খুঁজুন
                               
, ,
           

বন্যায় বিপর্যস্ত জনপদে নৌবাহিনীর দিন-রাত একাকার কর্মযজ্ঞ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
বন্যায় বিপর্যস্ত জনপদে নৌবাহিনীর দিন-রাত একাকার কর্মযজ্ঞ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

যতদূর দৃষ্টি যায় শুধু পানি আর পানি। তলিয়ে গেছে বাড়িঘর। বানের পানিতে ভেসে গেছে গৃহপালিত পশু ও আসবাবপত্র। নারী-শিশুসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের চেষ্টা আর আর্তনাদ বানভাসিদের। জীবন রক্ষায় তাদের হাহাকারে হৃদয়বিদারক এক পরিস্থতি। ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও একটানা ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়িসহ ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকায়। আকস্মিক বন্যায় দেশের ১১টি জেলায় ৪৯ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৭ জেলায় ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তবে আশার কথা হচ্ছে কঠিন এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমাহীন দুঃখ-কষ্টে দিনাতিপাত করা অসহায় বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। গত কয়েকদিন যাবত উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তাঁরা। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান সার্বক্ষণিক পুরো কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। নৌবাহিনীর বহুমাত্রিক কার্যক্রমে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে ভাগ্যবিড়ম্বিত এসব মানুষের জীবনে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত বুধবার (২১ আগস্ট) থেকে বন্যা কবলিত ফেনী এলাকায় উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুরু করে নৌবাহিনী। নৌ কন্টিনজেন্টগুলোর মাধ্যমে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় উদ্ধার সামগ্রী, বোট, লাইফ জ্যাকেট ও ডুবুরিসহ দুই শতাধিক নৌ সদস্য উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার করে ফেনী পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসছে নৌ সদস্যরা। এছাড়াও খুলনার বন্যা কবলিত পাইকগাছা এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পৃথক কন্টিনজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। ইতোমধ্যে নৌবাহিনীর আরও একটি কন্টিনজেন্ট চট্টগ্রামের মিরসরাই-এ উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী বন্যা দুর্গত মানুষদের উদ্ধার করে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিবেলায় রান্না করা খাবার সরবরাহ করছে। সেই সঙ্গে প্রত্যেক এলাকায় মেডিকেল টিম চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেই শুধু নয় যেসকল পানিবন্দি বাড়িঘরসমূহে মানুষ আশ্রয় নিয়েছে সেখানেও শুকনো খাবার (চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট ও ব্রেড), রান্না করা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট , ওষুধ এবং খাবার স্যালাইনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযান পরিচলনাকালে বয়স্ক, অসুস্থ ও গর্ভবতী নারী জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকার গবাদিপশু ও অতিপ্রয়োজনীয় সামগ্রীসমূহ নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার্তদের সহায়তায় নৌ সদস্যদের ১ দিনের বেতন প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বন্যার্তদের সহায়তায় নৌ সদস্যরা বস্ত্র সামগ্রী, রেশন ও নগদ অর্থ প্রদান করছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর এই উদ্ধার কার্যক্রম, চিকিৎসা সেবা ও ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

 তিন দফা দাবিতে শেকৃবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
 তিন দফা দাবিতে শেকৃবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রস্তাবিত ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদে শুধু রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগসহ তিন দফা দাবিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. মহবুবুজ্জামান একাডেমিক ভবনের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদে শুধু রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগ, ভেটেরিনারিয়ান ও ডিপ্লোমাধারীদের দায়িত্ব ও পদোন্নতিতে সুস্পষ্ট সীমারেখা এবং প্রতিটি উপজেলায় চারটি করে ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃষ্টি করে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া।

শিক্ষার্থী মিনহাজ আহমেদ নাইম বলেন, এলডিডিপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনেক ভেটেরিনারিয়ান বেকারত্বের মুখে পড়েছেন। একই সময়ে ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নতুন পদ সৃষ্টি হওয়ায় দায়িত্ব ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট সীমারেখা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, একজন ভেটেরিনারিয়ান দিয়ে উপজেলা পর্যায়ের সব সেবা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত নিয়োগের পাশাপাশি ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়েও ভেটেরিনারি সেবা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএ

জবিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে রিকশাচালক আটক

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
জবিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে রিকশাচালক আটক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে এক রিকশাচালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, রিকশাচালকটি ফটকের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় স্লোগান দিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আটক ব্যক্তি নিজের নাম মনির বলে জানিয়েছেন। তিনি বরগুনার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কোতোয়ালি থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। আটকের পর তাকে মারধর করা হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পুলিশ বা অন্য কোনো সূত্র থেকে ওই রিকশাচালকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

কালের আলো/এসএ

জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফীন ও ১৭ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের একটি চায়ের দোকানের পাশে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে তা ক্যাম্পাসের কাঠালতলা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকজনকে রড ও পাইপ নিয়ে হামলা করতে দেখা যায়।

আহতদের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের মাদুদ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ইমনের নাম জানা গেছে। তবে আহতের সংখ্যা ও তাদের শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, দুই গ্রুপের নাম তিনি জানেন না। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ডাকা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্যভাবে কেউ আহত হয়নি; কয়েকজন সামান্য আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন।

কালের আলো/এসএ