খুঁজুন
                               
, ,
           

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল সৃজনকল্পের বহি:প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল সৃজনকল্পের বহি:প্রকাশ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জীবনের উজ্জ্বল সৃজনকল্পের বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন। নানা অনুসঙ্গের সম্মিলনে শক্তি ও সৌন্দর্য্যে এক সপ্রতিভ আড়ম্বরপূর্ণ ডিসপ্লেতে ফুটিয়ে তোলা হয় আবহমান বাংলার রূপ-রস-গন্ধের জোটবদ্ধতায়। দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে যেন হয়ে ওঠে একখণ্ড বাংলাদেশ। আকর্ষণীয় এই কুচকাওয়াজ নজর কেড়েছে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম থেকে শুরু করে অন্য অতিথিদেরও।

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার পরশে নয়নাভিরাম মনন-স্পর্শী, শ্রমে-ঘামে চলিষ্ণুতায় বয়ে যায় জীবনের অন্তঃশীল উচ্ছ্বাস আনন্দের ঢেউ। মুহুর্মুহু করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। মুগ্ধতা প্রকাশ করেন সবাই। এসব ঘটনাপ্রবাহ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসস্থ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিবসের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে যেখানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। তিনি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হাউজকে ট্রফি প্রদান করেন।

সেনাবাহিনীর সিজিএস শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, চারিত্রিক বিকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে আলোকিত মানুষ ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক হওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বশেষ জ্ঞান সম্পন্ন আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়াও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাডেমিক ফলাফল ও শৃঙ্খলার মানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাগত দক্ষতা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির বিষয়েও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রিজওয়ান, অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ বি এম নওরোজ এহসানসহ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে মঞ্চনাটক ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে নাট্যদল ঢাকা পদাতিক।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহীম মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবনের সহযোগিতায় আয়োজন করা হচ্ছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে তপোবনের শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন। মিলনায়তনের প্রবেশপথে প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট খণ্ডযুদ্ধের ছবি। পাশাপাশি এসব যুদ্ধে শহীদ বিপ্লবীদের প্রতিকৃতি এবং ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও দেখানো হবে।

অতিথিদের বক্তব্যের পর শুরু হবে নাটকটির বিশেষ মঞ্চায়ন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। মঙ্গলবার নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন হবে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটকটি নির্মিত।

নাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। তিনি নাটকটিতে মাস্টারদা সূর্যসেনের চরিত্রেও অভিনয় করছেন।

নাদের চৌধুরী বলেন, ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।’

প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অম্বিকা চক্রবর্তী ও নির্মল সেন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসানসহ আরও অনেকে।

নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন আবুল বাশার সোহেল। মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় আছেন শ্যামল হাসান।

২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক মঞ্চায়ন হয়েছে নাটকটির। ভারতের দিল্লিতেও নাটকটির দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করা হবে। এ জন্য ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো নথিগুলো আর্কাইভে নেওয়া হবে। ডি-নথির মাস্টার ট্রেনারদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।

কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএ

জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষক গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা আরও বাড়ানোরও আহ্বান জানান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

সভাপতির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ দিতে পেরে তারা আনন্দিত ও গর্বিত। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

একই সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতো অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান উপাচার্য।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পুরস্কারপ্রাপ্ত ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একজন এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একজন রয়েছেন।

গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএ