খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

স্মৃতির আলোয় আন্তর্জাতিক এটিসি দিবসে মিলনমেলা, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজের গুরুত্ব বিমান বাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
স্মৃতির আলোয় আন্তর্জাতিক এটিসি দিবসে মিলনমেলা, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজের গুরুত্ব বিমান বাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

৬১ বছর যাবত বিশ্বে প্রতি বছর ২০ অক্টোবর পালন করা হয় ‘আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারস’ বা এটিসি দিবস। বাংলাদেশে ২০১৯ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এবারও উৎসবের আমেজে প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে দিবসটিতে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট (এটিএম) ডিভিশন এক আয়োজনে উচ্চকিত করেছে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারসদের একাল-সেকালের গল্প, পরিবর্তন বা বিবর্তনের চিত্রপট। অপরিমেয় প্রাণোচ্ছলতায় রবিবার (২০ অক্টোবর) ছকে বাঁধা জীবন ছাপিয়ে মনের গভীরে উৎস-আনন্দের আতিশয্যে টুকরো টুকরো স্মৃতির ঝাঁপিতে মুখর হয়ে ওঠে বেবিচক সদর দপ্তর অডিটরিয়াম।

প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন থেকে শুরু করে বেবিচক এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত কন্ট্রোলার এবং বিভিন্ন এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় কার্যত এক মিলনমেলায়। বিস্মৃতির মলিনতা পেরিয়ে গৌরবের অতীত আর সোনালী ভবিষ্যতের দীপ্তিময় আবাহন ভিড় করে যেন সবার চোখের সামনে। মন ও আত্মার মিলনে স্মৃতিতর্পণে শিখরস্পর্শী কাল ও কর্মের বিশিষ্টতায় বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এ সময় বলেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে এভিয়েশন খাতের সঙ্গে যুক্ত সকলকে সমষ্টিগতভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’ সুদূরপ্রসারী অনুভূতির অনুভবের শব্দপুঞ্জে এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে তিনি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও সরকারের যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ গ্রহণের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

বেবিচক এর সদস্য (এটিএম) এয়ার কমডোর এ কে এম জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব নাসরীন জাহান ও বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। নভোএয়ার, ইউএসবাংলা, এয়ার এস্ট্রা ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর প্রতিনিধিরাও যোগ দেন অনুষ্ঠানটিতে।

আকাশ পথে বিমানজট ছাড়ানোর গুরুপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা। উড়োজাহাজ চলাচল করা অবস্থায় যদি ঘণ্টাখানেকের জন্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা (এটিসি) কাজ না করেন তবে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ সব দুর্ঘটনা; সীমা ছাড়িয়ে যাবে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি। এজন্য সর্বোচ্চ মাত্রার পেশাদারিত্ব দেখাতে হয় তাদের। ‘আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারস ডে’তে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের দায়িত্বশীলতাকে মোটা দাগে দেদীপ্যমান করার এমন আয়োজনে রীতিমতো মুগ্ধতা প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনও।

গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘নিরাপদ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের মতো দায়িত্বশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী কাজকে জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এভিয়েশন সেক্টরের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে থাকে। কর্তৃপক্ষের মোট আয়ের ৮০ শতাংশ আসে অ্যারোনটিক্যাল খাত থেকে, যেখানে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের ভূমিকাই মুখ্য। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই খাতের সঙ্গে যুক্ত সকলকে সমষ্টিগতভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তথা সরকার এই খাতের উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং করছে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

চার জেলার নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
চার জেলার নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের চার জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। এজন্য এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ মো. শহীনুল ইসলাম জানান, রংপুর, টাংগাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রশংসা একটু কম করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রশংসা একটু কম করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বারবার প্রধানমন্ত্রীর নানা কাজের প্রশংসা করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে ‘প্রশংসা একটু কম’ করতে বলেছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতাকালে বারবার প্রধানমন্ত্রীর নানা কর্মের প্রশংসা করতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, ‘মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম।’ এ সময় মিলনায়তন করতালিতে ভরে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দ্রুত বলেন, ‘প্রশংসা করি নাই যতটুকু আপনি বলতেছেন, সামান্য বলেছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, ‘দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে পরিবর্তনের অংশ হতে হবে এবং মানবসেবাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে কাজ করতে হবে। সরকার প্রধান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতসহ সব ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তার এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফলেই প্রধানমন্ত্রী এযাবৎকালের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ জন মানুষের ভেতরে তার কর্মের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

‘তাদের কথা আমি শুনবো, তাদের মতামত গুরুত্ব দেবো এবং তাদের জন্য কাজ করবো। বিনিময়ে তারা দেশের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন-প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে উদ্দেশ্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

উপজেলা হাসপাতাল প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ খাতে উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের বিকল্প নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করা সরকারের অগ্রাধিকার।’

কালের আলো/এসআর/ এএএন

বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত দুটি সরকার যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের চেষ্টায় হামের ভয়াবহ পরিস্থিতি অনেকটা রোধ করা গেছে। সামনের দিকে আরো উন্নতি হবে।

সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে পরিবর্তনের অংশ হতে হবে এবং মানবসেবাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে কাজ করতে হবে। সরকার প্রধান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতসহ সব ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেন। তার এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফলেই প্রধানমন্ত্রী এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ জন মানুষের ভেতরে উনার কর্ম উনাকে জায়গা করে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের কথা আমি শুনবো, তাদের মতামত গুরুত্ব দেবো এবং তাদের জন্য কাজ করবো। বিনিময়ে তারা দেশের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের বিকল্প নেই। তাই তাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

উপজেলা হাসপাতাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ খাতে উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা, সার্বিক কার্যক্রম অবহিত হওয়াসহ সরকারের নির্দেশনা তাদের কাছে দেওয়ার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

এ সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসআর/ এএএন