব্যে ‘যুদ্ধ’ শব্দটি এসেছে একটি রূপক অর্থে—যে লড়াইয়ের ময়দান অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, নেতৃত্ব ও জনকল্যাণ; আর যার অস্ত্র জ্ঞান ও দক্ষতা। তরুণদের সেই লড়াইয়ের উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপরই জোর দিয়েছেন তিনি। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে কেবল কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যানে আটকে না রেখে জাতীয় সম্পদে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তাও তার বক্তব্যে স্পষ্ট। দক্ষতা অর্জন, নেতৃত্বের সক্ষমতা তৈরি এবং দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা—এই তিনটিকেই তিনি ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি হিসেবে সামনে এনেছেন।

সনদ নয়, শুরু হচ্ছে আসল যাত্রা
গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে সনদ হাতে নেওয়া তরুণদের জন্য মন্ত্রীর বার্তাও ছিল প্রচলিত অভিনন্দনের বাইরে। তার মতে, প্রশিক্ষণ শেষ হওয়া মানে কোনো পথের সমাপ্তি নয়; এটি বাস্তব জীবনের কঠিন পরীক্ষায় প্রবেশ। ক্লাসরুমে শেখা নেতৃত্ব তখনই অর্থবহ হবে, যখন তা মানুষের প্রয়োজনে কাজে লাগবে। ব্যক্তিগত সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার পাশাপাশি সমাজের জন্য কিছু করার দায়ও তরুণদের নিতে হবে—মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন প্রত্যাশাই উঠে এসেছে।

অতীতের তরুণ, আগামীর নির্মাতা
বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর সঙ্গে তরুণদের অবদানের সম্পর্কও তুলে ধরেন মন্ত্রী। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন পর্যায়ে তরুণদের অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করে তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণেও একই উদ্যম প্রত্যাশা করেন। তবে সময় বদলেছে, বদলেছে চ্যালেঞ্জের ধরনও। ফলে অতীতের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যতের নতুন বাস্তবতায় রূপান্তর করাই এখন তরুণদের বড় পরীক্ষা। আত্মত্যাগের ইতিহাসকে দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের শক্তিতে পরিণত করার আহ্বান তাই তার বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

নেতৃত্বের পাঠ এবার বাস্তবের মাঠে
বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচিকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে উল্লেখ করেন ড.মঈন খান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—দ্রুত বদলে যাওয়া পৃথিবীতে শুধু ডিগ্রি দিয়ে পথ চলা কঠিন; প্রয়োজন সমস্যা বোঝার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস এবং মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নেতৃত্ব। গ্র্যাজুয়েটদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী দেশের জন্য, মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন

তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে নতুন আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে নতুন আলোচনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে সফরের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর ভারত ও বাংলাদেশ নতুন করে সফরের সময়সূচি নির্ধারণে আলোচনা করছে। আগামী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা আরও গতি পেতে পারে।

তবে সফরটি শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। সেটি হলো ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের জন্মদিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানানো এবং মোদির দ্রুত জবাব দেওয়ার ঘটনাকে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে সম্ভাব্য সফরের তারিখ দ্রুত চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এদিকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকায় সাম্প্রতিক সফর নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর তার ঢাকায় আসার খবর প্রকাশ পেলেও ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি।

নতুন বাংলাদেশি হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়ামের নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণকেও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

তবে তারেক রহমানের ভারত সফরের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে নভেম্বরের সম্ভাব্য সফরটি শেষ পর্যন্ত কোন তারিখে এবং কী কর্মসূচিতে হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

তথ্যসূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর প্রাণহানি, পাশাপাশি চিতায় দাহ

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর প্রাণহানি, পাশাপাশি চিতায় দাহ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে স্বামীর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, স্বামীর মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে তিনি রেললাইনে গিয়ে প্রাণ হারান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পাশাপাশি চিতায় দাহ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামে। মৃত দম্পতি হলেন—মালিগাঁও গ্রামের হরেন্দ্রনাথ বর্মণ (৮০) ও তার স্ত্রী নিত্যবালা বর্মণ। হরেন্দ্রনাথ স্থানীয় একটি মন্দিরের পূজারি ছিলেন। তার স্ত্রী নিত্যবালাও স্বামীর সঙ্গে নিয়মিত ধর্মীয় কাজে যুক্ত থাকতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯টার দিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় নিজ বাড়িতে মারা যান হরেন্দ্রনাথ। স্বামীর মৃত্যুর পর নিত্যবালা গভীরভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘ সময় স্বামীর মরদেহের পাশে বসে ছিলেন।

ভোরের দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান নিত্যবালা। সকালে তাকে খুঁজে না পেয়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা মালিগাঁও এলাকায় রেললাইনের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের ধারণা, রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পারিবারিক শ্মশানে হরেন্দ্রনাথ ও নিত্যবালার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পাশাপাশি দুটি চিতায় সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

হরেন্দ্রনাথের ছেলে রবীন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর মা সারা রাত বাবার শিয়রে বসে কেঁদেছেন। সকালে কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেশী যতীন চন্দ্র বর্মণ বলেন, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে ওই দম্পতির মধ্যে গভীর ভালোবাসা ছিল। স্বামীর মৃত্যুর শোক নিত্যবালা সহ্য করতে পারেননি বলে ধারণা করছেন তারা।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান জানান, পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানানোর আগেই মরদেহের সৎকার সম্পন্ন করেছেন। রেললাইনে মৃত্যুর ঘটনা হওয়ায় রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে মশাবাহিত এ রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৯ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৪২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় একজন এবং রাজশাহী বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায়। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০১, খুলনা বিভাগে ২৬৪, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৯, বরিশাল বিভাগে ২১৩, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৮, রাজশাহী বিভাগে ১৭৯, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২০, রংপুর বিভাগে ৫৬ এবং সিলেট বিভাগে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের দুই সিটি করপোরেশনসহ মোট ১১৩ জন মারা গেছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৪৫, ময়মনসিংহে ২০, চট্টগ্রামে ২৩, বরিশালে ১৮, রাজশাহীতে ১৪, রংপুরে পাঁচ এবং সিলেট বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি