খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

উড্ডয়ন ব্যবস্থার উন্নত করার চ্যালেঞ্জে ১৩ দেশের কর্মকর্তাদের সেমিনার, আধুনিক প্রযুক্তির সম্ভাবনা অন্বেষণে বার্তা নৌবাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
উড্ডয়ন ব্যবস্থার উন্নত করার চ্যালেঞ্জে ১৩ দেশের কর্মকর্তাদের সেমিনার, আধুনিক প্রযুক্তির সম্ভাবনা অন্বেষণে বার্তা নৌবাহিনী প্রধানের

কালের আলো রিপোর্ট:

উড়োজাহাজকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ভ্রমণ-বাহন এবং দ্রুত ছুটতে থাকা আধুনিক জীবনব্যবস্থার অন্যতম চালিকাশক্তি। ‘সম্মিলিত প্রয়াস’ নিরাপদ উড্ডয়নের অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত। ফলত উড্ডয়ন নিরাপত্তার স্বার্থে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পেশাদারত্ব এবং সহযোগিতার সংমিশ্রণের অনন্য এক সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা সেমিনার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৩টি দেশের বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত সেমিনারটি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে জটিল পরিস্থিতিতে উড্ডয়ন নিরাপত্তা বজায় রাখা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং উড্ডয়ন দুর্ঘটনা ঝুঁকি হ্রাস করে উন্নত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাখবে ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও এ শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা শীর্ষক সেমিনারটির উদ্বোধন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানও মনে করেন-‘এই সেমিনার কেবলমাত্র আধুনিক প্রযুক্তির সম্ভাবনাই অন্বেষণ করবে না বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নেও সহায়তা করবে।’ সেমিনারটি শেষ হবে আগামী বুধবার (২৩ অক্টোবর)। এটি অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে উড্ডয়ন নিরাপত্তা ছাড়াও নানা বিষয়ে আরও বেশি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা ও দেশের পর্যটনেও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত করবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন বক্তারা।

জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ বিমান উড্ডয়ন-চলাচল-অবতরণ নিশ্চিত করে চলেছে। নিরাপদ উড্ডয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণেও বিশেষ যত্নবান তাঁরা। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ বিমান ভ্রমণকে আরও সহজতর করেছে এবং বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে নতুন নতুন রুট সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। বিমান উড্ডয়ন একটি উচ্চতর কারিগরি পেশা হওয়ায় এখানে পেশাগত দক্ষতার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। উড্ডয়ন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আপোসহীন মান অর্জনের লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনবলের মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের দক্ষতা একদিকে যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে তেমনি সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্যও বয়ে এনেছে সুনাম ও মর্যাদা। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গত বছর ২২ হাজার ৯২৯ নিরাপদ উড্ডয়ন ঘণ্টা অর্জন করেও রীতিমতো এক চমক তৈরি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেবিচক এর যৌথ ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের সপ্তম সেমিনারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে-‘প্রমোটিং ফ্লাইট সেফটি বাই এমব্রেসিং টেকনোলোজিক্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট’। আয়োজক বাংলাদেশ ছাড়াও বাহরাইন, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, রাশিয়া, কাতার, মালদ্বীপ, চীন, কেনিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব, শ্রীলংঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও  জিম্বাবুয়ের বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা সেমিনারে অংশগ্রহণ করছেন। সেমিনারটিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, এমআইএসটিসহ বিভিন্ন সংস্থা ও বেশিরভাগ বেসরকারি এয়ারলাইন্সসমূহের প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন।

চিহ্নিত হবে বিমান উড্ডয়নের বিভিন্ন ঝুঁকি, বিশেষ ভূমিকা রাখবে উড্ডয়ন নিরাপত্তার মান উন্নয়নে
বাংলাদেশে সরকারি বিমান চলাচলকারী সংস্থা ছাড়াও অনেক বেসরকারি বিমান পরিচালনকারী সংস্থা রয়েছে। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা সেমিনার সবার মাঝে এভিয়েশন সেফটি সম্পর্কিত ব্যবস্থাপনা এবং এর উন্নতিকল্পে সুস্পষ্ট ধারণা মিলবে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। সেমিনারে তাঁরা বলেন, বিমান উড্ডয়ন নিরাপত্তার বিষয়েও পেশাগত মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে এই আন্তর্জাতিক সেমিনার। উড্ডয়ন নিরাপত্তা শুধু বিমান বাহিনীসমূহের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বরং উড্ডয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোন সংস্থা উড্ডয়ন নিরাপত্তা চর্চার মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। শুধু তাই নয়, এই সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে বিমান উড্ডয়নের বিভিন্ন ঝুঁকি চিহ্নিত করে উড্ডয়ন নিরাপত্তার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলেই উপকৃত হবেন।

বন্ধুপ্রতীম বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ নৌবাহিনী প্রধানের
আন্তর্জাতিক এই সেমিনার আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বন্ধুপ্রতীম বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের পেশাদার বিমান চালকদেরও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিশ্ব প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অসাধারণ গতি প্রত্যক্ষ করছে, তাই এই সেমিনারটি ক্রমবর্ধমান জটিল পরিস্থিতিতে উড্ডয়ন নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং উন্নত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অবদান রাখবে। বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনা কেবল মাত্র অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সম্ভাবনাই অন্বেষণ করবে না বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।’ তিনি প্রত্যাশা করেন প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সেমিনারটি সাফল্যমণ্ডিত হয়ে ওঠবে।

অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিকল্পনা) এয়ার ভাইস মার্শাল মো.শরীফ উদ্দীন সরকার, বেবিচক’র চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো.মঞ্জুর কবীর ভূইয়াসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