খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে উজ্জ্বল হলো ৭’শ সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৯, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে উজ্জ্বল হলো ৭’শ সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

নিজেদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতার সমন্বয়ে দুই ঋতুর মরুর দেশ কুয়েত পুনর্গঠনে নিবিষ্টমনে কাজ করে বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাকি বাহিনীর তান্ডবের ক্ষতচিহ্ন মুছে মাইন অপসারণ, নিরাপদ ও আধুনিক কুয়েত পুনর্গঠনে প্রায় ২৮ বছর যাবত নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরলসভাবে সেখানে কাজ করছেন তাঁরা।

বেতন ভাতা থেকে শুরু করে পদমর্যাদাসহ সব ধরণের সুযোগ সুবিধাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পাচ্ছেন কুয়েত সেনাসদস্যদের মতোই। ফলে বন্ধুপ্রতিম দেশ কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, নিবিড় ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে।

আরো পড়ুন:
কুয়েতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের চারদিনের কুয়েত সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিশেষ করে এই সফরের মাধ্যমে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনের (ওকেপি) অংশ হিসেবে সেই দেশের সরকারের মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের) অধীনে আরো প্রায় ৭’শ চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠেছে

বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের নিষ্ঠা, নৈতিক মনোবল, সাহস ও আত্মত্যাগকে বিশেষ মর্যাদায় দেখে আসা ভ্রাতৃপ্রতিম এই দেশটি উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) গত শনিবারের (০৯ মার্চ) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সোমবার (১১ মার্চ) কুয়েতের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আরবের উত্তরাঞ্চলীয় পারস্য উপসাগরের প্রান্তে অবস্থিত দেশটিতে সফরকালে সেনাপ্রধান কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ খালিদ আল-খাদের’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আইএসপিআর থেকে জানানো হয়, কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

পাশাপাশি তাঁরা দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ আলি আল-সাবাহ মিলিটারি কলেজ, মুবারক আল-আব্দুল্লাহ জয়েন্ট কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ এবং কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন।

সূত্র মতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ কুয়েতের উর্ধ্বতন সেনা নেতৃত্বের সঙ্গে, কুয়েত সরকারের মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের) সচিবের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

পাশাপাশি বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টসমূহের দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা এবং মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের অধীনে আরো প্রায় ৭’শ চাকরিরত এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য পাঠানোর বিষয়েও তাদের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সেনাপ্রধান সেখানকার বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টসমূহের বিভিন্ন কর্মকান্ডও পরিদর্শন করেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ইতোমধ্যেই চারদিনের সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। তাঁর এই সরকারি সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএস/এএ

শাহজালালে যাত্রীদের মুখোমুখি মন্ত্রী,ব্যাগেজ সেবায় সন্তুষ্টি

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
শাহজালালে যাত্রীদের মুখোমুখি মন্ত্রী,ব্যাগেজ সেবায় সন্তুষ্টি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা ও ব্যাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকস্মিকভাবে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ব্যাগেজ ডেলিভারি এলাকায় অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিমান থেকে নামার পর যাত্রীরা কত সময়ের মধ্যে লাগেজ হাতে পাচ্ছেন, ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থাপনা কেমন এবং যাত্রীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে সরাসরি তাদের মতামত জানতে চান।

মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাত্রীরা ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজ হাতে পাওয়ার বিষয়েও তারা ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানান। যাত্রীদের এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী। বিমানবন্দরের প্রতিটি কার্যক্রমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে যাত্রীদের সুবিধা আরও বাড়াতে দ্রুত ট্রলির সংখ্যা বৃদ্ধির নির্দেশনাও দেন।

যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়

বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনায় যাত্রীসেবার বাস্তব চিত্র জানতে সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার উদ্যোগটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা দাপ্তরিক উপস্থাপনার পরিবর্তে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকেই অভিজ্ঞতা জানার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বোঝার সুযোগ তৈরি হয়। ব্যাগেজ ডেলিভারি নিয়ে যাত্রীদের সন্তুষ্টির বিষয়টি বিমানবন্দরের সেবাব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে সেবার মান আরও উন্নত করার জন্য মন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশনা ভবিষ্যতে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করার উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পারে।

