খুঁজুন
                               
, ,
           

১০০ কোটির প্রকল্প, ৯৮% টাকা খরচ—তবু ঘাটতি সেবায়

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ কোটির প্রকল্প, ৯৮%  টাকা খরচ—তবু ঘাটতি সেবায়

প্রকল্প শেষ। বরাদ্দের প্রায় পুরো টাকাও খরচ। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে সেবার ফলাফল নিয়ে। সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৯৫ কোটি ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সংশোধিত বরাদ্দের ৯৭ দশমিক ৮ শতাংশই খরচ হয়েছে। অথচ সব সেবা পৌঁছেনি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়।

  • ২১ জেলার নারী-শিশুর স্বাস্থ্য প্রকল্পে পুষ্টি ও শিশুসেবার কয়েকটি সূচক ৭০–৮৬ শতাংশে
  • পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও সরঞ্জাম ব্যবহারে উঠে এসেছে দুর্বলতা

বিশেষ করে শিশু ও পুষ্টিসেবার কয়েকটি সূচকে প্রকল্পের অর্জন নেমে এসেছে ৮৫ দশমিক ৬, ৭৬ দশমিক ৮ ও ৬৯ দশমিক ৬ শতাংশে। বিপরীতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার কিছু সূচকে অর্জন ৯৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ফলে প্রকল্পের আর্থিক বাস্তবায়ন প্রায় পূর্ণ হলেও সেবার ফলাফলে তৈরি হয়েছে স্পষ্ট বৈষম্য।

৫০ লাখ মানুষের জন্য, ফল একরকম নয়
২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত চলা ‘২১টি জেলার সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা প্রদান’ প্রকল্পের আওতায় আট বিভাগের ২১ জেলার প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্য ছিল।

আইএমইডির প্রভাব মূল্যায়নে দেখা গেছে, গর্ভকালীন সেবা গ্রহণের হার ৮৯ দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্রসব-পরবর্তী সেবা গ্রহণের হার ৮৭ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থাৎ নারীস্বাস্থ্যসেবার কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি থাকলেও শিশু ও পুষ্টির ক্ষেত্রে একই গতি ধরে রাখা যায়নি।

মূল্যায়নে ৭২০ জনের ওপর জরিপ করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৪৮০ জন ছিলেন প্রকল্পের সেবাগ্রহীতা এবং ২৪০ জন তুলনামূলক গোষ্ঠীর সদস্য। পাশাপাশি নেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার, দলীয় আলোচনা ও কেস স্টাডি।

অর্থনৈতিক লাভ আছে, ব্যবস্থাপনায় ফাঁকও আছে
প্রকল্পের অর্থনৈতিক হিসাবে অবশ্য চিত্র ইতিবাচক। অর্থনৈতিক সুবিধা-ব্যয় অনুপাত ৩ দশমিক ৭০ এবং অর্থনৈতিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ৭৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর্থিক সুবিধা-ব্যয় অনুপাত ১ দশমিক ২৩২ এবং আর্থিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

কিন্তু আইএমইডির মূল্যায়নে অর্থের বাইরে উঠে এসেছে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা। অনুমোদনের আগে যথাযথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়নি। বড় প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালকও শুরু থেকে পাওয়া যায়নি।

দুই বছর অতিরিক্ত দায়িত্বে প্রকল্প পরিচালক
২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত উপসচিব ড. আবুল হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে প্রকল্প পরিচালকের কাজ করেন। পরে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত একই দায়িত্ব পালন করেন যুগ্ম সচিব মো. মাহমুদ আলী।

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রকল্পে পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এই প্রকল্পে দীর্ঘ সময় তা হয়নি। আইএমইডির মতে, এতে প্রকল্প পরিচালনায় প্রয়োজনীয় মনোযোগ ও সমন্বয় ব্যাহত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

পরিকল্পনায় সেপ্টেম্বর, দরপত্রে মার্চ
প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনায় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে দরপত্র আহ্বানের কথা ছিল। বাস্তবে তা করা হয় ২০১৯ সালের মার্চে। ছয় মাসের এই বিলম্বের প্রভাব পড়ে পরবর্তী ক্রয় ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমেও। চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার সরঞ্জাম কিনতে ব্যয় হয় ১৫ কোটি ১২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। কেনা হয় ৪ হাজার ৫০৮টি সরঞ্জাম। ১২টি জেলার জন্য ১২টি অ্যাম্বুলেন্স কিনতে খরচ হয় আরও ৫ কোটি ৪ লাখ টাকা।

তবু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় কিছু এক্স-রে মেশিনসহ সরঞ্জাম পুরোপুরি স্থাপন ও চালু করা যায়নি। অবকাঠামো ও কারিগরি প্রস্তুতির ঘাটতিকেই এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অডিট আপত্তিতেও প্রায় ২৮ লাখ টাকা
প্রকল্পের শেষ অর্থবছর ২০২০-২১-এ ২৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ টাকার চারটি অডিট আপত্তি ওঠে। এর মধ্যে করোনাকালে স্যাটেলাইট ক্যাম্পে যাতায়াত বাবদ ১২ লাখ ১৭ হাজার ৯৬০ টাকা এবং প্রশিক্ষণের নামে ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩২ টাকা ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আপত্তি রয়েছে।

এ ছাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়ায় হলরুম ও সাউন্ড সিস্টেম বাবদ ১ লাখ ৯ হাজার ৬২০ টাকা এবং আর্থিক ক্ষমতার বাইরে মোটরগাড়ি মেরামতে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০ টাকা ব্যয়ের বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে।

