নির্বাচনী ট্রেনে গতি, ‘সুপার ক্যারাভান’ জানাবে ভোটের গুরুত্ব
কালের আলো রিপোর্ট:
গণঅভ্যুত্থানে পাল্টে যাওয়া দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষ। এই রূপান্তরের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের বাদ্য বেজেছে আরও আগেই। তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী ট্রেনে উঠেছে দেশ। গণতন্ত্রের মজবুত গড়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট এনেছে অনন্য মাত্রা। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রশ্নমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে। আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশ গড়তে ইতিহাসের সেরা একটি নির্বাচন ও গণভোট উপহার দিতে বারবার নিজের শক্ত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস।
ফলে স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের লক্ষ্যপূরণে প্রচারণায় বিশেষ জোর দিয়েছে সরকার। নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত ও ভোটারদের সচেতনতা বিকাশে মাঠে নামিয়েছে ১০টি ভোটের গাড়ি-সুপার ক্যারাভান। দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে এসব ‘ভোটের গাড়ি’। সারাদেশে প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই সুপার ক্যারাভানের যাত্রা শুরু হয়। ১০টি ভোটের গাড়ি বা ‘সুপার ক্যারাভান’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস। রেকর্ডেড বক্তব্যে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে তিনি এ সময় বলেছেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা-থাকবে কেবল জনগণের মুক্ত ও নির্ভীক মতপ্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’
- ‘ভোটাধিকার কারো দয়া নয়, এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার’ : প্রধান উপদেষ্টা
- মাঠ পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমে সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
- গণভোট কেবল কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজনমাত্র নয়; এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
- প্রায় চূড়ান্ত গণভোটের লিফলেট, গণভোট বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল ডেমোনস্ট্রেশন
‘ভোটাধিকার কারো দয়া নয়, এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার’ মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা নির্ধারণ করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’ তিনি তরুণ ভোটার, নারী ভোটার ও প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। বলেন, ‘আপনি দেশের মালিক। আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশকে কে চালাবে, তা ঠিক করতে আপনার ভোট গুরুত্বপূর্ণ। চিন্তা-ভাবনা করে সৎ ও সমর্থ প্রার্থীকে ভোট দিন। অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।’ প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ‘এবারের নির্বাচনে জনগণ আরও একটি ভোট দেবে। জুলাই সনদে ভোট দেবে। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে এই সনদ প্রস্তুত হয়েছে। দেশবাসী যদি এটি সমর্থন করেন, গণভোটে অবশ্যই ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দিন।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার (প্রেস ও মনিটরিং) ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গণভোট কেবল কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজনমাত্র নয়; এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ
‘ভোটের গাড়ি’ প্রচারণার উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য হলো গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, যাতে পরিবর্তনের ধারাটি সত্যিকার অর্থেই সূচিত হয়।’ এবারের গণভোট কেবল কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজনমাত্র নয়; এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, ‘যার মাধ্যমে দেশ কীভাবে পরিচালিত হবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকবে-সে বিষয়ে পরিবর্তনের পথ তৈরি হবে। এ লক্ষ্যেই সরকার দেশব্যাপী ব্যাপক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’
জানা যায়, সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে মাঠ পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমে সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জেলা তথ্য অফিসারদের সঙ্গে জুম প্ল্যাটফর্মে মতবিনিময় সভা করে এই সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মো. মফিদুল রহমান সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা। এই সভাতেও সুনির্দিষ্ট প্রচার সূচি তৈরি করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। এতে সরকারি অর্থের সাশ্রয়ের পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগে কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্রচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তিনি।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে প্রথম শর্ত হলো সরকারের সদিচ্ছা। সরকার বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে নিজেদের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রচারণায় মুখ্য ভূমিকা পালন করছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের নীতিতে বিশ্বাসী। কাক্সিক্ষত বন্দরে নোঙরের মাধ্যমে আক্ষরিক অর্থেই এর প্রমাণ দিতে চান তাঁরা। সরকারের নিরপেক্ষতা, কমিশনের দক্ষতা, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিপক্বতা, নিরাপত্তা বাহিনীর সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব সব মিলেই ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ভোরের সূচনা হবে। এজন্য সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে
ভোটের গাড়ির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এদিন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, কিছু মহল জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে, তবে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে সংঘটিত সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার কার্যক্রম সফল করতে হলে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা অপরিহার্য। সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে-পরিবর্তন কেন প্রয়োজন এবং এই পরিবর্তন তাদের জীবন ও ভবিষ্যতে কী ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি জানান, সকল জেলা ও উপজেলার জন্য বিস্তারিত প্রচার ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হবে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সমাজের প্রতিনিধিদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার বিভাগ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ প্রচারণা পরিচালিত হবে। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্মিত পাঁচটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জানা গেছে, এবারের নির্বাচনি ও গণভোট প্রচারণায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সারা দেশে মোট ১০টি ‘ভোটের গাড়ি’ পরিচালনা করবে। এর আগে উপদেষ্টা, হামলার শিকার প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয় পরিদর্শনে যান এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
প্রায় চূড়ান্ত গণভোটের লিফলেট, গণভোট বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল ডেমোনস্ট্রেশন
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জুম প্ল্যাটফর্মে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনায় জেলা তথ্য অফিসারদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, গণভোটের ডেমোসহ একটি লিফলেট প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে, যা অনুসরণ করলে প্রচার কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে। তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিচালিত ‘ভোটের গাড়ি’ কর্মসূচির সঙ্গে জেলা তথ্য অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্বাচনি প্রচারণার সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের দপ্তরগুলো যুক্ত হতে পারে। সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে নির্বাচনি প্রচারে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে।’ সঞ্চালনাকালে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা গণভোট ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নানাবিধ প্রচার কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘৬৪ জেলা ও চারটি উপজেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর নিবিড়ভাবে প্রচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বাচনি প্রচারে গণভোটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ভোটার, তরুণ প্রজন্ম, নারী ভোটার ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের উৎসাহিত করতে অঞ্চলভিত্তিক জনপ্রিয় সংগীত তৈরি ও প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘ভোটালাপ’ ও ‘টেন মিনিট ব্রিফ’ কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে গণভোট বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল ডেমোনস্ট্রেশন দেখানো হবে। এই মতবিনিময় সভায় ৬৮ জেলার তথ্য অফিসের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (কারিগরি) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, পরিচালক (প্রশাসন) সৈয়দ এ মু’মেন এবং পরিচালক (প্রচার) ডালিয়া ইয়াসমিন সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
কালের আলো/এমএএএমকে


আপনার মতামত লিখুন
Array