যাত্রীসেবায় আরও উন্নতির লক্ষ্য

একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান শুধু দ্রুত লাগেজ সরবরাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যাত্রীদের বিমান থেকে নেমে লাগেজ সংগ্রহ, ট্রলি পাওয়া এবং স্বাচ্ছন্দ্যে টার্মিনাল ত্যাগ—পুরো প্রক্রিয়াটিই যাত্রী অভিজ্ঞতার অংশ। এ কারণে ট্রলির সংখ্যা দ্রুত বাড়ানোর নির্দেশনাকে যাত্রীসেবার ধারাবাহিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখা যায়। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রলি নিশ্চিত করা গেলে লাগেজ সংগ্রহের পর যাত্রীদের চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে।

আকস্মিক পরিদর্শনে মাঠপর্যায়ের সেবায় গুরুত্ব

রাতে আকস্মিকভাবে মন্ত্রীর বিমানবন্দরে গিয়ে ব্যাগেজ ডেলিভারি এলাকা পরিদর্শন এবং যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মধ্য দিয়ে যাত্রীসেবার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার একটি বার্তা উঠে এসেছে। বিশেষ করে যাত্রীদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শোনা এবং একই সঙ্গে আরও উন্নয়নের জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া—দুটি বিষয়ই সেবাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বারে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও যাত্রীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার পথকে এগিয়ে নিতে পারে।

কালের আলো/এমএএএমকে

একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জনকে হারিয়ে শোকে জামালপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জনকে হারিয়ে শোকে জামালপুর

ময়মনসিংহে বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে জামালপুরের বিভিন্ন এলাকায়। নিহতদের মধ্যে ছয়জনই জামালপুরের বাসিন্দা। তাদের চারজন একই পরিবারের সদস্য।

একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন পরিবারের প্রবীণ সদস্য, তার ছেলে, অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে এবং পাঁচ বছরের নাতি। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের আবহ।

একই পরিবারের চারজন নিহত

নিহতরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫৫), তার মা রাশিদা বেগম (৮৫), মেয়ে মর্জিনা (২৫) এবং মর্জিনার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মিনাল।

এ ছাড়া একই ইউনিয়নের বীর গোবিন্দবাড়ী গ্রামের সুজন আলী (৩৪) এবং একই উপজেলার নান্দিনা বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৪৮) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় নিহত অপর নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

গাজীপুর যাওয়ার পথেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

স্বজনরা জানান, শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মা রাশিদা বেগম, দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনালকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন মোফাজ্জল হোসেন লেবু।

নান্দিনা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় প্রথমে ময়মনসিংহ যাওয়ার কথা ছিল তাদের। এরপর সেখান থেকে বাসে করে গাজীপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, পেশায় রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনালকে গাজীপুরের বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই আগের দিন তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।

‘একসঙ্গে সবাইকে হারিয়ে আমরা নিঃস্ব’

মোফাজ্জল হোসেন লেবুর ভাবি ইসমতারা বলেন, তার দেবর গাজীপুরে থেকে দিনমজুরের কাজ করতেন। পরিবারের সদস্যদের গাজীপুরে নিয়ে যাওয়ার জন্যই তিনি বাড়িতে এসেছিলেন।

তিনি বলেন, মর্জিনা দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। একসঙ্গে পরিবারের চারজনকে হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে গেছেন।

দুর্ঘটনার বিচার দাবি এলাকাবাসীর

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, রাজিব পরিবহনের বাসের কারণে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে বলে তারা অভিযোগ করে আসছেন। তবে এবারের দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যুতে এলাকার মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে মর্জিনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

একসঙ্গে একই পরিবারের চার সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজনদের পাশাপাশি প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যেও শোক নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে সড়কে বেপরোয়া যান চলাচল ও দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।

এক শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদমাধ্যমের অন্যতম পথিকৃৎ। দেশের গণমাধ্যমের বিকাশ ও অনলাইন সাংবাদিকতার প্রসারে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁর মৃত্যু দেশের গণমাধ্যম জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

তথ্যমন্ত্রী মরহুম তৌফিক ইমরোজ খালিদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি