খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে উজ্জ্বল হলো ৭’শ সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৯, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে উজ্জ্বল হলো ৭’শ সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

নিজেদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতার সমন্বয়ে দুই ঋতুর মরুর দেশ কুয়েত পুনর্গঠনে নিবিষ্টমনে কাজ করে বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাকি বাহিনীর তান্ডবের ক্ষতচিহ্ন মুছে মাইন অপসারণ, নিরাপদ ও আধুনিক কুয়েত পুনর্গঠনে প্রায় ২৮ বছর যাবত নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরলসভাবে সেখানে কাজ করছেন তাঁরা।

বেতন ভাতা থেকে শুরু করে পদমর্যাদাসহ সব ধরণের সুযোগ সুবিধাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পাচ্ছেন কুয়েত সেনাসদস্যদের মতোই। ফলে বন্ধুপ্রতিম দেশ কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, নিবিড় ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে।

আরো পড়ুন:
কুয়েতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের চারদিনের কুয়েত সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিশেষ করে এই সফরের মাধ্যমে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনের (ওকেপি) অংশ হিসেবে সেই দেশের সরকারের মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের) অধীনে আরো প্রায় ৭’শ চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য পাঠানোর সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠেছে

বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের নিষ্ঠা, নৈতিক মনোবল, সাহস ও আত্মত্যাগকে বিশেষ মর্যাদায় দেখে আসা ভ্রাতৃপ্রতিম এই দেশটি উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) গত শনিবারের (০৯ মার্চ) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সোমবার (১১ মার্চ) কুয়েতের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আরবের উত্তরাঞ্চলীয় পারস্য উপসাগরের প্রান্তে অবস্থিত দেশটিতে সফরকালে সেনাপ্রধান কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ খালিদ আল-খাদের’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আইএসপিআর থেকে জানানো হয়, কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

পাশাপাশি তাঁরা দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ আলি আল-সাবাহ মিলিটারি কলেজ, মুবারক আল-আব্দুল্লাহ জয়েন্ট কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ এবং কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন।

সূত্র মতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ কুয়েতের উর্ধ্বতন সেনা নেতৃত্বের সঙ্গে, কুয়েত সরকারের মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের) সচিবের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

পাশাপাশি বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টসমূহের দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা এবং মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়রের অধীনে আরো প্রায় ৭’শ চাকরিরত এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য পাঠানোর বিষয়েও তাদের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সেনাপ্রধান সেখানকার বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টসমূহের বিভিন্ন কর্মকান্ডও পরিদর্শন করেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ইতোমধ্যেই চারদিনের সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। তাঁর এই সরকারি সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএস/এএ

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে

রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

রাজধানীতে বিদ্যুতের লোড কমাতে সব বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও নির্মাণ সরঞ্জাম বিষয়ক বিআইআইডি এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের ব্যাকআপ ব্যবস্থা তৈরি করতে সোলার পাওয়ারকে সহজলভ্য করা হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যে সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের অভাবে দেশে এখন পর্যন্ত ব্যাপকভাবে সোলার ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সোলার ও উইন্ড এনার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। বর্তমানে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি।

কালের আলো/এসএকে