এর আগে ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে আরও আটটি অডিট আপত্তি উঠেছিল। সেগুলো পরে নিষ্পত্তি হলেও শেষ অর্থবছরের চারটি আপত্তি মূল্যায়নের সময়ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় ছিল।

এখন নজর পরিকল্পনার গলদে
প্রকল্প গ্রহণের আগে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সুপারিশ করেছে আইএমইডি। শুরু থেকেই পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং শক্তিশালী তদারকি কাঠামো নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

চিকিৎসা সরঞ্জাম যাতে কেনার পর পড়ে না থাকে, সে জন্য রক্ষণাবেক্ষণ ও জরুরি প্রতিস্থাপনে আলাদা তহবিল গঠনের সুপারিশ রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের সেবাকে বিদ্যমান প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা, ওষুধ সরবরাহ ও স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থায় সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আসল সাফল্য টাকা খরচে নয়
স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হকের মতে, স্বাস্থ্য প্রকল্পের দুর্বলতা অনেক সময় শুরু হয় প্রকল্প তৈরির সময়ই। পর্যাপ্ত দক্ষতা ছাড়া প্রকল্প প্রণয়ন হলে পরিকল্পনা, বাজেট ও বাস্তবায়নের মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। এর সঙ্গে বাজেট অনুমোদনে বিলম্ব ও প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তনের মতো বিষয় যুক্ত হলে বাস্তবায়ন আরও ধীর হয়।

এই প্রকল্পের হিসাব তাই সরল নয়। ৯৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে—এটি এক দিক। অন্যদিকে শিশু ও পুষ্টিসেবার কয়েকটি সূচক ৭০ থেকে ৮০ শতাংশের ঘরে আটকে থাকা আরেক বাস্তবতা। স্বাস্থ্য খাতে প্রকল্পের সাফল্যের শেষ মাপকাঠি অর্থব্যয়ের হার নয়; নির্ধারিত মানুষের কাছে কতটা মানসম্মত সেবা পৌঁছেছে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে সরকার চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম লেখেন, শিক্ষিত বেকারদের সবশেষ আশ্রয়স্থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের সরকার। গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। লিখিত ও অন্যান্য ধাপের পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও তাদের নিয়ে দীর্ঘ আট মাস ধরে চলেছে ভেরিফিকেশনের নামে এক অনিশ্চয়তা ও হয়রানির প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত এসব তরুণদের নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ লেখেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, বাদ পড়াদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য নেই। তাদের বিরুদ্ধে অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যায়নি। এরপরও কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি আরও লেখেন, মেধা, যোগ্যতা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় দাবি জানাচ্ছি, যাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, এমন প্রত্যেক নিরপরাধ প্রার্থীর নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সবজির বাজারে বড় পরিবর্তন নেই, কমেছে ইলিশের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
সবজির বাজারে বড় পরিবর্তন নেই, কমেছে ইলিশের দাম

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় রাজধানীর সবজির বাজারে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি। গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দামও।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দক্ষিণাঞ্চলের পাইকারি বাজার ও আড়ত থেকে ঢাকায় ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় মাছটির দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম নেমে এসেছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। ছোট আকারের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে।

তালতলা বাজারের মাছ বিক্রেতা আবুল কাশেম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ইলিশের দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কমেছে। কয়েকদিন বাজারে এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

স্থিতিশীল সবজির বাজার

শীতের আগাম সবজি বাজারে আসা এবং মৌসুমি সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় সবজির বাজারও মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। পটল, ঢেঁড়স ও চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি, বেগুন মানভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টমেটো ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। পেঁপে ২০, আলু ৩০ এবং পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচুর লতি ৭০-৮০, কচুরমুখি ৫০-৬০, শসা ৬০-৮০, বটবটি ৬০-৮০ এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

আগাম শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, মুলা ৬০ এবং ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট বাঁধাকপি প্রতি পিস ৮০ টাকা।

কমেছে কিছু মাংসের দাম

বাজারে সোনালি কক মুরগি ৩০০, সোনালি হাইব্রিড ২৭০ এবং লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা কমে হয়েছে ১৭০ টাকা এবং দেশি মুরগির দাম ৫০ টাকা কমে ৬৫০ টাকা কেজি।

গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাকসবজির মধ্যে লাল শাকের আঁটি ১৫, লাউ শাক ৫০, কলমি শাক দুই আঁটি ২০, পুঁই শাক ৪০ এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

নরসিংদীতে অটোরিকশা-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

নরসিংদী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
নরসিংদীতে অটোরিকশা-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

নরসিংদীর পাঁচদোনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে কার্ভাডভ্যানের সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পাঁচদোনা-টঙ্গী সড়কের ভাটপাড়া বাজারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- নরসিংদী সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের অন্তরামপুর এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২) এবং আশুলিয়ার মাতাইল দক্ষিণ পাড়ার হারিস মোল্লার ছেলে নুর উদ্দিন (৪৫)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে গাজীপুর থেকে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা নরসিংদীর উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পাঁচদোনার ভাটপাড়া সড়কে পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কার্ভাডভ্যানের সঙ্গে যানটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী নুর উদ্দিন নিহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাইদুল ইসলামও মারা যান। পরে মাধবদী থানা পুলিশ নুর উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