খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

শাহজালালে বদলে গেছে যাত্রীসেবার মান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ বিমান বাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
শাহজালালে বদলে গেছে যাত্রীসেবার মান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ বিমান বাহিনী প্রধানের

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত ৯০২ জন আনসার সদস্য আকস্মিক কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বিমান বন্দরে নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিতে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। এতে বদলে যায় যাত্রীসেবার মান। লাগেজ কাটা বা বিড়ম্বনার ভয় হয়েছে অতীত।

শক্ত হাতে টেনে ধরা হয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতির লাগাম। বন্ধ হয়েছে পদে পদে হয়রানিসহ নানাবিধ যন্ত্রণা। নিশ্চিত হয়েছে জবাবদিহিতা, মিলছে সুআচরণও। নির্ঝঞ্ঝাট হয়েছে যাত্রীদের আকাশপথের যাত্রাও। পরিবর্তনের এমন হাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছে দেশপ্রেমী বিমান বাহিনী ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এসব যেন কোন রূপকথার গল্প নয়, একেবারেই বাস্তব! অবিশ্বাস্য ও অসাধারণ নৈপুণ্য, নিরলস প্রচেষ্টা, আন্তরিক সেবা আর সমন্বয়ের সারি সারি এমন চিত্রপট অবলোকন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নিজেও। গুরুত্বারোপ করেছেন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) তিনি বিমান বন্দরটিতে বিমান বাহিনীর সদস্যদের পরিচালনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বিমান বাহিনী প্রধান একে একে বিমান বন্দরের চেকিং কাউন্টার, ইমিগ্রেশন, স্ক্যানার, বোর্ডিং ব্রিজ, এরাইভাল, ডিপারচার, এয়ার ক্রাফট পার্কিংসহ বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অসামরিক কর্তৃপক্ষকে সহায়তায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বিভিন্ন বিমান বন্দর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করে চলেছে। সব রকমের অনিয়ম ও হয়রানি দূর করে বিমান বন্দরে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে বিমান বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে।’

এর আগে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। এ সময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (প্রশাসন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, বৈশ্বিক যোগাযোগ, টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বিমান পরিবহন সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রয়োজনে আকাশপথে যোগাযোগ বাড়ছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত বছর ১ কোটি ১৭ লাখ যাত্রীকে সেবা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের সর্ববৃহৎ এই বিমানবন্দর দিয়ে ৯০ থেকে ৯৫ লাখ যাত্রী আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ২৩ থেকে ২৫ হাজার যাত্রী বছরে চলাচল করছেন। চলতি বছরের শেষে যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়বে। প্রতিনিয়ত এই বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা উন্নত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই বিমানবন্দরটির সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় টার্মিনাল চালু হতে যাচ্ছে। এই টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। এর ফলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দুর্নীতি ও অনিয়ম অনেকাংশেই আমরা রহিত করতে পেরেছি
দেশের যেকোন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও বিমান বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিমান বাহিনী কাজ করে চলেছে বলে জানান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাহিনীটির সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন এখানে নিরাপত্তা অনেকটাই হুমকির মুখে পড়েছিল সেই সময় আমরা বিমান বাহিনী থেকে আমাদের লোকজন নিয়োগ করেছি। আমরা সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করেছি। দুর্নীতি, অনিয়ম, চোরাচালান ও অনৈতিক কার্যকলাপ যেগুলো হচ্ছিল সেগুলো অনেকাংশেই আমরা রহিত করতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য লাগেজ দ্রুত পাওয়ার সুবিধা, দুর্নীতি এবং চোরাচালান রোধে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের সুনাম দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ধরে রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

দেশে আসা ও বিদেশগামী প্রবাসী বাংলাদেশী যাত্রীদের বিশেষ সেবা দিতেও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, ‘আমাদের প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন। তাঁরা যেন কোনভাবে হেয় প্রতিপন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাদের সব রকমের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবেন।’

বেবিচক চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ, বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা
ঢেলে সাজানো হয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় বিমানবাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য এখানে কাজ করছেন। তাঁরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাকে ঘিরে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে যাত্রী সুরক্ষাসহ বন্দরের নিরাপত্তার কোনও ঘাটতি নেই। স্বল্পসময়ে যাত্রীসেবা সহজীকরণের জন্য বেবিচক চেয়ারম্যান, অন্যান্য সদস্য এবং হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ। তিনি বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করে বিমান যাত্রীদের আগমন ও প্রস্থানকালে বাড়তি নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি বিমানের নিরাপদ উড্ডয়ন ও অবতরণে বিমান বাহিনীর নিরাপত্তা দল সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানে আইকাও এর নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে যাতে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করা যায়।’ এছাড়া বিমান বাহিনী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যেভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, তা দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিমান বাহিনী প্রধানের পরিদর্শনের সময় বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বেবিচক এর সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা), সদস্য (প্রশাসন), সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড এন্ড রেগুলেশন্স), সদস্য (নিরাপত্তা), প্রধান প্রকৌশলী এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের বিভিন্ন পদবীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে